সময়ের সঙ্গে ব্যাংক খাতে প্রতিযোগিতা বেড়েছে, পাশাপাশি পরিবর্তিত হয়েছে গ্রাহকদের চাহিদা ও প্রত্যাশা। এসব পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে সুশাসন, দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও আধুনিক ব্যাংকিং সেবার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন আইএফআইসি ব্যাংক পিএলসির চেয়ারম্যান ও স্বতন্ত্র পরিচালক মো. মেহমুদ হোসেন। তিনি বলেন, ‘দেশের ব্যাংক খাতে আইএফআইসির ৫০ বছরের পথচলা নিঃসন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন। তবে এ অর্জনকে ধরে রেখে সামনে এগিয়ে যাওয়াই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।’
গতকাল রাজধানীর আইএফআইসি টাওয়ারে ‘অবিচল বিশ্বাসের ৫০ বছর’ প্রতিপাদ্যে প্রতিষ্ঠানের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনকালে ব্যাংকটির চেয়ারম্যান এসব কথা বলেন। আইএফআইসির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান ও স্বতন্ত্র পরিচালক মো. এবতাদুল ইসলাম, অডিট কমিটির চেয়ারম্যান ও স্বতন্ত্র পরিচালক কাজী মো. মাহবুব কাশেম এবং নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান ও পরিচালক মো. গোলাম মোস্তফা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. মেহমুদ হোসেন জানান, আইএফআইসি ব্যাংকের চলমান সংস্কার ও আধুনিকায়ন কার্যক্রম সঠিক পথে এগোচ্ছে। ব্যাংকের সব পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে আইএফআইসি আরো শক্তিশালী ও স্থিতিশীল ব্যাংক হিসেবে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করতে পারবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সৈয়দ মনসুর মোস্তফা বলেন, ‘গ্রাহকদের অবিচল বিশ্বাস ও ভালোবাসাই আইএফআইসির পাঁচ দশকের পথচলার সবচেয়ে বড় অর্জন। ৫০ বছর শুধু সময়ের হিসাব নয়, এটি অসংখ্য মানুষের প্রত্যাশা, সম্পর্ক ও সম্মিলিত প্রচেষ্টায় গড়ে ওঠা।’
আইএফআইসি জানিয়েছে, ১৯৭৬ সালের ৮ অক্টোবর যাত্রা শুরু করা প্রতিষ্ঠানটিতে বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের মালিকানা ৩২ দশমিক ৭৫ শতাংশ। ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সারা দেশে ১ হাজার ৪ শতাধিক শাখা ও উপশাখার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ২৫ লাখের অধিকসংখ্যক গ্রাহককে সেবা দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। এছাড়া ব্যাংকটির আমানতের পরিমাণ ৫৫ হাজার কোটি টাকার বেশি। শহর থেকে প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত আধুনিক, সহজলভ্য ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দেয়ার মাধ্যমে দেশের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ও অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় অবদান রাখছে বলেও জানিয়েছে আইএফআইসি।










