কিছুদিন আগে ক্রিসমাসের ছুটিতে সবাই মিলে এক জায়গায় বেড়াতে গেছিলাম। সেখানে হলিডে হোমের থিয়েটারে বসে হিন্দি সিনেমা দেখলাম নেটফ্লিক্সে। নাম দৃশ্যাম। বেশ কয়েক বছর আগের মুভি। বোধহয় কোনো ইংরেজি ছবির থেকে কাহিনীটা নেয়া হয়েছে। খুব ভালো লাগল দেখতে, অজয় দেবগন একজন সহজ-সরল পারিবারিক মানুষ, কেবল টিভির ব্যবসা করে আর সারা দিন সিনেমা দেখে দোকানে বসে, যা দেখে সবই তার মনে থাকে এবং বিভিন্ন সময় আশপাশের মানুষের ছোটখাটো সমস্যার সমাধান করার জন্য এসব ছবিতে দেখা ঘটনা বা কথোপকথনের সাহায্য নেয়। প্রতিবেশীদের সঙ্গেও তার সম্পর্ক ভালো। বাড়িতে তার স্ত্রী আর দুই মেয়ে। সমস্যা হলো বড় মেয়ে নিয়ে। স্কুলের এক ছেলে তাকে ব্ল্যাকমেইল করতে করতে বাড়িতে পৌঁছে যায় এবং বিভিন্ন রকমভাবে মা মেয়ে দুজনকেই অপমান করতে থাকে। একপর্যায়ে আত্মরক্ষার খাতিরে ছেলেটাকে মেরে ফেলে মেয়েটা। ঘটনার শুরু এখান থেকেই। অজয় দেবগন তার পরিবারকে বাঁচানোর জন্য সব ঘটনা অন্যরকমভাবে সাজায়। সপরিবারে বিভিন্ন শহরে ঘুরতে বের হয় এবং অনেক মানুষের সঙ্গে যেচে আলাপ করে, পরে দিন-তারিখ বদলে সে ঘটনাগুলোই এভাবে বলতে থাকে, যাতে মনে হয় খুনের সময়টায় তারা সেই শহরেই ছিল না। এতে কাজ হয় এবং তার মেয়েটা শাস্তির হাত থেকে বেঁচে যায়। এখানে মূল ব্যাপার ছিল মানুষের মনে দাগ কাটার মতো দৃশ্য তৈরি করা। মানুষ সাধারণত যা চোখে দেখে, তা বিশ্বাস করে এবং সত্যি বলে মেনে নেয়।
পরে মুভিটা নিয়ে ভাবতে ভাবতে মনে হলো, এ কৌশলটা রাজনৈতিকভাবেও ব্যবহার হয়। এক্ষেত্রে মিডিয়া বেশ বড় ভূমিকা পালন করে। একই কথা বারে বারে শুনতে শুনতে, দেখতে দেখতে বিশ্বাসযোগ্য হয়ে ওঠে। বর্তমান পৃথিবীতে এ রকম অনেক কিছুকেই আমরা সত্যি বলে মনে করি, যা আসলে বানিয়ে তোলা। সাধারণত যা আমাদের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত না, তা নিয়ে আমরা তেমন প্রশ্নও করি না, নিজেদের নিজেদের বৃত্তে ঘোরাফিরা করি আর এ বিষয়গুলো ভাসাভাসাভাবে আমাদের ঘিরে থাকে। অথচ পরতে পরতে এ দৃশ্যগুলো আমাদের ভেতরে জমতে জমতে দাগ কাটে, কিছু প্রতীক তৈরি হয়, ধারণা তৈরি হয়।
১৯৯৫ সালের জুন মাসে লন্ডনের এক কনফারেন্সের জন্য এডওয়ার্ড সাঈদ জেরুজালেম বিষয়ে একটা নিবন্ধ লিখেছিলেন। লেখাটা আবার ২০১০ সালে ত্রৈমাসিক পত্রিকা জেরুজালেমে প্রকাশ হয়েছিল রাশিদ খালিদির ভূমিকাসহ। লেখার শুরুতেই সাঈদ ১৯৯১ সালের এক ঘটনার কথা বলেছেন। সে সময় তাঁকে কেপটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ে দাওয়াত করে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল এ-ডব্লিউ- ডেভি একাডেমিক ফ্রিডম লেকচার দেয়ার জন্য। যদিও স্বাধীনতা তেমন ছিল না। কয়েক মাস আগেই নেলসন ম্যান্ডেলা ২৭ বছরের কারাদণ্ড থেকে মুক্তি পাওয়ার পরও জাতিবিদ্বেষ তখনো বহাল। কেপটাউন যাওয়ার পথে কিছুদিন জোহানেসবার্গেও ছিলেন এবং বিভিন্ন সেমিনারে অংশগ্রহণ করেছেন। সে সময় নেলসন ম্যান্ডেলার সঙ্গেও খুব সংক্ষিপ্তভাবে দেখা হয়েছিল সাঈদের। তারপর পাশের অফিসে ম্যান্ডেলার কমরেড ওয়াল্টার সিসুলুর কাছে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সিসুলুও ম্যান্ডেলার মতনই বহু বছর কারাবাসের পর মাত্র মুক্তি পেয়েছেন। সেখানে সাঈদ ঘণ্টাখানেক ছিলেন সিসুলুর সঙ্গে, আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের সংগ্রাম নিয়ে কথা হয়েছে, যা বহু বছর পর আশার আলো দেখেছে। একই সঙ্গে ফিলিস্তিনের সংগ্রামের প্রসঙ্গও এসেছে, যার কোনো কুলকিনারা পাওয়া যাচ্ছে না। সাঈদ লিখেছেন, সিসুলুর সঙ্গে আলাপ এবং তাঁর আতিথেয়তা ও আন্তরিকতায় তিনি মুগ্ধ হয়েছেন।
কিন্তু একটা জিনিস ছোট্ট কাঁটার মতন অস্বস্তিকর লাগছিল। তা হলো, জেরুজালেম নিয়ে লেখা টেডি কোলেকের বই আমার জেরুজালেম, পৃথিবীর পবিত্রতম শহরে বারোবার পথ হাঁটা। যেহেতু কফি টেবিলের উপরে ওই একটা বই-ই রাখা ছিল, সাঈদ বুঝেছিলেন সিসুলু বইটা তাঁর জন্যই রেখেছেন। পরে সিসুলুর একজন অ্যাডভাইজরের কাছে বিষয়টা তিনি বলেছিলেন। টেডি কোলেক হলেন, ফিলিস্তিনিদের কাছে ইসরায়েলের দখলদার-নীতির মূর্তিময় রূপ, সাঈদ ভেবে পাচ্ছিলেন না এ লোকের বই কেন সিসুলু সাজিয়ে রেখেছেন। পরে খবর নিয়ে অ্যাডভাইজর সাঈদকে জানিয়েছিলেন যে, বইটা সিসুলু রেখেছিলেন আতিথেয়তার অংশ হিসেবে, সিসুলুর কাছে কোলেক ছিলেন উদার মনোভাব ও আরব এবং ইহুদিদের সৌহার্দের প্রতীক। আর বইটা টেবিলে সাজিয়ে রাখার মাধ্যমে সিসুলু চেয়েছিলেন ফিলিস্তিনের সংগ্রামের প্রতি তাঁর নিজের সমর্থনটাও জানাতে।
টেডি কোলেক ১৯৬৫ থেকে ১৯৯৩ পর্যন্ত জেরুজালেমের মেয়র ছিলেন। সাঈদ লিখেছেন—
‘সিসুলুর সঙ্গে আমার আর দেখা হয়নি, তাই তাঁকে আর বলার সুযোগ পাইনি যে, ১৯৬৭ সালের জুন মাসের শুরুতে ইসরায়েলিরা যখন পুরনো শহরের দখল নিল, কোলেক এবং মোসে দায়ান মিলে হাজার হাজার ফিলিস্তিনিকে হারেত-এল-মাগারিবাতে তাদের পৈতৃক ভিটা থেকে উত্খাত করেছে, ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে ফেলে সেখানে নির্মাণ করেছে বিশাল প্লাজা, শুধুই ইহুদিদের জন্য। ১৯৬৭-এর যুদ্ধকালীন অবস্থার এ ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ দিয়েছেন মার্কিন সাংবাদিক ডোনাল্ড নেফ তাঁর লেখা ‘ওয়ারিয়রস ফর জেরুজালেমে’। দক্ষিণ আফ্রিকায় গিয়ে আমি শুনেছিলাম, কেপটাউনের সশস্ত্র বাহিনী প্রায় একইভাবে সেখানকার কালো আর কালারড মানুষকে উত্খাত করে শুধু সাদাদের জন্য জায়গা খালি করেছে। কীভাবে কোলেকের অতীত এবং দক্ষিণ আফ্রিকার এমন চরম মিলের জায়গা থাকা সত্ত্বেও সিসুলু বেছে নিলেন সযত্নে বাজারজাত মানবিক, উদার, শান্তির দূত ভাবমূর্তি যা কোলেককে পৃথিবীতে জনপ্রিয় করেছে। যে কারণে টেডি কোলেক জেরুজালেমের প্রতীকে পরিণত হয়েছেন, যদিও তা ইসরায়েলি দখলদারিত্বের জেরুজালেম, কিন্তু তাতে কিছু যায় আসে না। আসল কথা হলো, তিনি সবার মেয়র এবং সারা দুনিয়া তাঁকে সেভাবেই সম্মানিত করেছেন, এমনকি সিসুলুও সে রকমই অনুভব করেছেন’ জেরুজালেমের বর্তমান অবস্থা ভাবতে গেলে এ ঘটনার তীব্র এবং মর্মভেদী অনুরণন টের পাওয়া যায়। ১৯৯১ সাল মানে তত দিনে জেরুজালেম চব্বিশ বছর ধরে ইসরায়েলের দখলে। শহরটাকে রীতিমতন উল্টাপাল্টা করে দেয়া হয়েছে, তার ইতিহাস থেকে শুরু করে সবকিছু তছনছ করা হয়েছে অথচ এ অপ্রীতিকর ঘটনা বহির্বিশ্বে পৌঁছেছে এক অগ্রণী, মানবিক, হাসি-খুশি প্রচেষ্টার প্রতীক হিসেবে। অথচ সে সময় শহরের পুবের বেশির ভাগ মানুষ যে অত্যাচার সহ্য করেছে, তার প্রায় কিছুই বাইরের পৃথিবী জানতে পারেনি। এখানে লক্ষ করতে হবে যে, ইসরায়েলের ক্ষমতা শুধু বাইরের পৃথিবীর বাধা অমান্য করে তার নিজের লক্ষ্যে পৌঁছানোতেই সীমিত থাকেনি। তারা দৃঢ়ভাবে নিজেদের কথাগুলোকেই সত্যি হিসেবে প্রচার করেছে, ফলে বাইরের কোনো বাধাই টিকতে পারেনি।
এতে বোঝা যায়, ইসরায়েলে জেরুজালেমকে কতটা গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে। শুরুর নকশাটাই ছিল শহরটাকে বহু সাংস্কৃতিক এবং বহু ধর্মের শহর থেকে শুধু ইহুদি শহরে রূপান্তর করা, যার নিয়ন্ত্রণ থাকবে ইসরায়েলের হাতে। কাজটা করা হয়েছে প্রথমে শহরটার এমন এক ইমেজ তৈরি করে, যা শুধু যে তার ইতিহাস পরিপন্থী তা-ই নয়, সে সময়ের বাস্তবতাও সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে তাকে ইহুদিকেন্দ্রিক শহর হিসেবে প্রচার করা। ধাপে ধাপে এ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হয়েছে এবং হচ্ছে।
রাশেদ খালিদি ১৯৯০ সালে তাঁর এক বক্তৃতায় বলেছিলেন, ‘যা এখন সাধারণত ইসরায়েলি পশ্চিম জেরুজালেম হিসেবে ভাবা হয়, সেখানে আসলে আরববসতি ছিল ১৯৪৮-এর আগে। সে সময় ৩০ হাজার আরব শহর ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়’।
সাঈদের নিজের পৈতৃক বাড়ি ছিল তালবিয়ায়। ১৯৪৭ সালে হত্যাকাণ্ডের পর পরিবারের সবাই সেখান থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য হন। পরে তাঁর চাচাতো ভাইয়ের কাছ থেকে সে সময়ের বর্ণনা শুনেছেন তিনি। এসব নৃশংসতার কিছুই অবশ্য ইসরায়েলের ইতিহাসে জায়গা পায়নি।
সাঈদের মতে, জেরুজালেমের বর্তমান অবস্থার জন্য ফিলিস্তিনিদের ক্ষমতাহীনতা আর নেতৃত্বের অভাবও দায়ী। এখন পর্যন্ত ১৯৪৮ আর ১৯৬৭-এর ঘটনা ফিলিস্তিনিদের বয়ানে শোনা যায়নি; যা আমরা শুনি, তা ইসরায়েলিদের সংস্করণ, এদের ভেতর কেউ কেউ আছেন ফিলিস্তিনিদের সহমর্মী আর কেউ তা নন, অথবা কিছু বিদেশী সাংবাদিকও বলেছেন।
তিনি এ রাজনৈতিক আর ঐতিহাসিক অবহেলার প্রতি পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। যার ফলে ফিলিস্তিনিরা জেরুজালেমকে হারানোর আগেই হারিয়েছে। সাঈদ লিখেছেন, ‘কাউকে দায়ী করতে অথবা যা হারিয়েছে, তার জন্য আফসোস করার জন্য না, তবে শান্তি প্রক্রিয়ায় জেরুজালেমের বর্তমান অবস্থান বুঝতে হলে শুধু ইসরায়েলের সংস্করণ শুনলেই হবে না, বরং ফিলিস্তিনিদের কথাও শুনতে হবে; আমাদের স্বীকার করতে হবে যে, এখানে দুই দলের মধ্যে ভয়ঙ্কর অসমতা রয়েছে। ১৯৪৮-এর এ কথা যেমন সত্যি ছিল, দুর্ভাগ্যবশত ১৯৯৫-তেও তা সত্যি। আমি মনে করি, জেরুজালেমের প্রতি আরব ফিলিস্তিনিদের দাবি যথার্থ, ইতিহাস এবং সংস্কৃতি এ দাবি সমর্থন করে। তবে জেরুজালেম কিভাবে ধীরে ধীরে আমাদের হাত থেকে হারিয়ে গেল, সে ইতিহাস সঠিক এবং নিরাবেগভাবে বুঝতে না পারলে এ দাবি অর্থহীন।
ঐতিহাসিকভাবে ফিলিস্তিন বিভিন্ন ধর্ম আর সংস্কৃতির মিশ্রণ, যেন এক পরিবারের অংশ। সবাই একই জায়গায় একে অন্যের সঙ্গে মিশেছে। অথচ জায়নিস্ট দর্শন এতটাই ক্ষমতাশালী যে, তা সব ইতিহাস এবং সত্যকে প্রত্যাখ্যান করে হলেও নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করতে চায়। এ শহরের ১০ হাজার বছরের নথিভুক্ত ইতিহাসে প্রায় কল্পনাতীত পরম্পরায় বসবাস করেছে কত মানুষ— সুরে-বেসুরে। এখন কোনো রকম অংকেই এটা বলা যাবে না যে, ইহুদিদের প্রভাবই শহরে বেশি পড়েছে। যদিও গত ৩ হাজার বছরে ইহুদিরা ছিল এখানে আর খ্রিস্টানদের সময়ের কিছু আগে আর পরেও ছিল। কিন্তু তার চেয়েও বেশি সময় ছিল মুসলিমরা আর খ্রিস্টানদেরও ঘনবসতি ছিল। এসব কিছু বাদ দিয়ে শুধু ইহুদিদের একচেটিয়া ক্ষমতা চাওয়াটা আমি মনে করি স্বেচ্ছাচারী আর অসংবেদী’। সাঈদ আরো লিখেছেন, ফিলিস্তিনিদের আসলে ছাড় দেয়া ছাড়া আর উপায় নেই, যেহেতু কোনো ক্ষমতাই নেই তাদের হাতে। এখানে তাই ইসরায়েলের চাপিয়ে দেয়া শান্তি প্রক্রিয়া খাটবে না, যেহেতু এ রকম চুক্তি হয় সমানে সমানে, এ রকম দুই পক্ষ যারা সচেতন এবং সুচিন্তিতভাবে সিদ্ধান্ত নেয় মানবিক ও শালীনভাবে একে অন্যের সঙ্গে থাকার।
সাঈদ বলেছিলেন, ‘যত দিন পর্যন্ত জেরুজালেমকে আবার যৌথ রাজধানী হিসেবে প্রচার করা না হয়, তত দিন ইসরায়েলের আক্রমণাত্মক পরিকল্পনার জিম্মি হয়ে থাকবে শহরটা’। তিনি জোর দিয়েছেন ফিলিস্তিনের বাইরের ফিলিস্তিনিদের সঙ্ঘবদ্ধ হওয়ার ব্যাপারে। বলেছেন একজন দুজনের চেষ্টা না, সত্যি কথা বার বার বলতে হবে বিভিন্নভাবে, জানাতে হবে। হয়তো হাজার হাজার নতুন ইহুদি নাগরিক আর বিতাড়িত আরব আর বেআইনিভাবে অধিকৃত ঘরবাড়ি নিয়ে জেরুজালেম হারিয়ে গেছে। তা যদি হয়, তবে এই প্রজন্মে শান্তি আসবে না। সেটাও পরিষ্কারভাবে বুঝতে হবে এবং বুদ্ধিদীপ্ত দৃঢ়তার সঙ্গে কাজ করতে হবে।
অন্যদিকে আশা ছেড়ে আশা রেখে দেয়ার মতন বলতে হয় সক্রিয় এবং সজীব রাজনৈতিক মতবাদ জন্ম নেয়া সবসময়ই সম্ভব। হয়তো তখন, সত্যিকার শান্তি আসবে। তা নিজের চোখে দেখার জন্য আমরা থাকি আর না থাকি।
[এডওয়ার্ড সাঈদের উল্লেখিত রচনাটি ১৫-১৬ জুন ১৯৯৫ সালে লন্ডনে অনুষ্ঠিত জেরুজালেম শীর্ষক এক কনফারেন্সে পঠিত হয়, পরে তা ‘এডওয়ার্ড সাঈদ’স লস্ট এসে অন জেরুজালেম’ নামে প্রকাশিত]
এডওয়ার্ড সাঈদ: প্যালেস্টাইনি বুদ্ধিজীবী, শিক্ষক, জন্ম জেরুজালেমে।
জন্ম: ১ নভেম্বর ১৯৩৫, মৃত্যু: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০০৩






