মৌলিক হতে গিয়ে সেওতো নীরব হলো অনুপুঙ্খ

মাকড়সার মত শুধু নিজতন্তু নিজশিল্পঘোরে

মুগ্ধ হয়ে টের পেল মানুষ মকর নয়, অন্যপ্রত্নজীব

বায়ু হতে প্রতিমুহূর্তে তারও অনিবার্য অম্লজান লাগে।

 

সর্বদাই অগোচরে তবু ঠিক পাতাদের আশ্চর্য রান্নাঘরে,

পাতাদের অপূর্ব রন্ধনশালায় শর্করার শতব্যঞ্জনা গাঁথে

বিশ্লেষিত করে নিলে মানুষ কার্বন, মানবীর হাড় হল হীরে

তখনি সে কেবল মৌলিক, কণাদের দিকে চোখ রেখে—

 

কথা যে স্বয়ম্ভরভাবে হাসায়, শব্দদের প্রতিভা সে জানে

মহাপ্রকৃতি যে নিয়মে স্নায়ুকে জাগায়, উদ্দীপ্ত করে রাখে

অন্বিষ্ট ব্যাখ্যা থেকে পরাজিত মানুষের বেদনা তুলে নিয়ে

সেও তো মৌলিক হল, ঐ গান শঙ্খসমুদ্রে যেভাবে বেজেছে—

 

মানবীর তন্তুতারে, তার সুর বুঝি ঝড়োকান্না কালরাতে

যৌগিক সমুদ্রে খুব ঝড় হল, প্রভাতে তার চিহ্ন মাত্র নেই!