কৃষিকাজ, ব্যবসা-বাণিজ্যের বাইরে কালে কালে বাংলার মানুষ বিভিন্ন ধরনের বৈচিত্র্যময় পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিল। আধুনিক বাংলাদেশে পুরনো দিনের অনেক পেশাই হারিয়ে গেছে। কিছু পেশা হয়তো টিকে আছে, কিন্তু পুরনো সেই নাম আর নেই। এসব পেশা তত্কালে সামাজিক শ্রেণী, জাত-পাত, ধর্ম দিয়ে নির্দিষ্ট ছিল। হিন্দু ও মুসলমান সম্প্রদায়ের মধ্যে যেমন পেশার ভিন্নতা ছিল, আবার একই ধর্মের বিভিন্ন শ্রেণী, জাতের মানুষের পেশাও ভিন্ন ছিল।
ইউরোপীয়দের ভাষায় ‘নাচ গার্ল’, সহজ বাংলায় নর্তকী বা বাইজি। ঔপনিবেশিক আমলে দুই শতক ধরে এ নর্তকীরা বাংলা কিংবা ভারতবর্ষের বিভিন্ন প্রান্তে বাস করা ইউরোপীয়দের মন্ত্রমুগ্ধ করে রেখেছিল। ইউরোপীয় পর্যবেক্ষকদের অগণিত জার্নাল, ভ্রমণবৃত্তান্ত, স্মৃতিকথা, ডায়েরিতে পেশাদার নর্তকী ও তাদের নাচ সম্পর্কে বিবরণ রয়েছে। পেশাটা যে জাঁকিয়ে বসেছিল, তাতে আর সন্দেহের অবকাশ ছিল না। বাংলায় ইংরেজ বণিকদের বাংলোয় বিনোদন কিংবা উৎসবের অবিচ্ছেদ্য উপাদানে পরিণত হয়েছিল পেশাদার নর্তকীদের নাচ। উনিশ শতকের প্রথমভাগে কলকাতায় বাস করা, বিশিষ্ট শিল্পী মিসেস এস সি বার্নোজ কলকাতার দুর্গাপূজায় নাচের আসরের জীবন্ত বর্ণনা দিয়েছেন, ‘জাঁকজমকপূর্ণ হলে প্রবেশ করেই আলো, দেয়ালের রঙ, পিতলের মোমবাতিদানির দীপ্তিতে আমার চোখ ঝলসে গেল। দারুণ কাচের খিলান, চিত্রকর্ম, সোফা, চেয়ার, তুর্কি কার্পেট প্রভৃতি এ জমকালো হলটিকে সজ্জিত করেছিল। এর সঙ্গে বাজছিল বিভিন্ন ধরনের সংগীত— ইউরোপীয় ও ভারতীয় উভয়ই। ... নর্তকীদের ঝলমলে পোশাক, তাদের ধীর কিন্তু মাধুর্যপূর্ণ নাচ...।’ বার্নোজসহ ইউরোপীয় চিত্রশিল্পীরা যত্ন করে এঁকেছেন নর্তকীদের চিত্র। চার্লস ডয়েলি ১৮১০ সালে কলকাতার দুর্গাপূজায় নর্তকীর নাচের ছবি এঁকেছেন। একটা বিষয় খোলাসা হওয়া প্রয়োজন, নর্তকীরা সে আমলে বাংলাসহ ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলেই জনপ্রিয় ছিল। অনেক সময় তাদের পরিচয় নিয়ে কিছু বিভ্রান্তি দেখা যায়। নর্তকীরা কোনো অবস্থাতেই ডোমনি, কসবি, রাণ্ডি, তাওয়ায়েফ, নচি বা দেবদাসী ছিলেন না। তারা একেবারেই ভিন্ন একটি সম্প্রদায়। জেমস ফোর্বস (১৭৪৯-১৯১৯) তার ওরিয়েন্টাল মেমোয়ারসে নর্তকীদের সম্পর্কে লিখেছেন, ‘তারা অত্যন্ত কমনীয়... তাদের চালচলন অত্যন্ত শালীন, যা অন্য দেশের একই ধরনের পেশার নারীদের চেয়ে একেবারে ভিন্ন।’
মধ্যযুগে বাংলার মুসলিম সমাজেও অভিনেত্রী ও নতর্কীদের দিয়ে অনুষ্ঠানের প্রচলন ছিল। সম্ভ্রান্ত ব্যক্তিরা তাদের বাসায় ভোজের আয়োজন করলে মেহমানদের বিনোদনের জন্য অভিনেত্রী ও নর্তকীদের অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করত। চৈনিক সূত্র থেকে জানা যায়, অভিনেত্রীরা পুষ্পখচিত নকশা করা রেশমি কাপড় পরত। এক চীনা দূত বাংলার সংগীত ও নৃত্যকলার দারুণ প্রশংসা করেছেন। তার কথায়, ‘সুরাপান ও ভোজানুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত করে তুলতে বাঙালিরা ছিল সুগায়ক ও নৃত্যপটিয়সী।’
চীনা সূত্র থেকে সুলতানি আমলে বাংলায় পেশাদার সংগীত শিল্পীদের উল্লেখ পাওয়া যায়। তারা সম্ভ্রান্ত ও ধনী ব্যক্তিদের ভোরে ও মধ্যাহ্নে গান এবং বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে শোনায়। মহুয়ান বলেন, ‘সেখানে (বাংলায়) আরেক শ্রেণীর সংগীত শিল্পী রয়েছে, এরা প্রতিদিন ভোর ৪টার সময় উচ্চপদস্থ রাজকর্মচারী ও ধনী ব্যক্তিদের গৃহে গমন করে; কেউ তুরী যন্ত্র বাজায়, কেউ ক্ষুদ্র ঢোল বাজায় এবং কেউবা একটু বড় ধরনের ঢোল বাজায়। আরম্ভ করার সময় তাদের কণ্ঠ থাকে মন্থর; ধীরে ধীরে তাদের কণ্ঠ বাড়তে থাকে, তারপর একসময় সহসা সংগীত থেমে যায়। এভাবে তারা প্রতি গৃহে গৃহে গমন করে। খানাপিনার সময় আবার তারা সেসব গৃহে উপস্থিত হয়; এ সময় তারা খাদ্যসামগ্রী বা টাকা-পয়সা উপহার পেয়ে থাকে।’
ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক আমলে মুসলিম সমাজে এ সংগীত শিল্পীরা সমাজের একেবারে নিচুতলার মানুষ ছিল। ধর্মীয় তত্ত্বে জাতপাতের বিধান না থাকলেও মুসলিম সমাজে শ্রেণী-পেশার ভিত্তিতে সামাজিক অবস্থানের যথেষ্ট বিভাজন ছিল। জেমস ওয়াইজ তার নোটস অন দ্য রেসেস, কাস্টস অ্যান্ড ট্রেডস অব ইস্টার্ন বেঙ্গল গ্রন্থে লিখেছেন, ‘পূর্ববঙ্গের মুসলমান সংগীতকারদের স্থান সমাজের নিচুতলায়। পূর্ববঙ্গের মুসলমান সংগীতকার হলেই সে হবে দাইয়ের স্বামী কিংবা সে হবে নাপিত (হাজাম)। তায়ফদার নামে পরিচিত বাদক দলে বাইজিরা থাকত। এবং এরা অতি অবশ্যই মুসলিম সম্প্রদায়ের ছিলেন।’
সময় নির্দেশের জন্য ভারতবর্ষে নাকাড়াবাদকদের প্রচলন ছিল। এরা প্রতি ঘণ্টায় নাকাড়াসহ আর কিছু বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে সময়ের জানান দিত। একসময় নাকাড়াবাদকরা মূলত হিন্দু সম্প্রদায়ের হলেও পর মুসলমানদের মধ্যেও এ পেশার প্রচলন হয়। ওয়াইজ লিখেছেন, ‘আগেকার কালে নাকাড়াবাদকরা ছিল চামার। আজকাল নিম্নশ্রেণী মুসলমানরা বাজুনিয়া হয়েছে। এরা আবার গোঁড়া ফরাজি। সমাজে এদের স্থান এতই নিচে যে, অন্যরা এদের সঙ্গে বিয়ে-শাদি দেয় না কিংবা একসঙ্গে খাওয়া-দাওয়া করে না।’
মধ্যযুগের বাংলা বা মুসলিম শাসনামলে বাংলার মধ্যবিত্ত মুসলমানদের পেশার মধ্যে ছিল নিম্নপদস্থ কর্মচারী, কেরানি, চিকিৎসক, শিক্ষক, ধর্মপ্রচারক, কবি, সংগীত শিল্পী প্রভৃতি। বাংলার বণিকরা বেশ ধনী ছিল। বিদেশী পরিব্রাজকরা এর সাক্ষ্য দিয়ে গেছেন। নিম্নবিত্ত মুসলমানরা ছিলেন কৃষক, ছোট কারগির, শ্রমিক। তবে কৃষির চেয়ে মুসলিম সমাজে সরকারের কেরানি, পাইক, পেয়াদার কাজ জনপ্রিয় ছিল।
মধ্যযুগ থেকেই বাংলায় দর্জির কাজে মুসলমানদের আধিপত্য তৈরি হয়। হিন্দুরাও মুসলমান দর্জিদের কাছে পোশাক তৈরি করত। কৃষ্ণদাস কবিরাজ লিখেছেন: যবন (মুসলমান) দর্জি শ্রীবাসের কাপড় সেলাই করে (শ্রীচৈতন্যের জনৈক শিষ্য)। মুকুন্দরামের চণ্ডীমঙ্গল কাব্যেও মুসলমান দর্জিদের কথা উল্লেখ আছে।
মধ্যযুগে সুতি বস্ত্র ছিল বাংলার গুরুত্বপূর্ণ শিল্প। মুসলিম তাঁতিদের দক্ষতার বিবরণ পাওয়া যায় অনেক সূত্রে। আবার তাঁতিদের জন্য তাঁতযন্ত্র তৈরি করাটাও জনপ্রিয় পেশা ছিল। এদের বলা হতো সানকর। সানকরদের সে যুগে বেশ চাহিদা ছিল। কারণ বাংলার তাঁত শিল্প তখন বেশ রমরমা।
ইতিহাসবিদ এম. এ. রহিমের মতে, বাংলায় কাগজ প্রচলন করে মুসলমানরা। মুসলমানদের মধ্যে কাগজ তৈরি একটি স্বতন্ত্র পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত ছিল, কাগজ তৈরির এ কারিগররা ‘কাগচা’ (কাগজিয়া) নামে পরিচিত ছিল। কাগজ সহজলভ্য হওয়ায় পুস্তক নকলের রীতিও জনপ্রিয়তা পায়। জ্ঞানচর্চার জাগরণ এবং কাগজের ব্যবহার সমান্তরালে এগিয়েছে। তাই সে সময় ‘কাগচা’ কারিগররা সমাজে বেশ সম্মান পেত।
মধ্যযুগে মুসলমান সমাজে একটি কৌতূহলোদ্দীপক পেশার দেখা পাওয়া যায় যার নাম ‘পিঠারী’। এরা পিঠা ও রুটি তৈরি করে বিক্রি করত। সে যুগে মুসলিম মত্স্য ব্যবসায়ীদের বলা হতো ‘কাবারী’। পরবর্তীতে নাম বদলে বাংলার মত্স্য ব্যবসায়ীদের পরিচিতি হয় ‘মাহীফারুশ’।
ইতিহাসবিদ এম.এ. রহিম মুসলিম হাজামদের কথা উল্লেখ করেছেন। মুসলমান সমাজে যারা খতনা করাত, তারা ‘হাজ্জাম’ নামে পরিচিত। মধ্যযুগের বাংলায় এ পেশাজীবীরা বেশ ব্যস্ত সময় পার করত। মুকুন্দরামের কথায় হাজ্জামরা তাদের কাজে এত ব্যস্ত থাকতেন যে, খুব একটা বিশ্রামের সুযোগ পেতেন না। পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে এমএ রহিমের মত : ‘এ থেকে প্রমাণিত হয় যে, বাঙ্গালি সমাজে মুসলমানদের মধ্যে জন্মের হার খুব বেশি ছিল এবং এর ফলে এই প্রদেশে মুসলিম জনসংখ্যা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পায়।’
মধ্যযুগ পেরিয়ে ঔপনিবেশিক আমলে বাংলার মানুষের পেশার হদিস করতে ঢাকার ইংরেজ সিভিল সার্জন জেমস ওয়াইজের নোটস অন দ্য রেসেস, কাস্টস অ্যান্ড ট্রেডস অব ইস্টার্ন বেঙ্গল মূল্যবান আকর গ্রন্থ। এ গ্রন্থে তত্কালীন পূর্ববঙ্গের হিন্দু ও মুসলমানদের পেশার বিশদ বিবরণ পাওয়া যায়।
নিম্ন বর্ণের হিন্দু যারা ধর্মান্তরিত হয়ে মুসলমান হয়েছিল, তাদের মধ্যে বহুরূপীদের দেখা মিলত। বহুরূপীরা মূলত অন্য কোনো মানুষ বা পুরাণের কোনো চরিত্রের অনুকরণে সেজে নাচগান করত। মুসলিম অধ্যুষিত গ্রামে মেথরের কাজ করত যে মুসলমানরা, তারা পরিচিত ছিল বেলদার নামে। হুকা, খাটের পায়া, কড়াই ইত্যাদির ওপর ধাতুর কারুকাজ করত বিদরি পেশার মুসলমানরা। ঢাকার বিদরিসাজদের ধারণা ছিল যে, তারা পূর্ণিয়া থেকে পূর্ববঙ্গে এসেছিল। আফিমখোর মুসলমানরা চণ্ডুওয়ালা নামে পরিচিত ছিল। এক্ষেত্রে সেবনকারীরা এ নামে পরিচিত হলেও ধারণা করা যায়, এ আফিমের ব্যবসায় জড়িতরাও হয়তো চণ্ডুওয়ালা নামে পরিচিত ছিল। তালের পাখা বা বাহারি পাখা প্রস্তুতকারীদের চওনির-ওয়ালা নামে ডাকা হতো। কাচের মালা তৈরি করত চুড়িওয়ালারা।
জেমস ওয়াইজ জানাচ্ছেন, ভারতে গো-চারণের সঙ্গে যুক্ত হিন্দুরা ছিল আহির বা আবহির জাতের। এরা ছিল গোয়ালাদের চেয়ে উচ্চশ্রেণীর। আহিরদের একটি বিশেষ শাখা ছিল গৌড়ীয়রা। কলকাতায় এরা পালকিবাহক আর যশোরে পেশাদার লাঠিয়াল হিসেবে কাজ করত। তারের সূক্ষ্ম কাজ করত বাদলাগররা। এরা কাপড়ে রুপার সূক্ষ্ম সাজ তৈরি করত। এরা জরি ও চুমকিও তৈরি করত। হিন্দুদের একটি পেশাজীবী গোষ্ঠী বাংলায় আরবি শব্দ ‘বাক্কাল’ নামে পরিচিত ছিল। এরা হচ্ছে মসলা ব্যবসায়ী। এরা ভ্রাম্যমাণ এবং ঘুরে ঘুরে হলুদ, আদা, লতা-পাতা ও নানা রকম আচার বিক্রি করত। এরা নিজেদের সমাজের বাইরে বিয়ে করতে পারত না এবং অন্য কারুর বাড়িতে খাবার গ্রহণ করতে পারত না। বা-বাজিয়ারা চুড়ি, নাকের নথ, পুঁতি, চন্দন কাঠের চুকরো প্রভৃতি বিক্রি করত। এরা বাঁদরের নাচ দেখায়, নানা রকম শারীরিক কসরত দেখায়। বাজিগর বা ভানুমতী তো বেশ বিখ্যাত একটি পেশা। সেকালে পূর্ববঙ্গের হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে একটি বিশেষ পেশাজীবী গোষ্ঠী ছিল, যারা ‘মাল’ নামে পরিচিত ছিল। তার নিজেরা বলত যে, তারা ছিল ঢাকার নবাবের মল্ল বা কুস্তিগীর। এরা মূলত দাঁতের পোকা তুলতেন। এটাই ছিল তাদের পেশা, তাই তারা পোকাওয়ালা নামেও পরিচিত ছিল। এরা ভবঘুরে। ভুঁইহার ব্রাহ্মণের আদি ইতিহাস জানা যায় না। তারা পূর্ববঙ্গে পুলিশ, পাহারাদার ও লাঠিয়ালের কাজ করত। এদের উপাধি ছিল ভুঁইহার, গৌতম ও ঠাকুর— এগুলো সমমর্যাদার। আর সাধারণ উপাধি ছিল রায়, সিংহ, সিং, পাণ্ডে, তেওয়ারি ও চৌবে। শীতল পাটি বাংলার বিখ্যাত সৃষ্টি। এ পাটি বানানোর কারিগররা ছিল একটি নির্দিষ্ট পেশাজীবী সম্প্রদায়ের অন্তর্গত। এদের বলা হতো পাটিয়াল। বিক্রমপুরে ছিল পাটিয়ালদের প্রধান কেন্দ্র। এরা সবাই ছিলেন বৈষ্ণব।
পূর্ববঙ্গের অদ্ভুত এক সম্প্রদায় ছিল শিলারিরা। সেকালের মানুষ বিশ্বাস করত এ শিলারিরা বৃষ্টির সময় শিল পড়া বন্ধ করতে পারত। জেমস ওয়াইজ লিখেছেন, ‘আজব এক সম্প্রদায়। সংস্কৃত শিলা শব্দ থেকে এদের নাম উদ্ভূত। আকাশ থেকে শিল পড়া বন্ধ করতে নির্ভর করা হয় এদের ওপর। ...বাংলাদেশের বোরো ধান হয় মার্চ-এপ্রিল মাসে। তখন ভাটি অঞ্চলে বৃষ্টি নামানোর কাজে নিয়োজিত করা হয় শিলারিকে। ঝড়ের আশঙ্কা দেখা দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে শিলারিকে ডাকা হয়। সে তখন অর্ধনগ্ন অবস্থায় ছুটে আসে। ডান হাতে লাঠি। তারপর একটু উঁচু একটি ঢিবির ওপর দাঁড়িয়ে আকাশের দিকে দণ্ড উঁচিয়ে ধরে ঈশ্বরকে ডাকতে থাকে। তার লাঠির দিকনির্দেশনা থেকে বোঝা যায় ঝড় কোন দিক থেকে আসবে।’
সূত্র:
বাংলার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাস, ডক্টর এম. এ. রহিম, বাংলা একাডেমি
পূর্ববঙ্গের বিভিন্ন জাতি, বর্ণ ও পেশার বিবরণ, জেমস ওয়াইজ (অনুবাদ: ফওজুল করিম), সুবর্ণ






