ভ্যানেশ মরগানের কবিতার নাম: ডোরিমলেসিং আরআইপি। আগে কবিতাটি অনুবাদ করে নিই:

ডোরিস লেসিং মারা গেছেন

তিনি ফেমিনিস্টদের কেউ ছিলেন না

একজন অকুষ্ঠিত, স্পষ্ট কথা বলা

ঔপন্যাসিক তিনি;

তিনি ছিলেন বন্ধুর মতো এবং

শিল্পসম্মত।

হোক, তিনি সাধারণ কেউ ছিলেন না

সারা জীবন লেখালেখি করে

নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন

৯২ বছর বয়সে মারা গেছেন।

তার বইয়ের মধ্য দিয়ে

স্মৃতি বহমান থাকবে। বিখ্যাত

দ্য গোল্ডেন বুক যিনি লিখেছেন

তাকে সম্মান জানাই।

কাছের জন্য তিনি পরিবার ছেড়েছেন

অন্তরেও তিনি ঔপন্যাসিক, কবি ও লেখক।

ডোরিস লেসিং কবরে শান্তিতে থাকুক

ব্রিটেনের দুর্মুখ কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, আত্মজীবনীকার কবি ডোরিস লেসিং সাহিত্যে সবচেয়ে বেশি বয়সে নোবেল পুরস্কার পাওয়ার রেকর্ডধারী, ২২ অক্টোবার ১৯১৯ ইরানের কেরমানশাহে জন্মগ্রহণ করেন। এবার জন্মশতবর্ষে সাহিত্যবিশ্ব তাকে স্মরণ করছে। তাকে শ্রদ্ধা জানাতেই এ নিবন্ধ।

আলফ্রেড টেয়লার প্রথম মহাযুদ্ধের সৈনিক। যুদ্ধে পা হারিয়ে হাসপাতালে। হাসপাতালের নার্স এমিলি মড যুদ্ধে হারিয়েছেন তার প্রেমিককে। হারানোর যাতনা কাটিয়ে উঠতে পারেননি। যুদ্ধে পা হারা আলফ্রেডের সেবা করতে করতে তার সাথেই বিয়ের গাঁটছড়া বাঁধেন। আলফ্রেড চাকরি নেন ব্যাংকের কেরানি পদে। যুদ্ধের স্মৃতি ও অস্থিরতা তাকে নিজ দেশে স্থিত হতে দেয়নি। তিনি ইম্পেরিয়াল ব্যাংক অব পার্শিয়ায় (আজকের ইরান) চাকরি স্থানান্তর করেন, বাসা নেন কেরমানশাহ এলাকায়। এখানেই ডোরিসের জন্ম। ১৯১৫ সালে চাকরি চেড়ে আলফ্রেড সপরিবারে চলে এলেন দক্ষিণ রোডেশিয়ায় (এখন যা ডিম্বারে) কৃষি খামার করবেন, যব চাষ হবে মুখ্য কাজ, প্রায় এক হাজার একর বুনো জমি কিনে ফেললেন। মা এমিলি চাইলেন অভিজাত এডওয়ার্ডিয়ান জীবন, কিন্তু খামার থেকে অর্থের জোগান ছিল সামান্যই। কাজেই তার প্রত্যাশিত জীবন ও বাস্তবতার মধ্যে বিরাট ফারাক রয়ে গেল।

ডোরিস ভর্তি হলেন সালিসবারি ডোমিনিকান ক্যাথলিক কনভেন্ট গার্লস স্কুলে (সালিস