৭৯ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৪০ ফুট প্রস্থের হল। বাইরে ও ভেতরে কারুকাজ করা। হলের ভেতরে ক্যাশিয়ার ও নির্দেশনাদাতাদের ডেস্ক। পরিচিত ক্যাশ বিভাগ হিসেবে। সকালের দিকেই জায়গাটা কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে। গ্রাহকের চাপে কাজের গতি হয়ে পড়ে ধীর। ব্যাংকিং হল ও পার্শ্ববর্তী অফিসগুলোয় নোট ইস্যু করা হয়। আমানত নেয়া ও লেনদেনের কাজও চলে। পাশাপাশি বিভিন্নভাবে দেয়া হয় ঋণ। অষ্টাদশ শতাব্দীতে হেনরি ফিল্ডিংয়ের বর্ণনায় উঠে আসা থ্রেডনিডলে অবস্থিত ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের প্রশস্ত হলঘরটিই ছিল সে সময়ের ব্রিটিশ অর্থনীতির প্রাণ। সাধারণত লন্ডনের ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের দিন শুরু হয় খুব সকাল থেকেই। তাই সূর্যের গতির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে হলটাতে বাড়তে থাকত ভিড়। সরব হয়ে উঠত কয়েন, নোট, ড্রাফটের কাগজ এবং লেনদেন করতে আসা মানুষের কথার শব্দে।

আঠারো শতকের শেষ দিকে নতুন মুদ্রানীতি চালু করা হয়। ফলে খরচ কমার পাশাপাশি বেড়েছে পণ্য ও পরিষেবা লেনদেনের সক্ষমতা। দেশের সিংহভাগ স্বর্ণ তখন মজুদ থাকত ব্যাংক অব ইংল্যান্ডে। তার বদলে বাজারে ছাড়া হয়েছিল নোট। লন্ডনের বাজারগুলোয় দাপট ছিল সেসব নোটের। একচেটিয়া আধিপত্যে অনেকটাই কোণঠাসা ছিল অন্য ব্যাংক। অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষভাগে লন্ডনে ব্যাংকের সংখ্যা নেহাত কম ছিল না, কিন্তু অর্থনৈতিক ক্ষমতা ছিল মূলত ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের হাতেই। পরে সে প্রভাব আরো বেড়েছে, কমেনি। তার একটা বড় উদাহরণ হয়ে উঠতে পারে ক্যাশ বিভাগের কার্যক্রম। ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের ক্যাশ বিভাগের কাজ বিস্তৃত ছিল সরকারি ও বেসরকারি খাতজুড়েই। ব্যাংকের নোটগুলো তখন কেবল লেনদেনের মাধ্যম নয়। সরকার নির্ধারিত বাধ্যতামূলক কর আদায়ের ক্ষেত্রেও সেসব নোট ব্যবহার হতো। ইস্টইন্ডিয়া কোম্পানির মতো বাণিজ্যপ্রতিষ্ঠানের জন্য ছিল একাধিক অ্যাকাউন্ট। সরকারের সঙ্গে জনগণের লেনদেনের ক্ষেত্রেও ব্যবহার হতো ব্যাংক। সরকারি ঋণ ও নৌবাণিজ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রকার ফি নেয়া হতো ব্যাংকের মাধ্যমে। তার জন্য সরকারি বিভিন্ন বিভাগ ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান অ্যাকাউন্ট খুলে রাখত। অর্থ ব্যবস্থাপনার এ পর্যায় ব্রিটেনের অর্থনৈতিক ইতিহাসে রীতিমতো বিপ্লবের ভূমিকা পালন করেছে ব্যাংক অব ইংল্যান্ড।

১৭৮৩ সালে একটা তদন্ত পরিচালনা করা হয় ব্যাংকিং হলে। তার মাধ্যমেই সে সময়কার ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের সার্বিক একটা চিত্র উঠে আসে। তখন প্রধান ক্যাশিয়ার ছিলেন আব্রাহাম নিউল্যান্ড। নিউল্যান্ড ব্যাংক অব ইংল্যান্ডে যোগ দেন ১৭৪৮ সালে। যোগ দেয়ার সময় তার বয়স ছিল ১৮। সে অবস্থা থেকে ১৭৮২ সালের জানুয়ারিতে উন্নীত হন প্রধান ক্যাশিয়ার পদে। ব্যাংকের ক্যাশ বিভাগেই তখন মোট কর্মীর সংখ্যা ১২২। তার পরও এটি হিসাবরক্ষণ বিভাগের তুলনায় সামান্য ছোট। বড় বিভাগ হিসেবে হিসাবরক্ষণ বিভাগের কর্মী ১৭৮৩ সালে ছিল ১৯৫ জন। তবে ক্যাশ বিভাগের ব্যস্ততা ও চাপ ছিল উল্লেখ করার মতো। নিউল্যান্ড নিজেও ছিলেন পরিচিত মুখ। কারণ তার কার্যক্রম সরাসরি সরকার ও রাষ্ট্রের সঙ্গে। তার সময়ে ক্যাশ বিভাগ বেশকিছু উপবিভাগে বিভাজিত দেখা যায়। কিছু কর্মী অর্থ গ্রহণ ও প্রদান করত, তাদের বলা হতো ইনটেলারস। বিপরীতে আউটটেলার হিসেবে থাকা কর্মীরা গ্রাহকের সঙ্গে যোগাযোগ করে বাসা থেকে অর্থ গ্রহণ করত। ক্যাশ রাখার জন্য নিযুক্ত ছিলেন কয়েকজন কেরানি। কেউ কেউ নিযুক্ত হয়েছিলেন বিভিন্ন ধরনের ফি ও বিল গ্রহণের জন্য। একপাশে ছিল ডিসকাউন্ট অফিস, সেদিকটা সামাল দেয়ার জন্য ছিলেন কয়েকজন। সরকারি ঋণ ব্যবস্থাপনা এবং ভল্টের নজরদারির জন্য ছিলেন আলাদা কর্মী। এভাবে দায়িত্ব বিভাজিত হয়েছে ক্যাশ বিভাগের সামগ্রিক দলের মধ্যে। আকার থেকেই অনুমান করা যায় তাদের লেনদেনের পরিধি। তাদের পুরো কাজকে মোটাদাগে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়। সেগুলো হলো বিভিন্নভাবে অর্থ গ্রহণ করা, বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে অর্থ ইস্যু করা, পুঁজি সম্প্রসারণ, চলতি হিসাব, চলমান সব ধরনের কাজকে পর্যবেক্ষণে রাখা এবং বিভিন্ন রূপে হাতে আসা অর্থকে নিরাপদে সংরক্ষিত রাখা।

ব্যাংক ছিল সবসময়ই ব্যস্ত জায়গা। কেরানিদের নিজেদের মধ্যে এবং কেরানি ও গ্রাহকের মধ্যে যোগাযোগ ছিল সবসময়ের চিত্র। ফলে অনেকটা চাপের মধ্যেই কাজ করতে হতো তাদের। আমেরিকার স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় কেবল একদিনেই ব্যাংক অব ইংল্যান্ডে ১৯ হাজার ৫০০ নতুন অ্যাকাউন্ট খোলার দৃষ্টান্ত রয়েছে। অ্যাকাউন্ট ছাড়াও অন্যান্য ক্ষেত্রেও কাজের চাপ ছিল উল্লেখযোগ্য মাত্রায়। আর যেহেতু অধিকাংশ কাজ করা হতো হাতে, কাজের গতিও ছিল যথেষ্ট ধীর। উনিশ শতকের শেষ ভাগে টাইপ রাইটার ও বুক কিপিং ব্যবস্থা আসার আগ পর্যন্ত সব ধরনের কাজই হাতে করা হতো। এমন অনেক কাজও ছিল, যেগুলো কম্পিউটার আবিষ্কার হওয়ার আগ পর্যন্ত মানুষকে হাতেই করতে হয়েছে। ফলে কেরানিরা সবসময়ই একটা তাড়াহুড়ার মধ্যে থাকতেন। তাও সপ্তাহের ছয়দিনই। গ্রাহকের সুবিধার কথা বিবেচনা করেই সপ্তাহের ছয়দিন ব্যাংক খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল। লেনদেন চলত সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত। ব্যাংকের কর্মকর্তারা সাকল্যে ৫০টি সরকারি ছুটি উদযাপন করতে পারত। তার পরও ছুটির দিনগুলোয়ও অল্প কিছুসংখ্যক কর্মীকে রাখা হতো ব্যাংকে। সীমিত পরিসরে হলেও চলত পরিষেবা। বিখ্যাত ব্রিটিশশিল্পী থমাস রাউল্যান্ডসন ১৮০৮ সালে ভ্রমণ করেন ব্যাংকটিতে। সে অভিজ্ঞতা তিনি লিখে রেখে গেছেন। তার অভিজ্ঞতা অনুসারে, গ্রাহকরা হলে প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গেই ক্যাশিয়ারদের ডেস্ক দেখতে পারত। ডেস্কের পাশে দেয়ালে চিহ্নিত করা থাকত যার যা দায়িত্ব। এতে গ্রাহকের দ্রুত বুঝতে সুবিধা হতো। তারা চাহিদামতো ডেস্কে যোগাযোগ করত, এছাড়া আরো কিছু ডেস্ক ফেলে রাখা ছিল। কোনো কারণে গ্রাহকের নাম কিংবা ঠিকানা লেখার প্রয়োজন পড়লে তারা সেখানে লিখে নিত। ১৭৮২ সালেই ব্যাংক অব ইংল্যান্ড পুস্তিকা প্রকাশ করে। ব্যাংকের কার্যপ্রণালি ও গ্রাহকের জন্য ব্যবহারবিধি। সেখানে জনগণকে অবহিত করা হয়েছে, কীভাবে লেনদেন ব্যবসা কাজকর্ম সহজ, দ্রুত ও নিরাপদ হবে। প্রাত্যহিক জটিলতা দূর করতে কী কী করা যেতে পারে, সেটাও তুলে ধরা হয়েছে। ডেস্ক খুঁজে বের করার পাশাপাশি পাঠকদের জন্য রয়েছে নানা বিষয়ে পরামর্শ। 

হলঘরটি অনেক বড় ও অধিকাংশ সময় কোলাহলপূর্ণ ছিল। সেখানে কয়েকটি ভাষাতেও পরস্পর কথাবার্তা চলত। ফলে প্রমাণিত হয় বিভিন্ন অঞ্চলের গ্রাহক সেখানে ভিড় করত। ১৭৯০ সালে জেমস আডাইর বর্ণনা করেছেন হলঘরের আলো, আগুন ও মানুষের ব্যবহৃত সুগন্ধির কথা। এসেছে ঘাম, দীর্ঘশ্বাস ও ভিড়ের মধ্যে মানুষের অধৈর্য হয়ে ওঠার অভিজ্ঞতার কথাও। স্বাভাবিকভাবেই ভিড়ের কারণে পকেটমার ও চোরেরা সুযোগ নিত। এমন একটা উদাহরণ দেখা যায় ১৭৬৫ সালে। ব্যাংকের এক কেরানি জন হ্যাজার্ড সে সময় হলঘর থেকে পকেটমারের অভিযোগ আনেন আদালতে। কেরানিদের মতো অনেক গ্রাহকও চোরদের উৎপাত সম্পর্কে সম্যক অবহিত ছিলেন। তার পরও একটা দিক থেকে ব্যাংক হলে লেনদেন ছিল তুলনামূলকভাবে নিরাপদ। সেখানেই সারি সারি টেবিলে কয়েন কিংবা টাকা জাল কিনা তা পরীক্ষা করা যেত। জালিয়াতির মতো নানা ধরনের ফাঁদ থেকে সতর্ক করতে থাকে কর্তৃপক্ষ। সে সময় ক্ষতিগ্রস্ত কয়েন সহজে লেনদেন করা যেত না। বিষয়টি দেখাশোনা করতেন কেরানিরা। গভর্নর স্যামুয়েল বিচক্রফটের ডায়েরি থেকে দেখা যায়, ক্ষতিগ্রস্ত কয়েন নেয়ার কারণে কেরানি ফিডোকে ভর্ৎসনা করা হচ্ছে। ঠিক একই কারণে পরে ভর্ৎসনা করা হয় আরো তিন কেরানিকে। সতর্ক করে দেয়া হয় পরবর্তী সময়ে এমন ভুল করলে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হতে পারে। অবশ্য অত্যধিক তাড়াহুড়া, শব্দ ও উদ্বেগপূর্ণ পরিস্থিতিতে সবসময় এটা মানা সম্ভব হয়ে উঠত না। তার পরও ক্যাশ বিভাগ লেনদেনকে স্পষ্ট রাখার চেষ্টা করেছে। যেসব কোম্পানি থেকে ক্ষতিগ্রস্ত ও জাল মুদ্রা আসত, তাদের সতর্ক করে দেয়া হতো নানাভাবে।

যেহেতু ক্যাশ বিভাগের প্রত্যক্ষ সম্পর্ক গ্রাহকের সঙ্গে, ফলে গ্রাহকের সঙ্গে লেনদেনে কর্মীদের জন্য স্পষ্ট নির্দেশনা ছিল। জোর দেয়া হতো গ্রাহকের প্রতি সদ্ব্যবহারের। পরিষেবার মান ও কেরানিদের ব্যবহারের কারণেও গ্রাহকের মাঝে ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে। কিন্তু এর একটা নেতিবাচক প্রতিক্রিয়াও দেখা দেয় দ্রুত। মাঝে মাঝেই গ্রাহক উপঢৌকন পাঠাত। ব্যাংক অব স্কটল্যান্ড প্রতি বছর ৬০ পাউন্ড পাঠাত। সাধারণ গ্রাহকের মধ্যেও উপঢৌকন পাঠানোর প্রবণতা তৈরি হয়। উপঢৌকন পাওয়া কর্মীদের প্রত্যাশাকে বাড়িয়ে দেয়। ফলে যে গ্রাহক উপঢৌকন পাঠাত না, তাদের সঙ্গে ব্যবহার সুবিধাজনক হতো না। বিষয়টা বিবেচনায় নিয়ে কর্তৃপক্ষ সব ধরনের উপঢৌকনকে নজরদারির মধ্যে আনে। এদিকে দিনের বিশেষ সময়ে প্রতারক চক্রেরও উৎপাত ছিল লক্ষণীয়। বিশেষ করে যে সময়টায় কর্মীরা খেতে যেতেন। দুপুরের খাওয়ার সময়ে খুব অল্পসংখ্যক কেরানি থাকত ডেস্কে। একইভাবে বন্ধের দিনগুলোয় থাকত অল্পসংখ্যক। সে সুযোগটাকে ব্যবহার করতে চাইত প্রতারক চক্র। সংকটটিকেও পরবর্তী সময়ে চিহ্নিত করে মোকাবেলার উদ্যোগ নেয়া হয়। কিছু দৃশ্যমান পরিবর্তন আসেও।

বেলা ১১টার দিকেই ব্যাংকে বিশাল জমায়েত হয়ে উঠত। পুঁজিবাজারের লেনদেন এবং তার নিবন্ধন হতো হলের ভেতরেই। সরকারি ও ব্যাংক শেয়ারের মালিকরা যোগাযোগ করতেন শেয়ার কিনতে ইচ্ছুক ব্যবসায়ীর সঙ্গে। সেক্ষেত্রে সরাসরি কিংবা আইনজীবীর মাধ্যমে যোগাযোগ করা ছিল বাধ্যতামূলক। সকাল থেকে শুরু করে প্রায় ১টার দিকে তাদের লেনদেন শেষ হতো, তারপর বন্ধ হয়ে যেত ডেস্ক। লন্ডনে আঠারো শতকের পুঁজিবাজার পরিস্থিতি নিয়ে লিখেছেন থমাস মর্টিমার। ব্যাংকের নথিতেও উল্লেখ রয়েছে লেনদেন প্রসঙ্গ। আঠারো শতকে পরপর কিছু সংঘাতের কারণে ইংল্যান্ড ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জাতীয় ঘাটতি নিয়ে তৈরি হয় আশঙ্কা। ট্যাক্স তখনো চাহিদার অনুপাতে ওঠেনি। আমেরিকার স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় ঘাটতি পূরণের জন্য ট্যাক্স থেকে আসা তহবিলের আকার ছিল ২০ লাখ পাউন্ড। অথচ প্রত্যাশিত আকার ধরা হয়েছিল ৪৫ লাখ পাউন্ড। নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশ। সরকারি ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো বাধ্য হয়ে গ্রাহকের জন্য সুদহার কমিয়ে আনতে বাধ্য হয়। ঠিক সে মুহূর্তেও ব্যাংক অব ইংল্যান্ডই ছিল অভিভাবক। পুঁজিবাজারে তার প্রভাব ছিল অনেকটাই একচেটিয়া। এক্ষেত্রে নতুন যে সংকট তৈরি হয়নি, তাও না। যেহেতু ব্যাংক আর পুঁজিবাজারের মধ্যকার ব্যবধান ক্রমেই ঝাপসা হতে থাকে। কয়েকজন কেরানি সুযোগ নিতে শুরু করে এটা থেকে। তারা ব্যাংকে চাকরির পাশাপাশি পুঁজিবাজারে ব্রোকার হিসেবে কাজ করতে শুরু করে। শিগগিরই ব্যাংকের নজরে পড়ে এর নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া। তারা এর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। নীতিনির্ধারকদের হস্তক্ষেপই ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের ক্যাশ ও অভ্যন্তরীণ কাজকর্ম ব্রিটেনের অর্থনীতির মেরুদণ্ডে পরিণত হয়। ক্যাশিয়াররা সরাসরি গ্রাহকের সঙ্গে যোগাযোগ করত। যোগাযোগ করত রাষ্ট্রপক্ষ ও বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে। ফলে ব্যাংক আবির্ভূত হয় গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে।

আহমেদ দীন রুমি: লেখক