সন্ন্যাসী ও ফকিরদের তথাকথিত আক্রমণ ও লুণ্ঠন পর্ব দুই ভাগে ভাগ করে আলোচনা করা যায়: প্রথম ভাগ ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের (১৭৭০-৭১) আগে, দ্বিতীয় ভাগ ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের পরে। ছিয়াত্তর কারণ সময়টা ১১৭৬ বঙ্গাব্দ। 

১১৭৬ বঙ্গাব্দের (ইংরেজি ১৭৭০-৭১) শেষভাগে বাংলায় মর্মন্তুদ দুর্ভিক্ষ দেখা দিল। কৃষি উৎপাদন খারাপ হয়েছে; ১৭৬৯ সালে সামান্য বৃষ্টিও হয়নি, খরার ভয়ংকর প্রভাবে এমনিতেই ত্রাহি রব উঠেছে, তার পরও যে সামান্য খাদ্যশস্য উৎপাদন হয়েছে সরকার তা সৈনিকদের জন্য বিক্রি করতে বাধ্য করেছে। সামান্য যে পরিমাণ খাদ্যশস্য কৃষকের হাতে থাকল তা পরিবারের সদস্য ও তাদের ক্ষুধার কাছে প্রহসনমাত্র। এমন মারাত্মক অবস্থার মধ্যেই নায়েবে নিজাম মুহাম্মদ রেজা খান দশ ভাগ খাজনা বাড়িয়ে দেন। প্রজার চিত্কারে কেউ সাড়া দেয়নি। ক্ষুধায় মানুষের মৃত্যু বেড়ে চলল। মন্বন্তর শুরু হয়ে যাওয়ার পর কারো কাছে এমন আহামরি কিছু ছিল না যা লুটেপুটে নেয়া যায়। তার পরও যা ঘটেছে তা মূলত নিরন্ন মানুষ নিজের ও পরিবারের সদস্যদের ক্ষুধার জ্বালা সহ্য করতে না পেরে যিকঞ্চিৎ যেখানে পায় ছিনিয়ে নিয়েছে। পূর্ববর্তী বছরগুলোর খরা ও উৎপাদন অক্ষমতা ব্রিটিশ কোম্পানি সরকারের অজানা থাকার কথা নয়। তার পরও বাস্তবতা এড়িয়ে ১৭৭৩ সালে কোম্পানির পরিষদকে লেখা হলো: সন্ন্যাসী ও ফকির নামের আইন অমান্য করা কিছু দুর্বৃত্ত ধর্মীয় তীর্থের নামে বাংলার এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং সুবিধামতো ভাগ, চুরি, ডাকাতি ও লুণ্ঠন করে চলেছে। দুর্ভিক্ষের পরের সময়টাতে ক্ষুধার্ত সাধারণ মানুষই সন্ন্যাসী ও ফকির সেজে লুণ্ঠন চালিয়েছে; তাদের কাছে না ছিল খেয়ে বাঁচার শস্য, না ছিল রোপণ করার মতো বীজ। 

সুতরাং এটা স্পষ্ট যে কাউন্সিলে পাঠানো রিপোর্টেই স্বীকার করে নেয়া হয়েছে যারা লুণ্ঠন করেছে তারা ফকির ও সন্ন্যাসী নয়। ক্ষুধার্ত মানুষ তাদের বেশ ধরে যা পেয়েছে তাই লুট করে নিয়েছে। কাজেই তাদের ডাকাত বা দস্যু বলার সুযোগ নেই, বরং তাদের স্থানীয় মুসলমান শাসন ও ব্রিটিশ কালেক্টরের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করা ছাড়া আর কোনো গত্যন্তর ছিল না। কাজেই তারা দস্যু নয়, তারা বিদ্রোহী।

মন্বন্তরের আগের যে আক্রমণ ও লুণ্ঠন তা বরং রাজনৈতিক, সাম্প্রদায়িক ও অর্থনৈতিক দিক থেকে ব্যাখ্যা করা সম্ভব। করতোয়া নদীর তীরে বগুড়া জেলার ভবানীপুরের ভবানী মন্দিরে সন্ন্যাসীরা লুটতরাজ চালায়। ভাস্কর পণ্ডিত, ডাক্তার হিসেবে যার পরিচিতি তিনি লুটেরাদের মালামাল ফেরত দিতে বাধ্য করেন। লুটতরাজকারীরা হিন্দু সন্ন্যাসী বা মুসলমান ফকির না অন্য কেউ সে প্রশ্ন ওঠে। 

১৭৬০ সালে ওয়াট ও হাউইট প্রতিবেদন দিয়েছেন: বর্ধমান ও কিষেনগড় থেকে নাগা সন্ন্যাসী ও মারাঠিরা এগিয়ে এসে লুটতরাজ করেছে এবং এতে কোম্পানির লোকজন কলকাতা ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছে এবং খাজনা আদায় বন্ধ করার গোষণা দিয়েছে। তারা কোম্পানির কাউন্সিল প্রেসিডেন্টের কাছে নিজেদের প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তার জন্য সামরিক সহায়তা চেয়েছেন। এমনও হতে পারে মারাঠা আক্রমণকারীদের আমন্ত্রণে আসা সন্ন্যাসীরা এগিয়ে এসেছে, লুটপাটেও অংশগ্রহণ করেছে, যদিও তারা ভাড়াটে সৈন্যের ভূমিকা পালন করেছে। 

১৭৬৩ সালের একটি প্রতিবেদনে ওয়ারেন হেস্টিংস লিখেছেন, কিছুকাল আগে ফকিরদের একটি দল বাকেরগঞ্জে আমার এজেন্ট মিস্টার কেলিকে ঘিরে ধরে এবং তার জীবনাশঙ্কা দেখা দেয়। তারপর ফকিররা সে স্থান ত্যাগ করে। 

এ বিষয়টি ঢাকা ডিস্ট্রিক্ট গেজেটিয়ারে উদ্ধৃত হয়েছে। একই বছর ফকিররা ঢাকা ফ্যাক্টরি আক্রমণ করে তা দখল করে নেয়। ফ্যাক্টরি প্রধান মিস্টার লাইস্টার তার কারখানা ফেলে পালিয়ে যান। প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ফ্যাক্টরির সিপাইরা বিনা নির্দেশে একটি নৌকায় পালিয়ে যায়। লাইস্টারের বক্তব্য গ্রহণযোগ্য মনে হয়নি, ভীরুতার অভিযোগ এনে তাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। ক্যাপ্টেন গ্র্যান্ট ফ্যাক্টরি নিজ দখলে নিয়ে নেন, তাতে কেউ হতাহত হয়নি, যেসব ফকিরকে গ্রেফতার করে কারাগারে নেয়া হয়েছিল তাদেরই কুলি হিসেবে নিয়োগ দিয়ে তিনি ফ্যাক্টরি মেরামত করেন। এ ঘটনায় সন্ন্যাসীদের যোগসাজশ নেই তা নিশ্চিত হওয়া যায়। আক্রমণকারী ফকিররা অতি উৎসাহী হয়ে কাজটা করেছিল এবং ভেবেছিল এতেই ব্রিটিশদের গদিচ্যুত করে ঢাকা থেকে বিদায় করা সম্ভব হবে। কিন্তু ফ্যাক্টরি পুনরুদ্ধার করতে বেশি সময় লাগেনি। এটি রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হতে পারে, কারণ মুসলমানরাই দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা শাসন করে আসছে, ব্রিটিশরা এখানে অনুপ্রবেশকারী।

১৭৬৭ সালে ৫০০০ সন্ন্যাসী বিহার প্রায় দখল করে নেয়। ফৌজদার একজন সার্জেন্টের অধীনে দুই কোম্পানি সেপাই প্রেরণ করেন। তারা দখল ছাড়তে নারাজ হলে সেপাইরা তাদের মারণাস্ত্রের একাংশ প্রয়োগ করে তাতেই ৮০ জন নিহত হয় এবং অন্যরা দ্রুত পালিয়ে যায়। পাটনার ব্রিটিশ শাসক ক্যাপ্টেন উইন্ডিংকে বার্তা পাঠান, দ্রুত তাদের হাত থেকে ভারতকে রক্ষা করতে হবে, তারা যেভাবে আতঙ্ক ছড়িয়ে যাচ্ছে তাতে খাজনা আদায় বিশেষভাবে ব্যাহত হচ্ছে। পরের বছর পাটনার নায়েকে দেওয়ান রাজা সিতার হয়ে অভিযোগ করলেন, হালসিপুরের জমিদার নগর সন্ত্রাসীদের তার পক্ষে টেনে হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছেন। ক্যাপ্টেন উইন্ডিং তাদের ছত্রভঙ্গ করে হালসিপুর দুর্গ অধিকার করে নেন। 

বাংলার উত্তরাঞ্চলে ফকিরদের শক্ত আস্তানা ছিল। ক্যাপ্টেন ম্যাকেঞ্জির অধীনে রংপুরে তাদের মোকাবেলা করার জন্য এক কোম্পানি সৈন্য সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। ক্যাপ্টেনের ওপর আদেশ ছিল ফকিরদের তছনছ করে দিয়ে দেশে স্বাভাবিক শান্তি ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা করতে হবে। ১৭৬৯ সালের জানুয়ারিতে ক্যাপ্টেন ম্যাকেঞ্জি সন্ন্যাসীদের বিরুদ্ধে অভিযানে বের হলেন। মালদার রেসিডেন্ট মিস্টার বারওয়েল মিস্টার মার্টিলকে পাঠিয়েছিলেন মোরাং অঞ্চল থেকে কোম্পানির জন্য সস্তা দামে কাঠ সংগ্রহ করতে। কিন্তু সন্ত্রাসীদের উৎপাতের কারণে তার কাজে কোনো অগ্রগতি হচ্ছিল না। ম্যাকেঞ্জি পৌঁছার আগেই খবর আসে সন্ন্যাসীরা দল বেঁধে নেপাল সীমান্তের দিকে চলে গেছে। 

ফকির ও সন্ন্যাসীরা বাংলার অধিবাসী নয়। তারা ভারতের পশ্চিমাঞ্চল থেকে এসে পূর্ণিয়া জেলা দিয়ে বাংলায় প্রবেশ করে। তারা পূর্ণিয়া অতিক্রম করার পর রাজশাহী, রংপুর ও মালদা জেলার দিকে এগোয়, পথে তারা লুটতরাজ ও চাঁদাবাজি করে। তাদের প্রথম দিককার আক্রমণের সময় বাংলার প্রাদেশিক সরকারের এমন কোনো সামরিক ক্ষমতা ছিল না যা প্রয়োগ করে তাদের দমন করবে, কিংবা তাদের প্রতিহত করতে সরকার কোনো জনসমর্থনও পায়নি। ফলে তাদের কার্যক্রম বাড়তে থাকে। নিজেদের ব্যবসা-বাণিজ্য ঠিক রেখে বাংলা থেকে তাদের লভ্যাংশ উঠিয়ে নেয়ার পথে ব্রিটিশদের জন্য বাধা হয়ে দাঁড়ায় এই ফকির ও সন্ন্যাসী বাহিনী। ব্রিটিশরা তাদের মনে করল রাষ্ট্রবিরোধী এবং লুটতরাজ ও হত্যাকাণ্ডের কারণে ফৌজদারি অপরাধী, আর জনগণের একাংশের কাছে তারা দেশপ্রেমিক যোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃত হলো।

১৭৭০-এর অক্টোবর ৩০০ ফকিরের একটি দল পূর্ণিয়ায় কোশি নদী পর হওয়ার সময় লেফটেন্যান্ট সিঙ্গলেয়ারের বাহিনীর হাতে অবরুদ্ধ হয়। তারা জানায়, তাদের সঙ্গে ফকির-সন্ন্যাসী আন্দোলনের কোনো সম্পর্ক নেই। বরং সন্ন্যাসীদের দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কায় প্রতিরক্ষার প্রয়োজনে অস্ত্র বহন করছে। তারা মাদারি গোত্রভুক্ত ফকির। তাদের মালদার একটি দরগায় যাচ্ছে। তাদের সব অস্ত্র রেখে এবং কয়েকজনকে জিম্মি হিসেবে আটকে রেখে সবাইকে ছেড়ে দেয়া হলে কিছুকাল পরই বোঝা গেল তারা ভ্রান্ত ও শঠতাপূর্ণ তথ্য দিয়েছে। তারা অস্ত্র সংগ্রহ করে আবার বলবান হয়ে উঠছে। তাদের প্রতিহত করতে একটি জোট বাহিনী পাঠানো হলে দিনাজপুরের রাজা জানালেন ফকিরদের সংখ্যাটি এত বড় যে এই বাহিনীকে তারা ধূলিসাৎ করে দিতে পারবে। রংপুর, দিনাজপুর ও পূর্ণিয়ার সম্মিলিত সামরিক শক্তিও তাদের মোকাবেলা করার জন্য যথেষ্ট নয়।

রাজমহলে ক্যাপ্টেন নুডসনের সঙ্গে যে বাহিনী ছিল তাও উত্তরবঙ্গে পাঠিয়ে দেয়া হয়। কিন্তু ফকিররা ততদিনে স্থানীয় অধিবাসীদের কাছ থেকে চাঁদা নিয়ে রাজগঞ্জ অতিক্রম করে চলে যায়। ১৭৭০-এর অক্টোবরে বেনারসে দশ হাজার সন্ন্যাসীর সমাবেশ ঘটে। সিলেক্ট কমিটির প্রেসিডেন্টকে লেখা ব্রিগেডিয়ার বার্কারের চিঠিতে বলা হয়, তারা বাংলা ও বিহারে প্রবেশের পরিকল্পনা করছিল কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারা মির্জাপুরের দিকে চলে যায়। দুর্ভিক্ষ যখন চরমে পৌঁছে মাদারি ফকিররা উত্তরবঙ্গে প্রবেশের সময় স্থানীয় জনগণের মারাত্মক প্রতিরোধের মুখোমুখি হয়। তারা কৌশল পরিবর্তন করে স্থানীয় নিরস্ত্র মানুষদের সংগঠিত করে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে গতি সঞ্চার করে। যদিও ফকিররা বাংলার অধিবাসী নয়, তারা বাংলা পুরোপুরি ছেড়ে যায়নি। জরিপের কাজে নিয়োজিত ক্যাপ্টেন রেনেল সিরাজগঞ্জের বেলকুচি থেকে প্রতিবেদন পাঠান যে প্রায় এক সহস্র পশ্চিম ভারতীয় লাঠিসোঁটাধারী দিনাজপুর ও ঘোড়াঘাট হয়ে এসেছে এবং এখানকার গঞ্জের দারোগার কাজ থেকে ২০০ রুপি নিয়ে প্রস্থান করেছে। রাজশাহী ও দিনাজপুরে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে বহুসংখ্যক ফকির রয়েছে।

ঢাকা থেকে মিস্টার ক্যালসন জানিয়েছেন, সন্ন্যাসীরা এখনো যেখানে যাচ্ছে সেখানেই চাঁদাবাজি করছে। এদিকে চরম দুর্ভিক্ষের সময় বেঁচে থাকার জন্যই মুসলমান নিরন্ন প্রজারা ফকিরদের সঙ্গে এবং হিন্দুরা সন্ন্যাসীদের সঙ্গে যোগ দিতে শুরু করে। ১৭৭১-এর মার্চে রেনেল লিখেন:

লেফটেন্যান্ট ফুলহামের নেতৃত্বে একটি বাহিনী ঘোড়াঘাট ও গোবিন্দগঞ্জের দিকে এগিয়ে আকস্মিকভাবে ফকিরদের ক্যাম্প অবরোধ করে, তারা পরাস্থ হয়ে ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়, কিছুসংখ্যক গ্রেফতার হয়। তাদের দলনেতা শেখ মজনু দেড়শ অনুচর নিয়ে ঘোড়ায় চেপে মহাস্থানগড়ে চলে যায়। কোম্পানির সেপাইদের পক্ষে সবাইকে তাড়া করা সম্ভব ছিল না। এর কিছুকাল পর রংপুরের সুপারভাইজার জানান, লেফটেন্যান্ট ফুলহামের নেতৃত্বাধীন বাহিনী গোবিন্দগঞ্জে মজনু শাহর ফকির বাহিনীর ওপর আক্রমণ করে ১০ জনকে হত্যা করে, সাতজনকে বন্দি করে, অধিকাংশই আহত অবস্থায় পালিয়ে যায়। এ অপারেশনে গ্রামবাসীও বাঁশ দিয়ে তাদের আক্রমণ করে। এরপর মহাস্থানগড়ে সেপাইদের স্থায়ী ক্যাম্প বসানো হয় এবং সব স্থানে সুপারভাইজারদের সতর্কভাবে ফকিরদের সমূলে উত্খাত করার নির্দেশ দেয়া হয়।

১৭৭১-এর বর্ষাকাল থেকে ফকির-সন্ন্যাসীদের তত্পরতা কমতে থাকে।

রায় সাহেব জে এম ঘোষের আলোচনায় কয়েকটি বিষয় স্পষ্ট হয়:

১. ফকির ও সন্ন্যাসীদের তত্পরতা সংগঠিত ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন নয়।

২. তাদের কেউই বাংলার মানুষ নন, তবে শেষদিকে কিছু নিরন্ন হিন্দু ও মুসলমান সাময়িকভাবে তাদের সঙ্গে যোগ দেয়।

৩. তারা মূলত ভাড়াটে সৈন্য হিসেবে কাজ করেছে। (মারাঠা ও ভুটিয়াদের পক্ষে)

৪. তারা যেখানে স্থানীয় জনগণের সমর্থন পেয়েছে সেখানেই সফল হয়েছে।

৫. দুর্ভিক্ষকালীন তাদের লুটপাট জনগণ মেনে নেয়নি, কখনো কখনো কোম্পানির বাহিনীর সঙ্গে তারাও ফকির ও সন্ন্যাসীদের প্রতিহত করেছে।

৬. তাদের কার্যক্রম জমিদারবিরোধী কৃষক বিদ্রোহকে শক্তি জুগিয়েছে।

৭. লুণ্ঠনের জন্য বাংলা খুব লোভনীয় কোনো স্থান নয়। তবে ফকির-সন্ন্যাসীরা দীর্ঘ সময় ধরে ব্রিটিশ রাজত্বে আতঙ্ক ও ত্রাস বজায় রাখতে পেরেছে।


এম এ মোমেন: সাবেক সরকারি কর্মকর্তা