প্রাণিজ তন্তু বা ফাইবারের একটি বিশেষত্ব হলো এটি অন্যান্য ফাইবারের তুলনায় অনেক সূক্ষ্ম, কোমল ও দীপ্তিময়। এমনটা আর অন্য কোনো ফাইবারে পাওয়া যায় না। পণ্যে কোমলতা ও দীপ্তি যুক্ত করার পাশাপাশি হেয়ার ফাইবার বা পশম থেকে পাওয়া ফাইবারের কিছু ক্ষেত্রে বিশেষ হওয়ার সম্ভাব্যতা রয়েছে। তার একটি হলো এটি বেশ দুর্লভ। জলবায়ু ও জিনগত বৈশিষ্ট্যের কারণে এ ফাইবার বেশি পরিমাণে তৈরি করা কঠিন, ফলে সেটা দুর্লভই থেকে যায়।
প্রাণিজ
তন্তুর পোশাকে উষ্ণতা যুক্ত করার সক্ষমতা রয়েছে, কিন্তু তাতে পোশাকে কোনো বাড়তি ভার যুক্ত হবে না। পশমিনা এমনই একটি ফাইবারের নাম। পশমিনা হচ্ছে সবচেয়ে সুন্দর প্রাণিজ তন্তু, যেটা গৃহপালিত ছাগলের লোম থেকে গ্রহণ করা হয়। তবে অভাবটা তৈরি হয় এ কারণেই যে এসব অনেক বেশি পরিমাণে তৈরি করা সম্ভব না।
সারা
বিশ্বে বছরে মোট পশমিনা ফাইবার উৎপাদন হয় ১০-১৫ হাজার টন। সবচেয়ে বেশি এ ফাইবার তৈরি হয় চীন, মঙ্গোলিয়া, ইরান, আফগানিস্তান, পাকিস্তান, নেপাল ও ভারতে। এসব দেশের বাইরে অস্ট্রেলিয়া, ব্রিটেন ও নিউজিল্যান্ডও এ কাশ্মীরি ফাইবারটি তৈরি করে। যদিও বিভিন্ন দেশে তৈরি হওয়া আলাদা আলাদা ফাইবারগুলোর মান মোটেও একরকম নয়। পশমিনা ফাইবারের সবচেয়ে বড় উৎপাদক দেশের নাম চীন। অন্যান্য দেশে উৎপন্ন হলেও ভারত তথা কাশ্মীরের ফাইবার সবচেয়ে উত্কৃষ্ট মানের।
ভারতের
ফাইবার আসে পশমিনা উৎপাদনকারী ছাগলের দুটি জাত থেকে। ভারতে দেখা মেলা এ ছাগল দুটির একটির নাম চাংথাঙ্গি এবং অন্যটির নাম চেগু। চাংথাঙ্গি জাতের ছাগল সাধারণত জম্মু ও কাশ্মীরের লাদাখ অঞ্চলে পাওয়া যায়। অন্যদিকে চেগু জাতের ছাগলগুলোর দেখা মেলে হিমাচল প্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ডের উত্তরকাশি, ছামোলি ও পিথোগার অঞ্চলে। প্রতি বছর ভারতের প্রায় দুই লাখ ছাগল থেকে ৪০-৫০ টন পশমিনা পাওয়া যায়। লোম থেকে পাওয়া এসব পশমিনার মূল্যমান ৩৫ কোটি ভারতীয় রুপি। আর সেই ফাইবার থেকে শাল তৈরির পরে সেটার মূল্যমান আরো বেড়ে গিয়ে দাঁড়ায় ২০০ কোটি রুপিতে। চাংথাঙ্গি অঞ্চলটি সমুদ্রতল থেকে তিন থেকে পাঁচ হাজার মিটার ওপরে অবস্থিত। খুব কম আর্দ্রতা ও বৃষ্টিপাতের কারণে অত্যন্ত শুষ্ক এ অঞ্চল। এ অঞ্চলে তাপমাত্রা কখনো থাকে মাইনাস ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, আবার কখনো প্লাস ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ভারতীয় পশমিনার সবচেয়ে বড় অংশ তৈরি করে চাংথাঙ্গি অঞ্চল।
পশমিনা
ফাইবারটি শাল তৈরিতে ব্যবহার করে শুধু ভারতই। বিশেষ করে কাশ্মীর অঞ্চলে শাল তৈরি করা হয় সবচেয়ে বেশি। পশমিনা ফাইবার থেকে যে কাপড়টি তৈরি হয় সেটা হাতে কাটা বা হাতে বোনার মাধ্যমেই তৈরি করা হয়। পশমিনার পুরো কার্যক্রমে বাছাই, স্পিনিং, বুনন ও ডায়িংয়ে অনেক অনেক শ্রমিক যুক্ত থাকেন। খুবই জটিলভাবে ও অনবদ্য ডিজাইনে পশমিনা থেকে তৈরি করা হয় শাল। স্থানীয় স্টিকসের (কানি) ব্যবহারে হাতে চালানো তাঁতে যে শালটি বানানো হয় সেটার নাম কানি শাল। সব মিলিয়ে এখন পশমিনা শাল তাদের অনবদ্য ধরনের জন্য পেয়েছে জিওগ্রাফিক্যাল ইন্ডিকেশন (জিআই)। কাশ্মীরে যেসব পশমিনা পণ্য তৈরি করা হয় সেগুলো মূলত রফতানিনির্ভর এবং এসবের দামও থাকে খুবই বেশি। বিশেষ ডিজাইন ও এমব্রয়ডারির কাজ করা পশমিনা শালের দামও তেমন। ভারতীয় বাজারে একটি পশমিনা শালের মূল্য হতে পারে ১০-৫০ হাজার রুপি, আন্তর্জাতিক বাজারে সেটার দাম আরো বেশি।
আকর্ষণীয়
দেখতে এবং এর অসাধারণ মানের জন্যই পশমিনা ফাইবার, ভেড়া থেকে পাওয়া ফাইবারের তুলনায় কিছুটা আলাদা। গড়ে সাধারণ ফাইবারের সূক্ষ্মতা ১২-১৩ মাইক্রোমিটার। সৌন্দর্য ছড়িয়ে থাকে ৯-২০ মাইক্রোর ভেতর। সাধারণত কোনো ফাইবারের দৈর্ঘ্য নির্ভর করে এর উৎস, মূল ও মানের ওপর, গড়ে ফাইবারের দৈর্ঘ্য হয় ৫৫-৬০ মিলিমিটার। তবে এ গার্ড হেয়ারের দৈর্ঘ্য ২৫ থেকে ৯৩ মিলিমিটার হতে পারে। কাপড় উৎপাদনের সময় ভালোভাবে ঘোরানোর জন্য এ গার্ড হেয়ার ভালোভাবে আঁচড়ানো বা বাছাই করা দরকার হয়।
পশমিনা
ফাইবার বিভিন্ন ঘরানার পণ্য উৎপাদনে ব্যবহূত হয়। এটা থেকে নিটওয়্যার, স্কার্ফ, কম্বল, হাতের গ্লাভস, হ্যাট, বোনা কাপড় ও কোট তৈরি করা হয়। যদিও ভারতে পাওয়া বেশির ভাগ পশমিনাই মূলত শাল তৈরিতে ব্যবহূত হয়, বিশেষ করে কাশ্মীর ভ্যালিতে।
বসন্তকালে
ছাগলগুলোর যখন পশম ছেড়ে দেয়ার মৌসুম চলে তখনই কাঁচা পশমিনা (অর্থাৎ পশম) সংগ্রহ করা হয়। এ সময়ে সাধারণত প্রাণীগুলো তাদের আন্ডারকোট ঝেড়ে ফেলে। আবহাওয়া পরিস্থিতি ও অঞ্চলের ভিত্তিতে ছাগলগুলোর এই পশম ছাড়া কার্যক্রম চলে ফেব্রুয়ারি থেকে মে মাসের শেষ পর্যন্ত। ভারতে বিশেষ ধরনের চিরুনি ব্যবহার করে আঁচড়েই এসব পশমিনা সংগ্রহ করা হয়। পশমিনা সংগ্রহ করার পরে হাত দিয়ে সেসব পুরো পরিষ্কার করার চেষ্টা করা হয় যেন কোনো ধরনের দূষণ যেমন বালি বা ধুলা থাকলে তা সরে যায়। এই ধুলা ঝাড়ার সময়েও কিছুটা পশমিনা নষ্ট হয়, সেটার পরিমাণ ১০ থেকে ২০ শতাংশ।
আবার
ছাগলগুলোকেও তাদের গায়ের রঙের ভিত্তিতে আলাদা করা হয়। পশমিনা ফাইবারের প্রাকৃতিক রং সাদা, বাদামি ও ধূসরের মিশ্রণ এবং বাদামি। সাদা রঙের লম্বা লম্বা ফাইবারের দাম অনেক বেশি হাঁকা হয়। কারণ যেকোনো পণ্য তৈরির সময় লম্বা ফাইবারগুলো ঘোরানো সহজ হয়। রঙ ও ফাইবারের দৈর্ঘ্য ছাড়াও ডাউন ফাইবার শতাংশের ভিত্তিতেও এ ফাইবারগুলোর মান নির্ধারণ করা হয়। ফাইবারটির দাম নির্ভর করে তার আকর্ষণীয় দর্শন, দৈর্ঘ্য, রঙ ও ডাউন ফাইবার উপাদানের ওপর। ভারতে পশমিনা সংগ্রহের বিষয়টি চাংথাঙ্গি পশমিনা উৎপাদনকারী অ্যাসোসিয়েশন লেহ লাদাখের মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয়। তার মধ্যে খুবই কম পরিমাণ ব্যবহূত হয় স্থানীয়ভাবে। পরে এ ফাইবারের একটি বড় অংশ শ্রীনগর ও কুল্লু ভ্যালিতে ব্যবহার করার জন্য পাঠানো হয় বা বিক্রি করা হয়। ভারতে কাঁচা পশমিনা ফাইবারের দাম সূক্ষ্ম ক্রসবেড ফাইবারের দামের তুলনায় ৩০-৪০ গুণ বেশি। পরিচ্ছন্ন, উজ্জ্বল ও আঁশ সরিয়ে ফেলা পশমিনার দাম সাধারণত পরিচ্ছন্ন সূক্ষ্ম উলের তুলনায় ৩০-৪০ গুণ বেশি হয়। ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র আঁশ থাকার বিষয়টা এ ফাইবারের ওপর খুব নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
ফাইবারের
আঁশ সরিয়ে ফেলা বা ডিহেয়ার করাটা পশমিনা উৎপাদন প্রক্রিয়ার একটি অংশ, এর মাধ্যমে সূক্ষ্ম ফাইবারের বাইরের আবরণ সরিয়ে ফেলে ভেতরের আবরণ বের করে আনা হয়। কাঁচা ফাইবারে সাধারণত ৫০-৬০ শতাংশ আঁশ জাতীয় লোম বা গার্ড হেয়ার থাকে। এ লোমটি খুবই ঘন হয় সেটা ৫০ থেকে ১০০ মাইক্রো ডায়ামিটারের হতে পারে। সেটা দিয়েই ১০ থেকে ১৩ মাইক্রো ডায়ামিটারের ফাইন ডাউন ফাইবার ঢাকা থাকে। প্রসেসিংয়ের আগে এ আঁশগুলো সরিয়ে ফেলা হয়। যেন ফাইবার ভালোমতো ঘোরানো এবং ভালো মানের পণ্য উৎপাদন করা সম্ভব হয়। যদি সূক্ষ্ম ফাইবারে ৫ শতাংশও আঁশ থাকে, তবে সেটা দেখতে, হাতে ধরতে ও মানের দিক থেকে অনেকটাই ভিন্ন রকম হয়ে যাবে।
এর আগে ভারতে এই আঁশ ছাড়ানোর প্রক্রিয়াটি হতো ম্যানুয়ালি বা হাতের কাজের মাধ্যমে। তারপর সেটা কাঠের চিরুনি ব্যবহার করেও ছাড়ানো হতো, কিন্তু সেটা ছিল অনেক সময় ও শ্রমসাপেক্ষ। এখন প্রযুক্তির অনেক পরিবর্তন এসেছে, ফলে আঁশ ছাড়ানোর এ প্রক্রিয়াও হয়ে গেছে যান্ত্রিক। পশমিনা ফাইবার থেকে সব ধরনের ধুলা-ময়লা সরিয়ে ফেলার পরে সেগুলো ফ্ল্যাট ও সিলিন্ডার ধরনের কটন কার্ডিং মেশিনে দেয়া হয়। তারপর সেটা যতটা সম্ভব কম গতিতে ঘোরানো হয়। ফ্ল্যাট ও সিলিন্ডারের মধ্যে দুই ধরনের গতির মেকানিজমের মধ্যে পড়ে মোটা গার্ড হেয়ারগুলো আলাদা হয়ে যায়। পুরোপুরি সেটা আঁশমুক্ত করতে চার-পাঁচবার লোম ছাড়ানোর প্রক্রিয়াটি ব্যবহূত হয়।
যদিও
এভাবে যন্ত্রের ব্যবহারে আঁশমুক্ত করার প্রক্রিয়ার কিছু অসুবিধাও রয়েছে। তার মধ্যে সবচেয়ে বড় অসুবিধাটি হলো এর ফলে ফাইবারের জোর কিছুটা কমে যায়, কখনো কখনো ফাইবার ভেঙেও যায়। তবে বাজারে আরো বেশকিছু ধরনের আঁশমুক্ত করার মেশিন সহজলভ্য, বিশেষ করে উন্নত পশ্চিমা বিশ্বে। সমস্যা হলো সেসব মেশিন বেশ ব্যয়বহুল এবং সেখানে প্রসেসিং করার জন্য অনেক বেশি পরিমাণে ফাইবার প্রয়োজন হয়। বাজারে ৩ শতাংশ আঁশযুক্ত পশমিনারও বেশ চাহিদা রয়েছে এবং বৈধভাবে রফতানির জন্য এ ফাইবারকে বিবেচনা করা হয়। তবে শাল বানানোর জন্য পশমিনায় আঁশ থাকতে পারবে দশমিক ৫ শতাংশ আর দশমিক ২ শতাংশ থাকতে পারে অন্য কোনো বোনা পণ্যের জন্য ব্যবহূত পশমিনায়।
হাতে
ও মেশিনে আঁশমুক্ত করার এ পদ্ধতি নিয়ে পরিচালিত এক গবেষণা বলছে, ফাইবারের ডায়ামিটার ও বান্ডিলের শক্তির ক্ষেত্রে খুব ছোট্ট পার্থক্য দেখা গেছে, তবে ফাইবারের দৈর্ঘ্যে এ দুই ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ পার্থক্য দেখা গেছে। তাতে সময় কমে এসেছে অনেকাংশে।
এরপরে
এসব ফাইবার পরিচ্ছন্ন করা ও ব্লিচিং করার কাজ করা হয়। সেটাও চলে একেক দেশে একেক পদ্ধতিতে। যেমন ভারতে ফাইবার অংশে পরিচ্ছন্ন করার কাজ করা হয় না, সেটা করা হয় সুতার পর্যায়ে নেয়ার পরে, তারপরে সেটা ডাই করা ও বোনা হয়। আর অস্ট্রেলিয়ার মতো বেশকিছু দেশে ফাইবার পর্যায়ে আঁশমুক্ত করার আগেই সেটা পরিষ্কার করা হয়। বর্তমানে ভারতে সাধারণত মেশিনে আঁশমুক্ত করা হয় এবং একইভাবে আঁশমুক্ত করার আগেই কাঁচা পশমিনা পরিচ্ছন্ন করে নেয়া হয়। অন্যান্য উল পরিষ্কার করতে যে কার্বোনাইজেশন প্রক্রিয়া ব্যবহূত হয় সেটা এখানে করা হয় না, কারণ পশমিনা অনেক বেশি সূক্ষ্ম। ফলে ফাইবারটি নষ্ট হয়ে যেতে পারে। আবার সাদা রঙের বা অন্যান্য হালকা রঙের শেডে ডাই করা হলে সেখানে ব্লিচিং ব্যবহার করা দরকার হয়।
তারপর
সেগুলো সুতা ঘোরানো, বোনার কাজ শেষে চলে ডায়িং ও ফিনিশিংয়ের কাজ। ভেড়ার উলে যেভাবে ডায়িং করা হয় পশমিনাতেও অনেকটা সেভাবেই ডায়িং করা হয়। সাধারণত গাঢ় ও উজ্জ্বল রঙ যেমন লাল, নীল, হলুদ, সবুজ ও কালো দিয়ে ডাই করা হয় পশমিনা। পশমিনার পণ্যগুলোতে এক অসাধারণ দীপ্তির পাশাপাশি খুবই অনন্য কোমলতা থাকে, তাই সেটার খুব একটা ফিনিশিংয়ের প্রয়োজন পড়ে না। বরং তার সঙ্গে অন্য কোনো ফিনিশিং উপাদান যুক্ত করলেই পশমিনার তৈরি যেকোনো পণ্য তার অনন্য কোমলতা হারিয়ে বসে।
সবশেষে
পশমিনার মূল্য আরো বাড়াতে তাতে করা হয় বিভিন্ন ডিজাইন ও এমব্রয়ডারির কাজ। পশমিনা শাল কিছু অনবদ্য ডিজাইনে তৈরি করা হয়। এমনই একটি ডিজাইনের নাম কানিজামার, যেটা হাতে বোনা তাঁতের পদ্ধতি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়। একইভাবে পশমিনা শালের ওপর অনেক অনন্য ও জটিল ডিজাইনে হ্যান্ড এমব্রয়ডারি করা হয়। কাশ্মীর ভ্যালিতে তৈরি করা এমন একটি হ্যান্ড এমব্রয়ডারি ডিজাইনের নাম সোজানি। এ এমব্রয়ডারিটি সুই দিয়ে সূক্ষ্ম সেলাইয়ের মাধ্যমে জটিল ও অনন্য ডিজাইন ফুটিয়ে তোলা হয়। কখনো কখনো জটিল ডিজাইন করা ফাইবারটিতে ব্লক প্রিন্টিংও করা হয় রঙ, রুপা ও স্বর্ণ দিয়ে। কাশ্মীরের কারিগররা ভিন্ন ভিন্ন ধরনের ডিজাইনের পদ্ধতি ব্যবহার করে এবং তারা হাতে বোনা তাঁত, হ্যান্ড এমব্রয়ডারি ও ব্লক প্রিন্ট করে অনন্য সব পশমিনা শাল তৈরি করে। আর সেভাবেই ক্রেতার আলমারিতে জায়গা করে নেয় একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে আসা অনন্য ডিজাইনের পশমিনা পণ্য।
শর্মিলা সিনড্রেলা: সাংবাদিক ও লেখক





