অর্ধেক
পোষ্য তুমি,
অর্ধেক শিকার
পাখি ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসজুড়ে এক বিশিষ্ট স্থান দখল করে আছে, এ কথা বললে অত্যুক্তি হয় না। কখনো পাখির প্রসঙ্গ এসেছে ভারতীয় পুরাণের সূত্র ধরে, কখনো রাজা-নবাব-সম্রাটদের বিলাসিতার উপকরণ হিসেবে। পাখিরা যেমন তাদের শিকারের সামগ্রী ছিল, তেমনি ছিল শিকারে সহায়তাকারীও। আবার পাখিদের সংরক্ষণ ও কদর করার ক্ষেত্রেও উপমহাদেশের রাজন্যরা ও ঔপনিবেশিক সময়ের অভিজাতরা পিছিয়ে ছিলেন না। এক হিসেবে বলা চলে, এ অঞ্চলের অভিজাতশ্রেণীর ব্যক্তিদের পাখিবিলাসে যেমন পাখির প্রতি ভালোবাসা ছিল, তেমনি ছিল পাখির প্রতি নির্মমতাও। পাখি তাদের কাছে একাধারে পরম আদুরে পোষ্য, অন্যদিকে চরম আকাঙ্ক্ষিত লোভনীয় শিকার। উপমহাদেশের সম্রাটরা ও অভিজাতশ্রেণীর এমন বহুমাত্রিক পাখিপ্রীতির কয়েকটি আখ্যান নিয়েই এ নিবন্ধ।
অওধের
নবাবদের পাখিরা
লক্ষৌর শেষ নবাব ওয়াজিদ আলী শাহর পাখিপ্রীতির কথা ইতিহাস রসিক পাঠকদের অজানা নয়। তবে তার পূবর্তন নবাবরাও পাখিবিলাসে কম যেতেন না (এমনকি লক্ষৌর সাধারণ মানুষও নবাবদের মতো পাখি নিয়ে বিলাসিতা করতে পছন্দ করত, সামর্থ্য যতই কম থাক)। যা হোক, লক্ষৌর নবাবরা ভালোবাসতেন কবুতর ওড়াতে। ইংরেজদের তত্পরতায় সিংহাসনচ্যুত হওয়ার পর ওয়াজিদ আলী শাহ ১৮৫৬ সালে যখন লক্ষৌ ছেড়ে কলকাতার মেটিয়াবুরুজে নির্বাসিত হয়েছিলেন, তখনো তার কবুতর পোষার নেশা কমেনি। ওই সময় তিনি একজোড়া বিশেষ জাতের কবুতর কিনেছিলেন ২৫ হাজার টাকায়। ১৮৮৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর তার মৃত্যুর পর হিসাব করে দেখা গেল, শুধু মেটিয়াবুরুজেই তিনি ৩০ হাজার কবুতর পুষেছিলেন। আর ওই কবুতরগুলোকে দেখাশোনা করা ও তাদের নিয়ে খেলার জন্য ছিল শতাধিক দক্ষ কর্মচারী। একবার জনৈক বৃদ্ধ কবুতরবাজ নাকি এক নির্মম কাণ্ড ঘটিয়ে মন জয় করে নিয়েছিলেন লক্ষৌর আরেক পূর্বতন নবাব নাসিরউদ্দিন হায়দারের। ওই কবুতরবাজ দুটি কবুতরকে পাকড়াও করে একটির ডান পাখনা এবং অন্যটির বাম পাখনা কেটে কাটা জায়গায় দুই কবুতরকে একসঙ্গে সেলাই করে দিয়েছিলেন। কয়েক দিন পর বহু কসরত করে কবুতর দুটি উড়তেও সক্ষম হয়। এইভাবে আরো অনেক কবুতরকে আহত করে তৈরি হলো শত শত ‘জোড় পায়রা’। একদিন নবাবের সামনে এ রকম কয়েকটি ‘জোড় পায়রা’ উড়িয়ে তার মুগ্ধতা কাড়লেন ওই বৃদ্ধ কবুতরবাজ। বিনিময়ে পেলেন প্রচুর উপঢৌকন। কিন্তু পায়রাদের ওভাবে আহত ও খঞ্জ করে তাদের কী এমন মনোতুষ্টি হতো, তা ভাবলে মনটা খানিক খচখচ করে বৈকি। মীর আমন আলী নামের আরেক কবুতরবাজ তৈরি করতেন রঙিন কবুতরের ঝাঁক। কবুতরের পালক এক করে সেগুলো নানা রঙে রাঙিয়ে তা আবার জ্যান্ত কবুতরের গায়ে লাগিয়ে দিতেন। কোনো কোনো কবুতরের গায়ে পাকা রঙও লাগিয়ে দিতেন নানা প্রকারের। বছর খানেক পর্যন্ত ওই রঙ টিকে থাকত। লক্ষৌর নবাবরা তার কাছ থেকে এ রকম কবুতর প্রতিটি তখনকার ১৫-২০ টাকায় কিনে নিতেন।
মোরগ
লড়াইয়ের শখও ছিল ওয়াজিদ আলী শাহর। তার দরবারে মোরগ লড়াইয়ের জন্য মোরগদের যেভাবে প্রস্তুত করা হতো, তা রীতিমতো এক এলাহি কাণ্ড ছিল বলতে হয়। প্রথম কাজ ছিল উত্তম মানের দানা খাইয়ে মোরগের স্বাস্থ্য ভালো করা। এ ব্যাপারে ওয়াজিদ আলী শাহর নির্দেশনা ছিল এমন, মাটি থেকে দানা খুঁটে খেতে গেলে মোরগের ঠোঁটের ক্ষতি হতে পারে; তাই সর্বদা হাতে করে দানা খাওয়াতে হবে! তারপর আসত শরীর মালিশ ও উষ্ণ জলে স্নানের পালা। লড়াইয়ের আগে মোরগদের ঝুঁটি বেঁধে দেয়া হতো পরিপাটি করে। লক্ষৌতে
তার প্রায় ২৫০ মোরগ ছিল। মেটিয়াবুরুজে ওয়াজিদ আলী শাহর সঙ্গে মোরগ লড়াইয়ে অংশ নিতে জনাকয়েক গোরা সাহেবের আগমনও ঘটত। অবশ্য এও ঠিক, মেটিয়াবুরুজে থাকার সময় সেখানে সীমিত সামর্থ্যে যে ক্ষুদ্রকায় চিড়িয়াখানা ওয়াজিদ আলী শাহ বানিয়েছিলেন। তাতে অনেক বিচিত্র জাতের পাখির থাকার ব্যবস্থা হয়েছিল। তিনি বিলাসী ছিলেন। কলকাতার বুকে তৈরি তার চিড়িয়াখানার পক্ষীশালাটি বাংলার ইতিহাসের প্রেক্ষাপট বিবেচনায় নিলে নিঃসন্দেহে ব্যতিক্রমী ছিল।
সম্রাটের
পাখি ও
এক চিত্রকর
আকবরপুত্র যুবরাজ সেলিম বা তত্পরবর্তী মোগল সম্রাট জাহাঙ্গীর নাকি ছোটবেলা থেকেই কবুতর পুষতে পছন্দ করতেন। কথিত আছে, একবার তার এক বন্ধু খাঁচায় বন্দি একটি কবুতরকে আকাশে ছেড়ে দিলে জাহাঙ্গীর যারপরনাই ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন। বন্ধুকে একচোট বকাঝকাও করেছিলেন বাদশাহি মেজাজে। কিন্তু তার ওই বন্ধু পুনরায় আরেকটি কবুতরকে আকাশে ছেড়ে দিলে মুক্তি পেয়ে আকাশে ওড়ার মুহূর্তে তার শরীরে যে আনন্দের হিল্লোল বয়ে গিয়েছিল তা দেখে জাহাঙ্গীরের পরে উপলব্ধি হয়—না, আকাশের পাখির আকাশে মুক্ত-স্বাধীন হয়ে থাকাই ভালো।
ধারণা করি, লোকমুখে প্রচলিত এ কাহিনীর সারবত্তা সম্ভবত নেই। কারণ বাস্তবে জাহাঙ্গীর পাখি ভালোবাসতেন ও পাখি পুষতেন ঠিকই; কিন্তু দেদার পাখি শিকার করতেও বিন্দুমাত্র পিছপা হতেন না চতুর্থ মোগল সম্রাট। নিজের আত্মজীবনী তুজুক-ই-জাহাঙ্গীরিতে তিনি নিজেই জানিয়েছেন, ১২ বছর বয়স থেকে শুরু করে ৫০ বছর পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত সময়ের মধ্যে (এ সময়খণ্ডে তিনি ময়ূর সিংহাসনে আসীন রয়েছেন মোট ১১ বছর) তিনি মোট ১৩ হাজার ৯৬৪টি পাখি শিকার করেছিলেন! এর মাঝে ছিল ১০ হাজার ৩৪৮টি পায়রা, ২ হাজার ২৭৬টি কাক, ৩৯টি পেঁচা, ২৫টি ঘুঘু, ৪১টি চড়ুই ও আরো অনেক ধরনের পাখি। পোষা দক্ষ বাজপাখি দিয়ে অন্য পাখি বা পশুকে অবলীলায় শিকার করে তৃপ্তি পেয়েছেন—এমন ঘটনা তার আত্মকথায় প্রায়ই পাই।
আবার
শিকারি পাখি ও দেশ-বিদেশের নানা জাতের পাখি সংরক্ষণের জন্য তিনি নির্মাণ করেছিলেন পক্ষীশালা। নানা জাতের পাখির প্রজনন ও প্রতিপালনের জন্য রাজদরবারের কর্মী ও বিশেষজ্ঞদের দিয়ে বহু পরীক্ষা-নিরীক্ষাও তিনি করতেন। পাখি শিকারের নেশার বিপরীতে পাখিদের প্রতি জাহাঙ্গীরের সংবেদনশীলতার পরিচয় মেলে অবশ্য তুজুক-ই-জাহাঙ্গীরির আরেক অংশে। একবার এক গ্রামে দলবল নিয়ে শিকার করতে গিয়ে বিশ্রামাগারে রাত্রিবাসের আয়োজন করছিলেন জাহাঙ্গীর। তখন বৈঠকখানার পাশে এসে বিরাট আকৃতির দুটি সারস পাখি চিত্কার শুরু করে। সারস দুটির চিত্কার শুনে তার মনে হয়েছিল, নিশ্চয়ই কেউ এদের ওপর অত্যাচার করেছে। অথবা কেউ তাদের বাচ্চাদের তুলে নিয়ে গেছে। পরে খোঁজখবর করে দেখলেন, দ্বিতীয় আশঙ্কাটাই সত্যি। তাদের শিকারিবহরের দেখভালের দায়িত্বে থাকা এক ভৃত্য সারস দুটির দুই বাচ্চাকে ধরে নিয়ে নিজের কাছে রেখে দিয়েছিল। পরে সে সম্রাটের নির্দেশে ছোট্ট পাখি দুটিকে তাদের অভিভাবক পাখিদের কাছে নিয়ে আসে।
জাহাঙ্গীরের
পাখিবিলাসের কারণে সবচেয়ে ঋদ্ধ হয়েছিল সম্ভবত মোগল চিত্রকলার ঐতিহ্য। মোগল দরবারের অন্যতম দক্ষ চিত্রকর ওস্তাদ মনসুরকে দিয়ে তিনি বেশকিছু পাখির ছবি আঁকিয়েছিলেন। সুদূর সাইবেরিয়া থেকে উড়ে আসা বিশেষ প্রজাতির সারসের ছবি এঁকেছিলেন মনসুর। আশ্চর্যের বিষয় এই যে আঠারো শতকে জার্মান জীববিজ্ঞানী পিটার প্যালাস ওই প্রজাতির সারস আবিষ্কার করেন বলা হয়, কিন্তু এর বহু আগেই তার প্রতিকৃতি ওস্তাদ মনসুর জাহাঙ্গীরের নির্দেশনায় এঁকে গিয়েছিলেন। মরিশাস থেকে লুপ্ত হয়ে যাওয়া ডোডো পাখির ছবি আঁকাও ওস্তাদ মনসুরের এক অতুলনীয় কীর্তি। ১৬২৭ সালে জাহাঙ্গীরের মৃত্যুর আগেই সম্ভবত তার রাজদরবারে এক বা একাধিক ডোডো পাখি আনা হয়েছিল, যার ছবি এঁকেছিলেন মনসুর। বস্তুত গোটা বিশ্বে তখন জীবন্ত ডোডো পাখির মাত্র দুটি ছবিই পাওয়া গিয়েছিল। একটি মনসুর অঙ্কিত ওই ছবিটি আর অন্যটি জনৈক ইউরোপীয় শিল্পীর আঁকা।
বাংলার
বাবুদের বুলবুলি-লড়াই
ও কবুতরবাজি
বুলবুলি পাখি নিয়ে বিলাসিতা মোগল সম্রাটের মধ্যে অল্পবিস্তর দেখা গেলেও বুলবুলির লড়াই উনিশ শতকের বাংলার অভিজাতশ্রেণী বা বাবু সম্প্রদায়ের মধ্যে রীতিমতো উত্তেজনাকর ঘটনায় পরিণত হয়েছিল। ‘বুলবুলির লড়াই দেখা সে সময়ে সহরের ভদ্রলোকদিগের একটা মহা আনন্দের বিষয় ছিল। এক একটা স্থানে লোহার জাল দিয়া ঘিরিয়া বহুসংখ্যক বুলবুলী পক্ষী রাখা হইত; এবং মধ্যে মধ্যে ইহাদের মধ্যে লড়াই বাঁধাইয়া দিয়া কৌতুক দেখা হইত। সেই কৌতুক দেখিবার জন্য সহরের লোক ভাঙ্গিয়া পড়িত’—উনিশ শতকের কলকাতার এ বিবরণ দিয়েছেন শিবনাথ শাস্ত্রী। তখন একেকটি বুলবুলির লড়াইয়ে বিজয়ী পাখির মালিক নাকি ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ‘প্রাইজমানি’ পেতেন! বাবুদের বুলবুলি লড়াইয়ের এহেন কিম্ভূত বিলাস দেখে ওই সময় বটতলার পুঁথিতে এমন পদ্যও ছাপা হয়েছিল: ‘বিষয়কর্ম
গোল্লায় গেল, লড়িয়ে কেবল বুলবুলি।/ প্রকৃতি বিকৃতি হায় হায়! মারা গেল লোকগুলি\’ বিপিনবিহারী
গুপ্ত তার পুরাতন
প্রসঙ্গ বইতে জানিয়েছেন, কলকাতার বিডন স্ট্রিটের ‘ছাতুবাবুর মাঠ’ নামে পরিচিত এক বিশাল মাঠে প্রতি বছর শীতকালে বড় পরিসরে বুলবুলির লড়াইয়ের আয়োজন করা হতো। প্রায় ৩০০ বুলবুলি পাখি এ উপলক্ষে নিয়ে আসা হতো। লড়াই চলত বেলা ১১টা থেকে বিকাল ৪টা অবধি—প্রায় ৫ ঘণ্টা। মজার ব্যাপার, অনেক সাহেবও তখন বুলবুলি লড়াই দেখে আমোদ পেতেন। হিন্দু কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ডেভিড হেয়ার নাকি বুলবুলি লড়াই দেখে আনন্দলাভ করতেন। বুলবুলির লড়াইয়ে বিজয়ী হওয়াটা সেকালের বাবুদের কাছে মান-ইজ্জতের ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। ১৮৫৩ সালের ১৮ জানুয়ারি সংবাদ
প্রভাকর পত্রিকার এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, দয়ালচাঁদ মিত্র ও রাজা ব্রজেন্দ্রনারায়ণ রায়ের মধ্যে এক বুলবুলি লড়াই অনুষ্ঠিত হয়। দয়ালচাঁদ হাজির করেছিলেন মোট ৩৭ জোড়া বুলবুলি, আর ব্রজেন্দ্রনারায়ণ এনেছিলেন ১০ জোড়া। সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত লড়াই চলে। লড়াই শেষে এর বিচারক বাবু হরিনারায়ণ গোস্বামী রায় দেন, ব্রজেন্দ্রনারায়ণ হেরে গেছেন। এরপর ব্রজেন্দ্রনারায়ণ নাকি ‘হেঁটমুণ্ডে এবং সজলনেত্রে’ বাড়ি ফিরে গিয়েছিলেন। কেননা তিনি তিন বছর ধরে প্রচুর অর্থ খরচ করে দেশী-বিদেশী নানা জাতের বুলবুলি পাখি সংগ্রহ করেছিলেন লড়াইয়ে জয়ের আশায়। বুলবুলি পালনের জন্য বাড়ির অনেকটা জায়গাই তাকে ছেড়ে দিতে হয়েছিল। এত পয়সা, সময় ও শ্রম খরচ করেও জয়ের দেখা না পেয়ে তিনি তাই একদম ভেঙে পড়েছিলেন। এ ঘটনা থেকে বুলবুলি লড়াই সেকালের বাবুদের কতখানি অর্থ অপচয়ের ও হাস্যকর বিলাসিতার মাধ্যম ছিল, তা কিছুটা বোঝা যায় বটে।
বুলবুলি
লড়াইয়ের পাশাপাশি সেকালের কলকাতায় কবুতরবাজির প্রথাও ছিল বাবুসমাজে। এ প্রথা কি কবুতরপ্রেমী নির্বাসিত নবাব ওয়াজিদ আলী শাহর কলকাতা আগমনের পর শুরু হয়? জানা নেই। তবে কে কতগুলো কবুতর উড়িয়ে পাড়া মাত করে দিতে পারেন, তা নিয়ে কলকাতার বাবুদের মধ্যে ভারি রেষারেষি ছিল। লক্ষৌর
অভিজাত সমাজের মতো তারাও কবুতর লালন-পালনের জন্য চাকর রাখতেন। আর ছিল অন্যের পায়রা লুট করে আনার অপসংস্কৃতি। এজন্য বাবুর অধীন চাকরবাকর-মোসাহেবরা ‘লাঠ্যৌষধি’ বা লাঠিরও ব্যবহার করত। অন্যের কবুতর নিজের দখলে আনা নিয়ে কাজিয়া থেকে আরম্ভ করে মারামারিও নাকি সেকালে হতো, আজ ভাবলেও কেমন অবাক লাগে।
তথ্যসূত্র:
তুজুক-ই-জাহাঙ্গীরি—অনুবাদ: সুধা বসু
ওস্তাদ মনসুর—অশোককুমার দাশ
লাস্ট কিং ইন ইন্ডিয়া: ওয়াজিদ আলী শাহ—রোজি লিউলিন জোনস
কলকাতার পাখিপোষা মাছধরা—কিন্নর রায়
বুলবুলি লড়াই—মোহিত রায়
মুহিত
হাসান: নন-ফিকশন লেখক





