অ্যাপলের বহুল প্রতীক্ষিত আইফোন ফোল্ড বাজারে আসতে পারে চলতি বছরই। তবে ফোল্ডেবল ফোনের অন্যতম প্রধান সমস্যা হলো যেখানে ফোন ভাঁজ হয়, সেখানে ভাঁজের রেখা দেখা যাওয়া। কিন্তু কোম্পানির সূত্র অনুসারে, অ্যাপলের ফোল্ডেবল আইফোনে ‘ক্রিসলেস ডিসপ্লে’ থাকবে। অর্থাৎ স্ক্রিনে কোনো ভাঁজরেখা দেখা যাবে না। এজন্য স্যামসাংয়ের দ্বারস্থ হতে পারে টেক জায়ান্টটি। খবর ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

ফোল্ডেবলের বাজারে এখন পর্যন্ত কোনো কোম্পানি ভাঁজরেখা মুক্ত ফোন আনতে পারেনি। তবে ২০২৬ সালের কনজিউমার ইলেকট্রনিকস শো (সিইএস) এ স্যামসাং একটি নতুন ফোল্ডেবল ডিসপ্লে প্রদর্শন করে। এতে কোনো দৃশ্যমান ভাঁজরেখা ছিল না।

টেক টিপস্টার আইসইউনিভার্সের পোস্ট অনুসারে, স্যামসাং নতুন ভাঁজহীন ফোল্ডেবল স্ক্রিনটি ‘গ্যালাক্সি ওয়াইড ফোল্ডে’ ব্যবহার করতে পারে। একই সঙ্গে ধারণা করা হচ্ছে, অ্যাপলও বহুল প্রত্যাশিত আইফোন ফোল্ডে একই প্রযুক্তি ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, আইফোন ফোল্ডে বাইরে ৫ দশমিক ৫ ইঞ্চি এবং ভেতরে ৭ দশনিক ৮ ইঞ্চির ডিসপ্লে থাকতে পারে। এছাড়া ভেতরের স্ক্রিনের প্রযুক্তি সরবরাহ করতে পারে স্যামসাং, তবে হিঞ্জ, লেমিনেশন ও প্যানেলের কাঠামো ডিজাইন করবে অ্যাপল। ফোনকে আরো মজবুত করতে অ্যাপল এবার হিঞ্জে লিকুইড মেটাল উপাদানও ব্যবহার করতে পারে।

অ্যাপল বিশেষজ্ঞ মার্ক গুরম্যানের মতে, আইফোন ফোল্ডে মোট চারটি ক্যামেরা থাকতে পারে: পেছনে দুটি ৪৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা এবং ভেতরের ও বাহ্যিক স্ক্রিনে একটি সেলফি সেন্সর। গুঞ্জন রয়েছে, অ্যাপল এ ফোনে টাচ আইডি ব্যবহার করতে পারে, যা অনেক ফোল্ডেবল ফোনের মতোই পাওয়ার বাটনের সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে।

মার্ক গুরম্যান আরো বলছেন, আইফোন ফোল্ডের দাম প্রায় ২ হাজার ৪০০ ডলার হতে পারে। যদি তা সত্য হয়, তাহলে আইফোন ফোল্ড হতে যাচ্ছে স্যামসাং, ভিভো, ওপো, মটোরোলা ও অন্যান্য ব্র্যান্ডের ফোল্ডেবল ফোনের তুলনায়ও অনেক বেশি দামি ফোন।