মেক্সিকোর বিপ্লব একই সঙ্গে সামাজিক ও রাজনৈতিক। পোরফিরিও দায়াজের লম্বা সময়ের স্বৈরশাসনের প্রতিক্রিয়ায়ই যে বিস্ফোরণ হয়েছিল তা-ই ইতিহাসে মেক্সিকান রেভল্যুশন। মেক্সিকোর সবকিছুই তখন একজন ব্যক্তির হাতে, সব সিদ্ধান্তই একজন মানুষের, তিনি পোরফিরিও দায়াজ। মেক্সিকোর সমাজ যেন বন্ধ ঘড়ির কাঁটার মতো থেমে গিয়েছিল। মনে হচ্ছিল কোনো কিছুই এক বিন্দু নড়ছে না। চির পরিবর্তনশীল মানুষের পক্ষে দীর্ঘদিন এমন সমাজে বাস করাটা কঠিন। প্রতিক্রিয়া তৈরি হওয়াটাই প্রকৃতির ধর্ম। দায়াজের নিশ্চল সমাজকে ভেঙে দিতে সামাজিক প্রতিক্রিয়া তৈরি হলো। মানুষ তখন ক্লান্ত, সমাজে সুযোগ বলতে তা-ই ছিল, যা দায়াজ দয়া করে দিতে চান। এখানে আবার স্মরণে রাখা যায় যে এ পোরফিরিও দায়াজ আবার একদা ছিলেন মেক্সিকোর জাতীয় বীর। বিশেষত ফরাসি আগ্রাসন ও হাবসবুর্গ সাম্রাজ্যের ম্যাক্সিমিলিয়ানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে তার ভূমিকা ছিল স্মরণীয়। এরপর দুবার প্রেসিডেনশিয়াল নির্বাচন করে দায়াজ হেরে যান। নির্বাচনের ফলাফলের বিরুদ্ধে তিনি অস্ত্র ধারণ করেন। কিন্তু গ্রেফতার হন এবং পরে ক্ষমা পান। এর পরও দায়াজ তার সশস্ত্র তৎপরতা চালিয়ে যান এবং একসময় মেক্সিকোর প্রেসিডেন্টকে উৎখাত করে নিজে সে পদে বসেন।
প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে সংগ্রামের সময়ে দায়াজ স্লোগান তুলেছিলেন ‘আর পুনর্নির্বাচন’ নয়। শুরুর দিকে তিনি এ প্রতিশ্রুতির প্রতি দায়বদ্ধ ছিলেন বলেই মনে করা হয়। চার বছর দায়িত্ব পালন করে ১৮৮০ সালে তার পদ ছাড়ার কথা ছিল। কথা হচ্ছিল তার ঘনিষ্ঠ এক রাজনীতিবিদই পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হতে যাচ্ছেন। কিন্তু প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে দায়াজ নির্বাচনে অংশ নেয়ার ঘোষণা দিলেন। তার কথা ছিল মেক্সিকোকে একমাত্র তিনিই সফলভাবে চালাতে পারবেন। দায়াজ জিতলেন এবং ১৮৮৭ সালে সংবিধান সংশোধন করে প্রেসিডেন্টের পুনর্নির্বাচিত হওয়ার বিধানের অনুমোদন দিলেন। এরপর তিনি ১৮৮৮-৯২ মেয়াদে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। আবার ক্ষমতায় এসে দায়াজ সংবিধানে পুনর্নির্বাচিত হওয়ার সীমা তুলে দিলেন। দায়াজ ১৮৯৬, ১৯০০ ও ১৯০৪ সালে প্রেসিডেন্ট হলেন। শেষবার তার মেয়াদ ছিল ছয় বছর। ১৯০৮ সালে তিনি একটা ভুল করে বসেন। আমেরিকার সাংবাদিক জেমস ক্রিলম্যানকে একটা সাক্ষাৎকার দেন, যা মেক্সিকো ও আমেরিকা দুই জায়গায়ই প্রকাশিত হয়। এতে তিনি বলেন, ‘মেক্সিকো এখন গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় উত্তরণে প্রস্তুত এবং গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলগুলোর সক্রিয় হওয়া প্রয়োজন।’ তিনি আরো জানান, ১৯১০ সালে তিনি আর নির্বাচন করবেন না এবং কোনো বিরোধী দলের উত্থানকে স্বাগত জানাবেন। দায়াজ আর নির্বাচন করবেন না—এ কথা মেক্সিকোর কেউ বিশ্বাস করেননি, তবে সবাই এটা অন্তত ভাবছিলেন যে ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে একটি গণতান্ত্রিক নির্বাচন হবে। আর ১৯১০ সালে দায়াজের বয়স হবে ৮০, তাই ১৯১৬ সাল হয়তো ভাইস প্রেসিডেন্টই দায়াজের পদে বসতে পারবেন।
দায়াজের সাক্ষাৎকারে দেশে পুনর্নির্বাচনের বিরেুদ্ধে শক্ত জনমত আবার মাথা চাড়া দিল। বিখ্যাত এক পরিবারের সন্তান ফ্রান্সিসকো মাদেরো ছিলেন কোয়াহুইলা প্রদেশের স্থানীয় রাজনীতির একজন প্রভাবশালী মানুষ। তিনি পুনর্নির্বাচন বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছেন। তিনি দ্য প্রেসিডেনশিয়াল সাকসেশন অব ১৯১০ নামে একটি বই লেখেন, যেখানে তিনি দায়াজের কড়া সমালোচনা করেন এবং অ্যান্টি-রিইলেকশন পার্টি নামে একটি দলের প্রস্তাব করেন। শিগগিরই তিনি এ দলের পক্ষে প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হলেন।

ভিনুসতিয়ানো কারানজা ছবি: মেমোরিয়া পলিটিকা দ্য মেক্সিকো
নির্বাচন ঘনিয়ে এলে সবাই যেমনটা ভাবছিলেন, দায়াজ আবারো নির্বাচন করার ঘোষণা দিলেন। নির্বাচনের কয়েক সপ্তাহ আগে বানোয়াট মামলায় মাদেরো ও তার পাঁচ হাজার অনুসারীকে কারাগারে পাঠানো হয়। ১৯১০ সালের জুলাইতে নির্বাচন হলো, মাদেরো তখন কারাগারেই। সবার প্রত্যাশা মতো দায়াজকে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করা হলো। পুরো মেক্সিকো তার নেতৃত্বে দেশের স্বাধীনতার শত বছর পালনে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। বিভিন্ন দেশ থেকে উৎসবে যোগ দিতে কূটনৈতিক মিশনের সদস্যরা মেক্সিকোয় পা রাখলেন। সব মিলিয়ে দায়াজ তার ক্ষমতার চূড়ায়, পুরো দেশ তার হাতের মুঠোয়—অন্তত বাহ্যিকভাবে তা-ই মনে হচ্ছিল।
দিনে দিনে দেশজুড়ে মানুষের মনে যে অসন্তোষ জমা হয়েছিল তার গভীরতা দায়াজ অনুমান করতে পারেননি। প্রকৃতপক্ষে শাসক শ্রেণীর কেউই পারেননি। নতুন শতাব্দীর শুরুতে লিবারেলদের ছোট একটি দল দেশজুড়ে তাদের প্রকাশনা ‘রিজেনারেশন’ বিলি করছিল। এতে তারা দাবি করেছিল সরকার সংবিধানকে সম্মান করবে, নতুন সংস্কার আইনকে (এতে ছিল চার্চ ও রাষ্ট্রের পৃথককরণ, ধর্মীয় শিক্ষা নিয়ন্ত্রণ) গ্রহণ করতে হবে এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হবে। রিকার্ডো ফ্লোরেস মাগোনের নেতৃত্বে তারা মেক্সিকান লিবারেল পার্টিকে সংগঠিত করতে শুরু করেন।
দায়াজ কখনই সমালোচনা বা বিরোধিতা পছন্দ করতেন না। ১৯০৩ সালে তার পুনর্নির্বাচিত হওয়ার বিরোধিতা করায় দায়াজ লিবারেলদের ওপর দমন নামিয়ে আনেন। লিবারেলদের প্রকাশনা ও তাদের প্রকাশ্য রাজনীতিও নিষিদ্ধ করা হয়। এসব পদক্ষেপে লিবারেলরা চরমপন্থার দিকে ঝুঁকে পড়েন এবং তারা বড় বিদ্রোহের প্রস্তুতি নিতে থাকেন।
১৯০৬ সালের মাঝামাঝি মেক্সিকান লিবারেল পার্টি তাদের ম্যানিফেস্টো প্রকাশ করে। প্রধান দাবিটি ছিল প্রেসিডেন্ট, ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রাদেশিক গভর্নরদের পুনর্নির্বাচন সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে বাতিল করা। অন্যান্য দাবির মধ্যে ছিল শিক্ষা ব্যবস্থার সেকুলারাইজেশন, ৮ ঘণ্টার কর্মদিবস, ন্যূনতম মজুরি, শ্রমিকদের জন্য ক্ষতিপূরণ, পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের জন্য আবাসনের ব্যবস্থা, ভূস্বামীদের কাছে কৃষকদের ঋণ বাতিল করা, আদিবাসীদের অধিকার সংরক্ষণ। মাগোনিস্তারা দায়াজের সরকারের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রামের ডাক দেন।
কারাগারে থাকার সময় মাদেরো নিশ্চুপ বসে ছিলেন না। তিনি তার অনুসারীদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে বিদ্রোহের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। একসময় তিনি কারাগার থেকে পালিয়ে টেক্সাসে চলে যান। সেখান থেকে তিনি নিজেকে অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করেন এবং সশস্ত্র সংগ্রামের ডাক দেন।
মাদেরোর এ আহ্বান যেন শুকনা তৃণভূমিতে দাবানলের সৃষ্টি করল। লিবারেলদের প্রস্তুতি, বেশ কয়েক বছরের খরায় নিঃস্ব কৃষক, পুনর্নির্বাচন বিরোধী আন্দোলন—সব এবার ফেটে পড়ল। মঞ্চে এলেন কয়েকজন বিদ্রোহী সামরিক নেতা—পাসকুয়াল ওরোজকো, ফ্রান্সিসকো ভিয়া, এমিলিয়ানো জাপাতা। ফেডারেল সেনারা এ বিদ্রোহ সামাল দিতে ব্যর্থ হলো। গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত শহর ওরোজকোর দখলে এল। সিউদাদ জুয়ারেজ নামের এ শহরে বিপ্লবী সেনা ও সরকারের মধ্যে ১৯১১ সালে চুক্তি হলো এ শর্তে যে দায়াজ পদত্যাগ করে নির্বাসনে যাবেন এবং নতুন নির্বাচন হবে। কিন্তু চুক্তিতে বিপ্লবী বাহিনী ভেঙে দেয়ার সিদ্ধান্তে বিপদে পড়লেন মাদেরো।
১৯১১ সালে সুষ্ঠু এক নির্বাচনের মাধ্যমে মাদেরো প্রেসিডেন্ট হলেন। কিন্তু বিভিন্ন বিপ্লবী দল মাদেরোকে নিয়ে সন্তুষ্ট ছিলেন না এবং তারা আবারো বিদ্রোহ করলেন। কিন্তু ওরোজকো পরাজিত হলেন, জাপাতাও অনেকটা অবরুদ্ধ হয়ে পড়লেন। এর মধ্যে আবার দায়াজের ভাইপো ফেলিক্স দায়াজও মাদেরোকে উৎখাতে নেমে পড়লেন। তবে সফল হননি। এদিকে মাদেরো রাষ্ট্রকে পুনর্গঠনে সফল হতে পারছিলেন না। সংবাদপত্র স্বাধীনভাবে সমালোচনা করছিল, বিপ্লবী শক্তিগুলো অধৈর্য হয়ে পড়ে কারণ তাদের মনে হচ্ছিল বিভিন্ন বিপ্লবী দাবি পূরণ মাদেরোর সরকারের পক্ষে সম্ভব নয়। অন্যদিকে ফেডারেল সেনাবাহিনী তখনো দায়াজপন্থী জেনারেলদের অধীনে ছিল, তারা মাদেরোকে সহায়তা করতে রাজি ছিল না।
মাদেরোর সরকার টিকে ছিল মাত্র ১৫ মাস। দায়াজের ঘনিষ্ঠ মেক্সিকোর আমেরিকান রাষ্ট্রদূত হেনরি লেন উইলসনের মধ্যস্থতায় এক সামরিক ক্যুর মাধ্যমে মাদেরোকে উৎখাত ও গ্রেফতার করা হয়। দ্রুত নাটকীয় পটপরিবর্তনের মাধ্যমে সামরিক কমান্ডার ভিক্টোরিয়ানো হুয়ের্তা প্রেসিডেন্ট পদে বসেন। চেয়ারে বসেই তিনি মাদেরো ও সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্টকে হত্যার আদেশ জারি করেন। বিপ্লবী শক্তিগুলো দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখায়, সারা দেশে তারা সশস্ত্র সংগ্রাম ও সংবিধান প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান। এ সময় বিপ্লবী শক্তির পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ এক দায়িত্ব পালন করেন কোয়াহুইলার গভর্নর ভেনুস্তিয়ানো কারানজা। ১৯১৩ সালে মার্চে তিনি প্ল্যান অব গোয়াডিলুপ প্রকাশ করেন এবং জনগণকে সশস্ত্র সংগ্রামের ডাক দেন। এটি ছিল স্পষ্ট কথায় বিপ্লবের প্রোক্লেমেশন বা ঘোষণা, যা পুরনো শাসন ব্যবস্থাকে উৎখাতের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছিল। দায়াজের সেনাবাহিনী ও ভূস্বামীদের ক্ষমতা এবং ক্যাথলিক পাদ্রিদের নৈতিক সমর্থনের মাধ্যমে মেক্সিকোয় যে প্রশাসনিক ও বিচার বিভাগীয় ক্ষমতা কাঠামো গড়ে উঠেছিল তা ভেঙে দেয়ার পরিষ্কার পরিকল্পনা ছিল কারানজার প্রোক্লেমেশনে।
১৯১৪ সালে হুয়ের্তার পতন হয় এবং তিনি পালিয়ে যান। সংবিধানের পক্ষে কারানজার বাহিনী জয়ী হয়। তবে অন্য বিপ্লবী শক্তি পাঞ্চো ভিয়া ও জাপাতিস্তার সঙ্গে কারানজার মতভেদ ও সংঘাত শুরু হয়। ভিয়া ও জাপাতা তাদের এলাকায় নিজস্ব শাসন চালু করেন। তারা ভূমি সংস্কার, শ্রমিকদের অধিকারের মতো বিষয়গুলো নিয়ে কাজ শুরু করেন।
এ রকম বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিতে ১৯১৬ সালের ডিসেম্বরে কুয়েরেতারো শহরে কংগ্রেস সদস্যরা আলোচনায় বসেন। কারানজা একটি প্রস্তাব উপস্থাপন করেন, যা সংবিধানপন্থীদের কাছে রক্ষণশীল বিবেচিত হয়। কারানজার প্রস্তাবগুলোর মধ্যে জাপাতার কৃষি সংস্কারের অনেক বিষয় অন্তর্ভূক্ত ছিল, সঙ্গে লিবারেলদের অনেক কর্মসূচিও ছিল। পুরো প্রস্তাব নিয়ে চরম তর্কবিতর্ক চলে। চরমপন্থীরা তাদের অনেক দাবিই এতে যুক্ত করতে সমর্থ হন। নতুন সংবিধানে বিপ্লবের অনেক উদ্দেশ্য ও আদর্শকে যুক্ত করা হয়। বিপ্লবীরা যে প্রগতিশীল ও গণতান্ত্রিক মেক্সিকোর জন্য লড়াই করেছেন তার অনেক কিছুই এ সংবিধানে প্রতিফলিত হয়। সেকুলার শিক্ষা ব্যবস্থা, ৮ ঘণ্টা কর্মদিবস, ধর্মঘটের অধিকার স্বীকৃত হয়। সরকার ব্যবস্থা পরিবর্তনে জনগণের অধিকারকে স্বীকৃতি দেয়া হয়।
কৃষকদের দাবি ছিল মেক্সিকোর বিপ্লবের কেন্দ্রীয় জ্বালানি। সরকারের কার্য মূল্যায়নে মুখ্য বিচারক ছিল কৃষি সংস্কার বাস্তবায়ন। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, কারানজা ২ লাখ ৯২ হাজার একর জমি বিতরণ করেন।
নতুন সংবিধানের আলোকে বিদেশী তেল কোম্পানিদের সঙ্গে মেক্সিকো সরকারের সম্পর্কও পুনর্গঠিত হয়। তেল রফতানি ও কোম্পানিগুলোর ব্যবহৃত জমির ওপর নতুন কর আরোপ করা হয়।
মেক্সিকো সিটি গভর্নমেন্টের সাবেক প্রধান (১৯৯৭-৯৯) চুয়াহতেমক কার্দেনাস মেক্সিকোর বিপ্লবের গুরত্বকে স্মরণ করে তার এক বক্তব্যে বলেছিলেন, ‘সামনে এগোতে হলে গত শতাব্দীতে মেক্সিকানরা যে লক্ষ্যের জন্য সংগ্রাম করেছিলেন তা স্মরণ রাখতে হবে। বিপ্লবীরা গণতন্ত্র, সমতা, ন্যায়বিচার, শিক্ষা, সংস্কৃতির জন্য লড়েছিলেন। তাদের সাধনা ছিল ন্যায্যতাভিত্তিক উদার একটি জাতি নির্মাণ করা, যেখানে সবাই উন্নয়নের ভাগীদার হবেন। আমরা নতুন মেক্সিকো গড়ে তুলতে চাইলে বিপ্লবের শিক্ষা আমাদের পথ দেখাতে পারে।’
শানজিদ অর্ণব: সিনিয়র সহসম্পাদক, বণিক বার্তা ও লেখক









