যদিও পরিবারের চাওয়া ছিল পরিবারের কোনো ছেলে রাজনীতিতে আসবে। কিন্তু সেটি ঘটেনি। বরং আমিই রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়ি। এরই ধারাবাহিকতায় এবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মাদারীপুর-১ থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছি। মাত্র ৩৮৫ ভোটে হেরেছি। মূলত পোস্টাল ভোটে হার দেখানো হয়েছে। নির্বাচনী মাঠে নারী হিসেবে ব্যক্তিগতভাবে আমি কোনো সমস্যার মুখোমুখি হইনি। সবাই আমাকে সমর্থন দিয়েছে। নির্বাচনে যে প্রার্থী জয়ী হয়েছেন উনি এত ভোট পাবেন, সেটি আমাদের ধারণার বাইরে ছিল।

আমি নিজেও একজন নারী। সুতরাং এটিকে আমি আমার মতো করেই ধারণ করেছি। পরিকল্পনা কিংবা প্রতিশ্রুতিগুলোয় একটি বিষয় সবসময়ই কাজ করেছি, তা হলো নারীদের কীভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়। তাদের আর্থসামাজিক উন্নয়নের জন্য নানা পরিকল্পনা এবারের নির্বাচনী সমাবেশগুলোয় তুলে ধরেছিলাম। নারীদের কর্মক্ষেত্র সৃষ্টির ব্যাপারটিকেও সামনে এনেছিলাম।

রাজনীতির মাঠে নারীদের অংশগ্রহণ বেশ কম, যার ফলে নির্বাচনী মাঠেও মেয়েদের উপস্থিতি কম থাকত। এখনো রাজনীতিতে তারা তেমন অংশগ্রহণ করছে না। তার অন্যতম একটি কারণ উৎসাহের অভাব। উৎসাহ দিলে মেয়েরা সামনে দিনগুলোয় আরো বেশি পরিমাণে রাজনীতিতে আসবে। যদিও আমাদের নারী কমিটি আগের চেয়ে শক্তিশালী। এখানে না আসার আরো একটি কারণ হতে পারে নিরাপত্তা। এ বিষয়টিতে এখনো ঘাটতি রয়েছে। মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করলে এটি ভালো অবস্থানে আসবে বলে আমি মনে করি।

নারী দিবস উপলক্ষে সব নারীকে একটি কথা বলতে চাই, তাদের এগিয়ে আসতে হবে। কাজ করতে গেলে মেয়েরা অনেক ধরনের বাধার মুখে পড়বে। সেগুলোকে অতিক্রম করে এগিয়ে আসতে হবে। কাজ করতে হবে।

নাদিরা আক্তার: বিগত নির্বাচনে

মাদারীপুর-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী