অভিনেতা টিমোথি শ্যালামে এরই মধ্যে প্রশংসিত। বেশকিছু সিনেমায়ই তিনি নিজের প্রতিভা প্রকাশ করেছেন। এর মধ্যে আছে ‘ডুন’-এর দুই পর্ব ও ‘ওঙ্কা’। ডুন গত পাঁচ বছরের মধ্যে অন্যতম সেরা সিনেমা সিরিজে পরিণত হয়েছে। ফ্র্যাংক হারবার্টের উপন্যাস থেকে নির্মিত এ সিনেমার দুটি পর্ব, যার দ্বিতীয়টি মুক্তি পেয়েছে এ বছর। সিনেমাটি প্রথম পর্বের মতোই প্রশংসা পেয়েছে। এ নিয়ে এটি আবারো অস্কারের দৌড়ে এগিয়ে গেছে। তাছাড়া টিমোথি অন্যান্য সিনেমায় অভিনয় করে দর্শকের মন জয় করেছেন।

টিমোথির ক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয় কাজ করেছে। প্রথমত তার সিনেমার ধরন। তিনি অভিনয় করেছেন ভিন্ন ধারার সিনেমায়। সেই সঙ্গে যেকোনো সিনেমায়ই তার উপস্থিতি দর্শকের মধ্যে তৈরি করেছে এক ধরনের ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া। ডুনে তার চরিত্রটি অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হওয়া সত্ত্বেও ছিল সরল। কোনো নায়কোচিত বিষয় ছিল না। কিন্তু তার মধ্যেও এ সিনেমা দিয়ে তিনি এগিয়ে গেছেন। দর্শক তাকে পছন্দ করেছে. কেননা ওই চরিত্রে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছেন টিমোথি।

ওঙ্কা আরেকটি কারণ। এ সিনেমা মূলত ‘চার্লি অ্যান্ড দ্য চকোলেট ফ্যাক্টরি’র প্রিকুয়াল। চার্লিতে উইলি ওঙ্কা চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন জনি ডেপ। জনির মতো ক্যারিসমা দেখানো সহজ নয়। কিন্তু মূলত তরুণ জনির জায়গাটিই নিতে হয়েছে টিমোথিকে। আর সে কাজ তিনি দারুণভাবে করেছেন। উইলি ওঙ্কার চরিত্রটি রোয়াল্ড ডালের উপন্যাস থেকে নেয়া। সেখানে চরিত্রটির মূল সংস্করণের সঙ্গেও নিজেকে যুক্ত করার চ্যালেঞ্জ ছিল টিমোথির জন্য। তিনি সেখানেও উতরে গেছেন।

আরো একটি বিষয় কাজ করেছে টিমোথির জন্য। তা হলো তার ফ্যাশন সেন্স। সাধারণত নায়িকারাই ফ্যাশনের জন্য আলোচনায় থাকেন। কিন্তু টিমোথি বিভিন্ন ডিজাইনের পোশাক ও নানা ফ্যাশন নিয়ে হাজির হন বিভিন্ন শোয়ে। এক্ষেত্রে প্রতিভা প্রকাশ করার তেমন কিছু নেই, তবে টিমোথি তার সময়ের সঙ্গে মিলিয়ে নিজেকে উপস্থাপন করেছেন নতুন রূপে।

হলিউডের অভিনেতাদের মধ্যে একসময় সেনসেশন ছিলেন জনি ডেপ, ব্র্যাড পিট, লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও প্রমুখ। এখন নতুন মুখ খুঁজছে ইন্ডাস্ট্রি। সেখানে ভালো অবস্থানে আছেন টম হল্যান্ড ও টিমোথি শ্যালামের মতো তারকারা।