দাঁড়াও, ল্যান্ডিংয়ে দাঁড়ানোর এই অকুণ্ঠ রেলিংয়ের পাশে!

রবিবাসরীয় সামান্য আলোতে দ্যাখো, বন্ধুত্বের তীর্যক সুধাটুকু

তোমারই দীঘল ছায়ায় ক্যামন মায়াময় শীতলতা ছড়াচ্ছে...

আর আমি জানালার শার্সিতে- ঝিরঝিরে বৃষ্টির চাপা রাগ, অভিমানে

কাকে যেন নিমিষেই ধুয়ে যেতে দেখি! সে জলের রেখা, অভিমান

আঙুলে জড়ালে একফোঁটা স্ফটিক ঘূর্ণিতে দেখি- দুই আবেগী মেঘের ফুল

ঝড়োবেগ, এমন দমকা বাতাসে- নিজেদের প্রাথমিক পরিচয়পর্ব সেরে

চুপিচুপি ভেসে যাচ্ছে রমনার অস্তাচলে, গোপন অভিসারে...

বন্ধু হে, এমন নিবিড় সম্পর্ক আর বিভাজিত সম্মোহনে

কচুরিপানার ফুল কবে নিজে ভিজেছিল রাতের অনিঃশেষ শিশিরে শিশিরে...

দাঁড়াও, তোমাকে দেখি, কতোদিন এমন মায়াবী আলোতে বৃষ্টির

ধুয়ে যাওয়া গোপন শার্সিতে তোমাকে দেখি না!