বার্লিন ডিক্রি এবং প্রথম ও দ্বিতীয় মিলান ডিক্রির মাধ্যমে এ ব্যবস্থা চালু করা হয়, যার উদ্দেশ্য ছিল ব্রিটেনকে ইউরোপীয় বাণিজ্য থেকে বিচ্ছিন্ন করা। ব্রিটেনের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্য নিষিদ্ধ করা হয়; ফরাসি অধিকৃত ইউরোপে থাকা ব্রিটিশ নাগরিকদের যুদ্ধবন্দি ঘোষণা করা হয় এবং তাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়। ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জ বা উপনিবেশ থেকে আসা পণ্য আমদানি নিষিদ্ধ করা হয় এবং সেগুলো জব্দযোগ্য ঘোষণা করা হয়।

এ পদক্ষেপের ফলে নেপোলিয়নিক ইউরোপে এক ধরনের ‘‌স্ব-অবরোধ’ সৃষ্টি হয়। তাত্ত্বিকভাবে এ পরিকল্পনা কার্যকর মনে হয়। কারণ ফ্রান্স ছিল একটি শক্তিশালী স্থলশক্তি এবং স্থলপথে তার যুদ্ধ সরঞ্জাম ও সেনা সরবরাহ করতে পারত। অন্যদিকে কন্টিনেন্টাল সিস্টেম ব্রিটিশ পণ্যের বাজার সীমিত করে দেয়, যা ব্রিটিশ অর্থনীতিকে দুর্বল করে দিতে সক্ষম হয়। ফলে ব্রিটেনের নেভি ও সেনাবাহিনীর জন্য সম্পদের সংকট তৈরি হয়। একই সঙ্গে এটি ইউরোপে শিল্পোন্নয়নকে উৎসাহিত করে। কারণ তখন ব্রিটিশ পণ্যের বিকল্প উৎপাদনের প্রয়োজন দেখা দেয়।

অবরোধের সঙ্গে তার সফলতা ও ব্যর্থতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অবরোধের সাফল্য অনেকটাই নির্ভর করে অবরোধ আরোপকারী রাষ্ট্র কতটা নিশ্চিত করতে পারে যে সম্ভাব্য লাভের চেয়ে অবরোধটি ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকিই বেশি। দুর্বল প্রয়োগ, দুর্নীতি ও বিদ্যমান বাণিজ্য নেটওয়ার্কের কারণে নেপোলিয়নের অপ্রচলিত অবরোধ শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়। অবরোধ কার্যকর করতে ইউরোপের অধিকাংশ অঞ্চলে ব্যাপক নজরদারি দরকার হয়েছিল, ফলে ১৮০৬ সালে ২৩ হাজার কাস্টমস কর্মকর্তার সংখ্যা ১৮১৩ সালে বেড়ে দাঁড়ায় ৩৫ হাজারে। কিন্তু ফরাসি কোষাগারের হিসাব অনুযায়ী চোরাচালানকারীর সংখ্যা ছিল এর পাঁচ গুণ। কর্মকর্তাদের কম বেতন ও অভিজ্ঞতার অভাবে ঘুস, দুর্নীতি ও অনিয়মের সুযোগ তৈরি করে।

সে সময় আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নেটওয়ার্ক অবরোধ এড়িয়ে বিকল্প পথ খুঁজে নেয়, প্রায়ই যুক্তরাষ্ট্রের মতো নিরপেক্ষ দেশকে ব্যবহার করে। তারা অনেক সময় ফরাসি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের ব্যবসায় বিনিয়োগের আমন্ত্রণ জানিয়ে দুর্নীতির মাত্রা আরো বাড়িয়ে তোলে। এসব সীমাবদ্ধতার কারণেই নেপোলিয়নের পরিকল্পনা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়।

এ অবরোধকে ঘিরে উভয় পক্ষেই আইনি জটিলতা দেখা দেয়। সমুদ্রশক্তিধর ব্রিটেন নেপোলিয়নের বিরুদ্ধে পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে ঐতিহ্যবাহী নৌ-অবরোধ চালায়, যাতে পণ্য ইউরোপে পৌঁছতে না পারে। ফরাসিদের মতো ব্রিটিশরাও নিরপেক্ষ জাহাজ চলাচলের ওপর নানা বিধিনিষেধ আরোপ করে। এর প্রভাব পড়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর, যারা ১৮০৭ সালে ‘এমবার্গো আইন’ পাস করে ব্রিটেন ও ফ্রান্স—উভয়ের সঙ্গেই বাণিজ্য বন্ধ করে দেয়। কিন্তু এতে আমেরিকার নিজস্ব বাণিজ্যও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে ১৮০৯ সালে ‘নন-ইন্টারকোর্স আইন’ প্রণয়ন করা হয়, যাতে বলা হয় যদি ব্রিটেন ও ফ্রান্স যুক্তরাষ্ট্রের ওপর বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়, তবে তাদের সঙ্গে আবার বাণিজ্য চালু করা হবে। পরবর্তী সময়ে ফ্রান্স ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য পুনরায় শুরু হলেও ব্রিটেনের সঙ্গে তা বন্ধই থাকে।

১৮৫০: রাশিয়ার বিরুদ্ধে ব্রিটেনের অবরোধ

১৮৫০-এর দশকে এসে নৌ-অবরোধকে শত্রুকে সীমিত পরাজয় মেনে নিতে বাধ্য করার কার্যকর উপায় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ সময় রাশিয়া ব্রিটিশ পণ্যের ওপর শুল্ক বাড়ায় এবং অটোমান তুরস্কে নিজেদের প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করে।

এ সংঘাতে ব্রিটেন ও ফ্রান্সের সাফল্যের মূল ছিল একই সঙ্গে বাল্টিক ও কৃষ্ণ সাগরে অবরোধ আরোপ করা। সমুদ্রশক্তিধর ব্রিটেন স্থলশক্তিধর রাশিয়ার বিরুদ্ধে অবরোধে নেতৃত্ব দেয়। রাশিয়ার অর্থনীতি ছিল কৃষিনির্ভর এবং যুদ্ধসরঞ্জাম ও শিল্পযন্ত্রের জন্য আমদানিনির্ভর। স্থলপথ ছিল দীর্ঘ ও বিপৎসংকুল। ফলে অবরোধ সফল হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।

বাল্টিক সাগরে ব্রিটিশ অবরোধ রাশিয়ার নৌবহরকে বন্দরে আটকে রাখতে সফল হয়। তবে ছোট ও অগভীর পানিতে চলাচলকারী জাহাজের অভাবে ভাইস অ্যাডমিরাল চার্লস নেপিয়ারের নেতৃত্বাধীন বাহিনী রাশিয়ার বন্দরগুলোয় প্রবেশ করতে পারেনি। ফরাসি সহায়তা না থাকায় পূর্ণাঙ্গ অবরোধও সম্ভব হয়নি। তাই নেপিয়ার তার ক্রুজার জাহাজ দিয়ে রুশ বন্দরগুলোর ওপর চাপ বজায় রাখেন এবং যুদ্ধজাহাজের বাকি অংশ দিয়ে অল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ দখল করেন। ফলে রাশিয়ার অবরোধ ভাঙার প্রচেষ্টা ছোট নৌকায় সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে। সীমিত শক্তি থাকা সত্ত্বেও বাল্টিকে ব্রিটিশ পদক্ষেপ রাশিয়ার অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা দেয়, নৌবাহিনীকে বন্দরে আটকে রাখে এবং ক্রিমিয়ার স্থলযুদ্ধে রাশিয়ার পূর্ণ শক্তি প্রয়োগে বাধা সৃষ্টি করে।

বাল্টিক সাগরে একা থাকলেও কৃষ্ণ সাগরে ব্রিটিশ নৌবহর তাদের ফরাসি মিত্রদের সহায়তা পেয়েছিল। তবে উভয় পক্ষেরই অবরোধ চালানোর জন্য পর্যাপ্ত সম্পদ ছিল না। ক্রিমিয়ান যুদ্ধজুড়ে কৃষ্ণ সাগরে নৌ অভিযান মূলত স্থলবাহিনীর পরিবহন ও সরবরাহ সহায়তার ওপর কেন্দ্রীভূত ছিল। সেখানে কঠোর অবরোধ দীর্ঘদিন ধরে রাখা সম্ভব না হলেও ভৌগোলিক অবস্থান ব্রিটেন ও ফ্রান্সকে সুবিধা দেয়। মিত্রশক্তি সহজেই বসফরাস প্রণালি দিয়ে রাশিয়ার জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেয় এবং যেসব জাহাজে নিষিদ্ধ পণ্য ছিল, সেগুলো আটক করে। এ অবরোধ রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে ব্রিটেনের পক্ষে ফলাফল আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ক্রিমিয়ান যুদ্ধের সময় প্রযুক্তিগত পরিবর্তন ও অগ্রগতি অবরোধের ধরন বদলে দেয়। উচ্চ বিস্ফোরক গোলার ব্যবহার কাঠের যুদ্ধজাহাজকে অচল করে দেয়। এর পরিবর্তে বাষ্পচালিত ইঞ্জিন ও স্ক্রু প্রপেলারযুক্ত লৌহবর্ম (আয়রনক্ল্যাড) জাহাজ অবরোধ কার্যকর করে। ফলে ব্রিটেন ও ফ্রান্সকে তাদের নৌবহরের জন্য নিরবচ্ছিন্ন কয়লার সরবরাহ নিশ্চিত করতে হয়। একই সঙ্গে রাশিয়ার জন্য নির্ধারিত কয়লার সরবরাহ বন্ধ করে দেয়ায় তাদের নৌবহর বন্দরে আটকে পড়ে। তাই রাশিয়া অবরোধ ভাঙতে পারেনি।

800px-col_lamb2_blockade-runner

আমেরিকান সিভিল ওয়ারের সময় ব্লকেড রানার নামে এই জাহাজগুলো ব্যবহার হতো

ছবি: ইউএস নেভি

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ: বৃহৎ পরিসরের অবরোধ

প্রথম বিশ্বযুদ্ধে অবরোধ আরো বড় ও জটিল আকার ধারণ করে। এখানে একাধিক শক্তি একই সঙ্গে অবরোধ ও পাল্টা অবরোধ চালায়। ব্রিটেন তার শক্তিশালী নৌবাহিনী দিয়ে জার্মানির বিরুদ্ধে অবরোধ পরিচালনা করে।

উত্তর সাগরে ব্রিটিশ অবরোধ জার্মানিকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য থেকে প্রায় বিচ্ছিন্ন করে দেয়। তবে এত বিশাল এলাকা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন ছিল, বিশেষ করে খারাপ আবহাওয়া ও সীমিত দৃষ্টিসীমার কারণে।

এ অবরোধের প্রভাব ধীরে ধীরে জার্মানিতে পড় থাকে। দেশটিতে খাদ্য সংকট দেখা দেয়। ফলে রেশনিং শুরু করা হয়। ১৯১৬-১৭ সালের বিখ্যাত ‘‌শালগম শীত’ (টার্নিপ উইন্টার) নামের ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের ঘটনা অবরোধের প্রভাবের প্রধান উদাহরণ। উল্লেখ্য, টার্নিপ উইন্টার হলো প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন জার্মানিতে সাধারণ মানুষের চরম দুর্দশার সময়। এ নামকরণের কারণ দুর্ভিক্ষের ফলে খাদ্য হিসেবে শালগমের ব্যবহার শুরু হয়।

তবে সে অবরোধ একাই যুদ্ধ শেষ করতে পারেনি। বরং জার্মান সাবমেরিন হামলার ফলে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে, যা শেষ পর্যন্ত মিত্রশক্তির জয় নিশ্চিত করে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ: প্রযুক্তির চূড়ান্ত ব্যবহার

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অবরোধ কৌশল আরো উন্নত হয়। যুক্তরাষ্ট্র জাপানের বিরুদ্ধে সাবমেরিন ও বিমান ব্যবহার করে সমুদ্রপথ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। জাপান একটি দ্বীপ রাষ্ট্র হওয়ায় তারা সম্পূর্ণভাবে সমুদ্রপথের ওপর নির্ভরশীল ছিল। যুক্তরাষ্ট্র এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে জাপানের জাহাজ ধ্বংস করে এবং পণ্য সরবরাহ লাইন বন্ধ করে দেয়।

যুক্তরাষ্টের সাবমেরিনগুলো জাপানের যুদ্ধজাহাজের এক-তৃতীয়াংশ এবং বাণিজ্যিক জাহাজের অর্ধেকেরও বেশি ধ্বংস করে। ফলে জাপানের অর্থনীতি ও যুদ্ধক্ষমতা ভেঙে পড়ে। এ সময় যুক্তরাষ্ট্র তাদের কৌশল বদলে সাবমেরিনকে সরাসরি বাণিজ্য ধ্বংসের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার শুরু করে।

শেষ পর্যন্ত এ অবরোধ জাপানকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করার অন্যতম প্রধান অস্ত্র ও কারণ হিসেবে বড় ভূমিকা রাখে।

আধুনিক যুগে অবরোধ: সীমিত কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বড় আকারের অবরোধ কমে গেলেও ছোট আকারের অবরোধ এখনো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এগুলো এখন ‘সামুদ্রিক নিষেধাজ্ঞা’ ও ‘স্যাংকশন প্রয়োগ’ নামে পরিচিত। উদাহরণ হিসেবে ব্রিটেনের ‘বেইরা প্যাট্রল’ (১৯৬৬-৭৫) উল্লেখযোগ্য, যেখানে তারা রোডেশিয়ায় (১৯৬৫-৭৯ সাল পর্যন্ত আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চলের একটি অস্বীকৃত রাষ্ট্র) তেল সরবরাহ বন্ধ করার চেষ্টা করে। তবে পর্যাপ্ত শক্তি ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা না থাকায় এটি সফল হয়নি।

অন্যদিকে ইরাকের বিরুদ্ধে ১৯৯০-২০০৩ সালে আন্তর্জাতিক জোটের অবরোধ সফল হয়। উন্নত প্রযুক্তি, হেলিকপ্টার, দ্রুতগামী নৌযান ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার কারণে এটি কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন হয়।

আধুনিককালে অরাষ্ট্রীয় গোষ্ঠী (যেমন হামাসের মতো সংগঠন) বাড়তে থাকায় প্রশ্ন উঠছে—শুধু অবরোধ দিয়ে কি তাদের থামানো সম্ভব? এর একটি উদাহরণ হলো গাজা উপত্যকার অবরোধ। ২০০৯ সালে ইসরায়েল হামাসকে দুর্বল করতে গাজায় অবরোধ দেয়, যাতে অস্ত্র বা যোদ্ধারা সেখানে ঢুকতে বা বের হতে না পারে। কারণ হামাস গাজা থেকে ইসরায়েলে রকেট হামলা চালাত।

এ অবরোধের ফলে গাজায় জিনিসপত্র প্রবেশ কঠিন হয়ে পড়ে। ইসরায়েল মনে করেছিল এতে হামলা কমবে। কিন্তু পরিস্থিতি জটিল হয়—একটি তুর্কি জাহাজে অভিযান চালাতে গিয়ে সংঘর্ষে কিছু যাত্রী নিহত হন, যা আন্তর্জাতিকভাবে বড় সমালোচনার জন্ম দেয়।

অবরোধ এখনো চলছে, কিন্তু এটি হামাসকে কতটা দুর্বল করতে পেরেছে, এ নিয়ে এখনো যথেষ্ট বিতর্ক রয়েছে।

এছাড়া নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন ইসরায়েলের গাজা অবরোধ দেখায় যে আধুনিক অবরোধ শুধু রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে নয়, অরাষ্ট্রীয় গোষ্ঠীর বিরুদ্ধেও ব্যবহার হচ্ছে। তবে এতে মানবিক বিপর্যয় তৈরি করছে। পাশাপাশি এমন অবরোধ নিয়ে বিশ্বব্যাপী সমালোচনাও হচ্ছে।

দুই শতাব্দী ধরে অবরোধ কৌশল প্রযুক্তি ও আইনের সঙ্গে বদলেছে। আগে এটি ছিল বড় শক্তির প্রধান যুদ্ধকৌশল। এখন এটি সীমিত আকারে ব্যবহার হলেও এর গুরুত্ব কমেনি। বর্তমানে অবরোধ সরাসরি যুদ্ধের বদলে চাপ সৃষ্টি, অর্থনৈতিক দুর্বলতা তৈরি এবং কৌশলগত লক্ষ্য অর্জনের একটি কার্যকর মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে। ভবিষ্যতেও এটি আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও সামরিক কৌশলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

[মেজর জোশুয়া আ. হাওয়ার্ডের প্রবন্ধ ‘ফ্রম নেপোলিয়ন টু নেতানিয়াহু: ব্লকেড টু সেঞ্চুরিস’ থেকে অনুবাদ করেছেন বাশার খান]