দেশের দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের প্রস্থেটিক অ্যান্ড অর্থোটিক (পিঅ্যান্ডও) সেবা নিশ্চিতে অর্থায়ন করবে প্রাইম ব্যাংক পিএলসি। এ লক্ষ্যে সেন্টার ফর দ্য রিহ্যাবিলিটেশন অব দ্য প্যারালাইজডের (সিআরপি) সঙ্গে এক বছরের জন্য একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে ব্যাংকটি। এ উপলক্ষে সম্প্রতি ঢাকায় প্রাইম ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এএমডি) ও প্রধান ঝুঁকি কর্মকর্তা মো. জিয়াউর রহমান এবং সিআরপি বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ভেলেরি এ টেইলর নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এমওইউতে স্বাক্ষর করেন। ব্যাংকের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গতকাল এ তথ্য জানানো হয়।
প্রাইম ব্যাংক বলছে, এ অংশীদারত্বের আওতায় ব্যাংকের করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) কর্মসূচির মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য পিঅ্যান্ডও ডিভাইস, পুনর্বাসন সেবা ও প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিতে অর্থায়ন করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে ফিজিওথেরাপি, অকুপেশনাল থেরাপি ও মানসিক স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন বহুমাত্রিক পুনর্বাসন সেবা।
এক বছর মেয়াদি এ উদ্যোগে সিআরপি নির্ধারিত পেশাগত ও চিকিৎসা-সংক্রান্ত মানদণ্ড অনুসরণ করে সেবা দেবে। অন্যদিকে প্রাইম ব্যাংক কাঠামোবদ্ধ প্রতিবেদন, নিয়মিত পর্যালোচনা ও প্রভাব মূল্যায়নের মাধ্যমে কর্মসূচির অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করবে। এর মাধ্যমে সেবাগুলো প্রকৃত সুবিধাভোগীদের কাছে পৌঁছা ও তাদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে।
এ উদ্যোগকে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য মর্যাদা ও স্বনির্ভরতা নিশ্চিতের প্রয়াস বলে উল্লেখ করেছেন ব্যাংকের এএমডি মো. জিয়াউর রহমান। তিনি বলেন, ‘প্রকৃত অগ্রগতি শুধু অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মাধ্যমে নয়, বরং মানুষের ক্ষমতায়ন ও আরো অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনের মাধ্যমেও পরিমাপ করা উচিত।’
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, প্রাইম ব্যাংক মনে করে, টেকসই উন্নয়ন কেবল অর্থনৈতিক অগ্রগতির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এর সঙ্গে মানুষের মর্যাদা, সেবাপ্রাপ্তির সুযোগ, সহজপ্রাপ্যতা এবং সমাজের সব মানুষের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিতের বিষয়ও জড়িত। সিআরপির সঙ্গে এ অংশীদারত্ব অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে ব্যাংকের অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন।










