একশ বছরেরও বেশি সময় পরে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস ভারতীয় ভাষায় প্রকাশনায় আসছে কেন?
ইংরেজি ভাষায় শিক্ষামূলক গ্রন্থের অন্যতম প্রধান প্রকাশকের পক্ষে এটি একটি বিস্ময়কর পদক্ষেপ একশ বছরেরও বেশি সময় বাদে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস (ওইউপি) ইন্ডিয়া হিন্দি ও বাংলা অনুবাদ এবং মৌলিক গ্রন্থ দিয়ে শুরু করার ভেতর দিয়ে বিভিন্ন ভারতীয় ভাষা অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যে এর কর্মসূচি সম্প্রসারণের সব আয়োজন সম্পন্ন করেছে। ওইউপির গ্লোবাল একাডেমিক পাবলিশিংয়ের পরিচালক সুগত ঘোষ স্ক্রলইনের সঙ্গে পুস্তক তালিকা ও পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেছেন। সাক্ষাত্কারের নির্বাচিত অংশের অনুবাদ এখানে তুলে ধরা হলো—
এই নতুন, উচ্চাভিলাষী উদ্যোগ গ্রহণের পেছনে কী অনুপ্রেরণা কাজ করেছে?
একশ বছরেরও আগে ভারতে ওইউপির প্রতিষ্ঠা হয়। এই দীর্ঘ অস্তিত্বের মেয়াদে এটি মাত্র একটি ভাষায় জ্ঞানের ভাণ্ডারের বিস্তার ঘটিয়েছে। সেই ভাষাটি হলো— ইংরেজি। সে সময় থেকে পৃথিবী দ্রুত বদলে গেছে। বদলেছে এর বাসিন্দারাও। আমাদের দেশে সাংস্কৃতিক, আর্থসামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে লোকজনকে ক্রমবর্ধমান হারে ভারতীয় ভাষায় সূত্রের অন্বেষণ করতে দেখছি।
স্থানীয় ও বৈশ্বিক পর্যায়ে শূন্যতা পূরণ এবং সেই সঙ্গে যত বেশি সম্ভব মানুষের কাছে অনন্য পাণ্ডিত্য, গবেষণার উপকরণ এবং শিক্ষা পৌঁছে দেয়ার মিশন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আমরা প্রথম বছরে (২০১৮) হিন্দি ও বাংলায় নতুন নতুন মানসম্পন্ন নন-ফিকশন ও অনুবাদ প্রকাশের উদ্যোগ নিয়েছি। আগামী বছরগুলোয় অন্যান্য ভাষাও যোগ করা হবে।
বই বাছাইয়ের মানদণ্ড কী?
আগামী বছরগুলোয় নতুন লেখকদের বই প্রকাশের লক্ষ্যে গতি বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে প্রথম বছর অর্থাত্ ২০১৮ সালে আমরা প্রধানত আমাদের পুরনো শিরোনামগুলোর অনুবাদ প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছি।
উভয় ভাষার আর্থসামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিভিন্ন দিকের ওপর নির্ভর করে এই হ্রস্ব তালিকার সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা। আমাদের হিন্দি শিরোনামগুলো মূলত শিক্ষামূলক এবং আমরা আশা করছি, এগুলো পাঠকদের পেশাগত ও অগ্রসর পাঠে সাহায্য করবে। আমরা এও আশা করছি, শিক্ষাক্ষেত্রের বাইরেও এ বইগুলো বিস্তৃত পাঠক পাবে, কেননা অনেক পাঠকই এগুলো ভারতীয় ভাষায় পড়তে আগ্রহী, কিন্তু তেমন একটা সুযোগ পান না। উল্লেখ করা যায় যে, আরএস শর্মা, বীণা দাস, ইরফান হাবীব ও রোমিলা থাপিরের মতো লেখকরা এগুলোর রচয়িতা।
প্রধানত শিরোনাম বেছে নেয়ার ক্ষেত্রে বাংলা পাঠকরা হিন্দি পাঠকদের তুলনায় খানিকটা ভিন্ন ধরনের। বাংলা বইয়ের বাজার ইতিহাস, রাজনীতিসহ বিভিন্ন জাতীয় বইয়ের। তাই পাঠকদের জন্যে আমরা সব্যসাচী ভট্টাচার্য, রোমিলা থাপার, মুশিরুল হাসানের রচনাসহ আমাদের বহুল প্রশংসিত শিরোনামগুলোর সংগ্রহের দিকে নজর দিয়েছি।
সূচনা তালিকার পাল্লা নন-ফিকশনের দিকেই ভারী। সাতটি বইয়ের ভেতর পাঁচটিই মূলত ওইউপি ইন্ডিয়া থেকে প্রকাশ হয়েছিল। বছর পরিক্রমায় এ তালিকা কেমন আকার পেতে পারে বলে মনে করেন? মৌলিক ফিকশন ও অনুবাদের অবকাশ থাকবে?
এ তালিকা প্রিন্ট ও ডিজিটাল উভয় রূপেই একাডেমিক এবং নন-ফিকশন শিরোনামের নতুন রচনা ও অনুবাদ অন্তর্ভুক্ত করবে। আমরা বিভিন্ন ভারতীয় ভাষার রচনাও ইংরেজিতে প্রকাশ করে থাকি। এসব অনুবাদ মূল ভাষায় যতটুকু নবধারা সৃষ্টি করেছিল, সেভাবেই ইংরেজি ভাষাকে সমৃদ্ধ করে তুলবে বলে আশা করছি। ভারতীয় ভাষার কর্মসূচিতে আমরা মৌলিক ফিকশন বা ফিকশনের অনুবাদ প্রকাশের পরিকল্পনা করছি না।
ভারতে অনীহা ও আশার একটি জটিল পরিবেশে গবেষণা ও পাণ্ডিত্য অস্তিত্ববান, ভারতীয় ভাষাগুলোর ক্ষেত্রে এটা আরো বেশি। এ কর্মসূচির ভেতর দিয়ে আমরা একাডেমিক চৌহদ্দির ভেতর ও বাইরের নতুন এবং এরই মধ্যে প্রতিষ্ঠিত লেখকদের জ্ঞানের ভাণ্ডার বাড়িয়ে তুলতে অবদান রাখতে উত্সাহিত করার পরিকল্পনা করছি। প্রথম কয়েক বছরে নতুন একাডেমিক ও নন-ফিকশন গ্রন্থের এ তালিকা ছোটই থাকবে। তবে আমাদের পরিসর বিস্তৃত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে (আশা করি) আঞ্চলিক ভাষার পাঠক ও লেখকদেরও উত্সাহ বেড়ে উঠবে।
আমরা দেশের ভেতর অন্য প্রকাশকদের প্রকাশিত বেস্টসেলিং নন-ফিকশন গ্রন্থও প্রকাশের পরিকল্পনা নিচ্ছি। আমাদের বিশ্বাস, হিন্দি ও বাংলা ভাষার পাঠকরা কেবল ইংরেজিতে প্রকাশিত হওয়ার কারণে সবসময়ই বিভিন্ন উপন্যাসের ঘরানার ক্ষেত্রে সাহিত্যে সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি হয়ে থাকেন। এসব গ্রন্থের কিছু হিন্দি ও বাংলায় অনুবাদের মাধ্যমে আমরা দুটো জগতের ভেতর দূরত্ব কমিয়ে আনার পরিকল্পনা নিয়েছি।
পাঠক, লেখক, অনুবাদকদের জন্য নানা উত্সাহব্যঞ্জক উদ্যোগ ও সুযোগ সহজলভ্য করে তোলা হচ্ছে। যেমন ধরুন, এমন প্রকাশক আছেন, যারা তাদের বইগুলো যুগপত্ভাবে একাধিক ভাষায় প্রাপ্য করে তুলছেন। ওইউপি ইন্ডিয়ায় আমরা বিভিন্ন ভাষার ভেতর সমালোচনামূলক সংযোগ স্থাপনের ভেতর দিয়ে এ উদ্যোগে তাত্পর্যপূর্ণভাবে অবদান রাখার পরিকল্পনা করছি। আমাদের পরিকল্পনাকে মৌলিক ও অনুবাদের ভেতর দিয়ে এমনভাবে রূপ দিতে চাই যেন তা আমাদের ইংরেজি প্রকাশনার মতো দুর্দান্ত হয়ে ওঠে।
হিন্দি ও বাংলা বই দিয়ে শুরু করার কোনো বিশেষ কারণ আছে? কতগুলো ভাষায় এ কর্মসূচিকে বিস্তৃৃত করার পরিকল্পনা করছেন আপনারা?
সংখ্যা ও বৈচিত্র্যের দিক থেকে হিন্দি ও বাংলা ভাষার বিস্তৃত পাঠক, লেখক ও বক্তা থাকার ব্যাপারটা ছাড়া অন্য কোনো বিশেষ কারণ নেই। আমাদের হাতের কাছে থাকা উেসর ভিত্তিতে এ দুটি ভাষায় শুরু করাটা বেশি সুগম্য। আমরা এখনো নির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা স্থির করিনি। সবার আগে আমরা শুরুর দুটো তালিকাকে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। তারপর এ দুটি ভাষা নিয়ে কিছুটা থিতু হয়ে নতুন নতুন গ্রহণ, সম্পাদকীয় অবদান, বণ্টন ও পাঠক সংখ্যার ভিত্তিতে অন্যান্য ভাষায় প্রসারিত করার কথা ভাবব।
আঞ্চলিক ভাষার বাজার চরমভাবে মূল্যসংবেদনশীল এবং বেশির ভাগ সময় কেবল আকারের কারণেই অনুবাদের খরচ দুঃসাধ্য করায় প্রত্যাখ্যাত হয়ে থাকে। প্রায়ই এটা মান ও ডিজাইনের ক্ষেত্রে আপসের দিকে নিয়ে যায়। ওইউপি কীভাবে এসব বইয়ের প্যাকেজ স্থির করার পরিকল্পনা করছে?
আমরা যে বাজারে পা রাখতে চলেছি, সেটার ধরনকে সম্মান করি। এ পরিপ্রেক্ষিতে আমরা কোনোভাবেই অনুবাদের মান, সম্পাদকীয় মান, ডিজাইন ও প্রকাশনার ক্ষেত্রে বিন্দুমাত্র আপস করতে চাই না। আমরা অব্যাহতভাবে সুপ্রতিষ্ঠিত অনুবাদকদের নিয়োজিত করছি, একাধিক সম্পাদনার ব্যবস্থা নিচ্ছি, যাতে আমাদের ভারতীয় ভাষার বইয়ের মান ইংরেজি ভাষার বইয়ের সমকক্ষ হয়। অবশ্য, আমাদের মূল্যহার জনগণের আওতার ভেতর রাখতে আমরা বিভিন্ন ও আধুনিক সম্ভাবনার দিকে নজর দিচ্ছি। আমাদের ব্যবসার এ স্তম্ভদের— লেখক, পাঠক ও বিতরণ অংশীদার— সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরনের অভিজ্ঞতা দিতে চাই ।
একাডেমিক প্রেসগুলো তাদের গ্রন্থের আগ্রাসী বিপণন উদ্যোগের জন্য পরিচিত নয়। তাদের বইগুলো প্রায়ই মূলধারার বইয়ের দোকানে পাওয়া যায় না। সূচনা তালিকা বোঝাচ্ছে যে, বইগুলোর লক্ষ্য পাঠকগোষ্ঠী, বিভিন্ন স্কুল-কলেজ ও লাইব্রেরিই থেকে যাবে। আমার ভুল হলে শুধরে দেবেন—
আমরা যেহেতু একাডেমিক প্রেস, আমাদের মূল পাঠকগোষ্ঠী মূলত পণ্ডিত, গবেষক, ছাত্র প্রমুখ। অবশ্য সমসাময়িক ওইউপি ঐতিহ্যগতভাবে একটি একাডেমিক প্রেস এবং ব্যতিক্রমী প্রকাশনায় নিয়োজিত একটি প্রেসের ভেতর সূক্ষ্ম ভারসাম্য বজায় রাখতে চায়। রূপ ও বিষয়বস্তু— উভয় দিক থেকেই আমাদের পণ্যগুলো বৈচিত্র্যময়। একাডেমিক বিশ্বের পরিবর্তনশীল প্রকৃতির কারণে আমরা অব্যাহতভাবে আমাদের প্রকাশনার পরিকল্পনার নব-উদ্ভাবন করে চলেছি। কেবল ভারতে নয়, বিশ্বব্যাপী প্রাতিষ্ঠানিক বাজারের অধোগতি ঘটার সঙ্গে সঙ্গে সিরিয়াস নন-ফিকশন রচনার ভেতর দিয়ে বিস্তৃৃত পাঠকসমাজের কাছে ব্যাপক গবেষণাকৃত, চিন্তাজাগানিয়া ও স্বাস্থ্যকর বিতর্ক উসকে দেয়ার ক্ষমতাসম্পন্ন ভাণ্ডার পৌঁছে দিতে আমাদের কর্মসূচিকে বিস্তৃত করছি। ভারতীয় ভাষা কর্মসূচি এ লক্ষ্যেও একটি উদ্যোগ এবং আঞ্চলিক ভাষার পাঠকদের এগুলো তুলে দিতে পারলে খুশি হব।
আমাদের বইগুলোর অব্যাহতভাবে পর্যালোচনার পাশাপাশি আমাদের বিপণন ও বিক্রয় কৌশলও বদলে গেছে। আমাদের বইগুলো সারা দেশের সব প্রধান বুকস্টোর ও ই-কমার্স ওয়েবসাইটে পাওয়া যায়। সব প্রকাশকই চাইবেন তার বই গুদামে পড়ে না থেকে পড়া হবে— হোক সেগুলো একাডেমিক বা অন্য কিছু। আমাদের ব্র্যান্ডিংয়ের জোরে তাক থেকে বইপত্র উড়ে যাওয়ার দিন বিদায় হয়ে গেছে। অন্য প্রকাশকদের তরফ থেকে প্রতিযোগিতার মুখে আমাদের বই দৃশ্যমান করে তুলতে আগ্রাসী বিপণন এখন অতিজরুরি। আমরা দ্রুত গতি বাড়াচ্ছি। আমাদের বিপণন ও বিক্রয় বিভাগগুলো আধুনিক খুচরা বই বিক্রির চ্যালেঞ্জ গ্রহণে তৈরি এবং অব্যাহতভাবে ডিজিটাল ও ইট-সিমেন্ট উভয় ক্ষেত্রেই আধুনিক যোগাযোগ পদ্ধতি নিয়ে কজ করছে। আমাদের ভাষা প্রকাশনা কর্মসূচিও অন্য রকম হবে না।
এ কর্মসূচি এগিয়ে নিতে আপনারা কী ধরনের অবকাঠামো সৃষ্টি করেছেন? প্রতি বছর কতগুলো বই প্রকাশের পরিকল্পনা করছেন?
এ মুহূর্তে আমাদের একটা ছোট দল কর্মসূচির দেখভাল করছে। দলটির মাধ্যমে প্রথম বছর আনুমানিক ১০টি গ্রন্থ প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছি। প্রত্যেক বছর ১০-১৫টি বই যোগ করব। আশা করি, আমাদের প্রত্যাশামতোই কর্মসূচিটি চালু হবে। নতুন শিরোনামের দিকে নজর দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে বছর পরিক্রমায় অনুবাদের সংখ্যাও কমে আসবে।
ওইউপি কিছু বইয়ের বিপরীতে অগ্রিম দিতে শুরু করেছে, এটা খুশির খবর। এ নতুন কর্মসূচির অধীনে লেখকদের কি অগ্রিম দেয়া হবে?
হ্যাঁ, সম্ভাব্য পাঠক সংখ্যা ও প্রস্তাবিত কাজের মানের ওপর নির্ভর করে ইংরেজির পাশাপাশি আঞ্চলিক ভাষাগুলোয়ও অগ্রিম দেয়ার বেলায় আমরা উদার।
অ-ইংরেজি অনুবাদের বাজার জনাকীর্ণ ও প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠছে। পেঙ্গুইন র্যান্ডম হাউজ সম্প্রতি মানযুল ইন্ডিয়ার সঙ্গে হাত মিলিয়েছে এবং অ্যামাজনের এ সেগমেন্টের জন্য বিরাট বিনিয়োগ রয়েছে। ওদের সঙ্গে কীভাবে প্রতিযোগিতার পরিকল্পনা করছেন? আপনার ইউনিক সেলিংয়ের উপায়টি কী?
আমরা এমনই একটি ব্র্র্যান্ড, যার সঙ্গে বেশির ভাগ পাঠকই সম্পর্কিত। আমাদের একটি শক্তিশালী ব্যাকলিস্টও আছে। ব্যাকলিস্ট ও ফ্রন্টলিস্ট, দুটো থেকেই অনুবাদের পরিকল্পনা করছি আমরা। নতুন বইয়ের ক্ষেত্রে প্রকাশনা প্রক্রিয়া একই থাকছে। প্রকাশক হিসেবে ভারতীয় ভাষার শিরোনামের উন্নয়নে আমাদের হস্তক্ষেপ ও অবদান ইংরেজি প্রকাশনার মতোই অঙ্গীকারবদ্ধ। আমরা আমাদের আঞ্চলিক ভাষার গ্রন্থগুলো ধরন ও বিষয়বস্তু— উভয় দিক থেকে সহজলভ্য ও বৈচিত্র্যময় করে প্রিন্ট ও ডিজিটাল ফরম্যাটে সাধ্যের ভেতর নিয়ে যাওয়ার আশা করি। আমরা নিয়মরীতি মেনে এবং ব্যবসার নৈতিক বিধিবিধান অনুসরণ নিশ্চিত করে আঞ্চলিক ভাষার প্রকাশনায় পেশাদারিত্বের উচ্চতর মাত্রা যোগ করতে চাই। সুতরাং অনুবাদ এই ভবিষ্যত্মুখী কর্মসূচির একটি ছোট কিন্তু তার পরও গুরুত্বপূর্ণ অংশ হতে যাচ্ছে।
আপনাদের সূচনা তালিকার কিছু বই বিদেশী ভাষায় খুবই ভালো করবে। এ নিয়ে কোনো পরিকল্পনা?
আমাদের বইয়ের অনুবাদের অনুমোদন বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন ভাষায় বিক্রি করা হয়েছে। আমরা উপযুুক্ত বইয়ের ক্ষেত্রে এটা অব্যাহত রাখব।





