নির্দিষ্ট কিছু ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক সুবিধা থাকছে। পাশাপাশি বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে পেমেন্ট করলেও বিশেষ ক্যাশব্যাক অফার উপভোগ করতে পারবেন গ্রাহকরা। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে নিরাপদ ও সহজ লেনদেনের পাশাপাশি গ্রাহকদের জন্য বাড়তি সাশ্রয়ের সুযোগ তৈরি করা। এছাড়া রমজান ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আমরা একটি অফার চালু করেছি, যার নাম ‘ঘষা দিলেই গোল্ড’। এ অফারে একজন কাস্টমার কনকা এবং হাইকো ব্র্যান্ডের ফ্রিজ, টিভি, মাইক্রোওয়েভ ওভেন এবং ওয়াশিং মেশিন ক্রয় করলেই একটি স্ক্র্যাচ কার্ড পাবেন, যা ঘষে পেতে পারেন গোল্ডের জুয়েলারিসহ নগদ সুবিধা।
নির্বাচনের পর পরই পবিত্র মাহে রমজান ও ঈদুল ফিতর উদযাপন হচ্ছে। রোজা ও ঈদের কেনাকাটায় এর কোনো প্রভাব পড়তে পারে কি?
নির্বাচনের পর পরই রমজান ও ঈদুল ফিতর উদযাপন হওয়ায় বাজারে খুব একটা প্রভাব পড়বে না। নির্বাচন-পরবর্তী দেশের বাজার পুরোপুরি স্থিতিশীল। এক্ষেত্রে ক্রেতাদের চাহিদা ও ক্রয় প্রবণতায় প্রভাব পড়বে না। আমরা আশাবাদী, বর্তমান বাজার স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে এবারের রমজান ও ঈদকে ঘিরে কেনাকাটার গতি অনেক বাড়বে।
ডিজিটাল এবং কার্ডভিত্তিক কেনাকাটায় গ্রাহকের অর্থ ও পণ্যের নিরাপত্তা এবং নিশ্চয়তায় আপনাদের পদক্ষেপ সম্পর্কে বলুন।
বর্তমান বিশ্বে প্রতিটি ক্ষেত্রেই ক্যাশলেস লেনদেন বাড়ছে। ফলে আমাদের পণ্য কেনাকাটার ক্ষেত্রে ডিজিটাল ও কার্ডভিত্তিক লেনদেনকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেয়া হয়। এক্ষেত্রে আমরা সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছি। অনুমোদিত ব্যাংকিং চ্যানেল ও বিশ্বস্ত এমএফএস প্লাটফর্মের মাধ্যমে লেনদেন সম্পন্ন করা হয়। পাশাপাশি প্রতিটি লেনদেনের যথাযথ বিবরণী, ভেরিফিকেশন ও পণ্যের অফিশিয়াল ওয়ারেন্টি নিশ্চিত করা হয়। ফলে গ্রাহকদের কোনো ধরনের উদ্বেগের কারণ নেই।
গ্রাহকের কেনাকাটায় বিদ্যমান মূল্যস্ফীতির প্রভাব অনুভূত হচ্ছে কী?
বর্তমান বাজারে মূল্যস্ফীতির কিছুটা প্রভাব থাকলেও আমাদের পর্যবেক্ষণে দেখা যাচ্ছে, প্রয়োজনভিত্তিক এবং জীবনকে সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে প্রয়োজনীয় পণ্য কেনাকাটায় গ্রাহকের আগ্রহ স্থিতিশীল রয়েছে। বিশেষ করে ঈদকে সামনে রেখে গ্রাহকরা পরিকল্পিতভাবে কেনাকাটা করছেন। বিভিন্ন অফার ও ইএমআই সুবিধার কারণে অনেকেই এ সময়ে পণ্য ক্রয়ে স্বাচ্ছন্দ্য ক্রয় সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন।
ক্যাশলেস কেনাকাটায় (কার্ড বা এমএফএস) আপনাদের মতো আউটলেটগুলো নানাবিধ সুবিধা দিলেও এখনো নগদ অর্থে কেনাকাটার প্রাধান্য অনেক বেশি। এর কারণ কী বলে মনে করেন?
আমাদের শোরুমগুলোয় ক্যাশ ও ক্যাশলেস কেনাকাটার ক্ষেত্রে অফারের বড় কোনো পার্থক্য নেই। তবে কিছু ক্ষেত্রে ইনস্টলমেন্ট বা ইএমআই সুবিধায় সামান্য তারতম্য থাকতে পারে। অনেক গ্রাহক এখনো নগদ লেনদেনে অভ্যস্ত, আবার অনেকেই ডিজিটাল লেনদেনে সম্পূর্ণ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। তবে ধীরে ধীরে এ প্রবণতা বদলাচ্ছে এবং ক্যাশলেস লেনদেনের হার বাড়ছে।
ক্রেডিট কার্ডের ইএমআই অফার মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর জন্য কী ধরনের সুযোগ তৈরি করছে বলে মনে করেন?
বর্তমান বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ইলেকট্রনিকস পণ্য ক্রয়ের ক্ষেত্রে মধ্যবিত্ত শ্রেণীর জন্য ইএমআই একটি বড় সহায়ক মাধ্যম। এককালীন বড় অংকের অর্থ পরিশোধের পরিবর্তে কিস্তিতে পরিশোধের সুযোগ থাকায় অনেক পরিবারের জন্য ফ্রিজ, টিভি, ওয়াশিং মেশিনসহ প্রয়োজনীয় ডিভাইস কেনা সহজ হয়েছে। এছাড়া আমাদের শো-রুম, ডিসপ্লে সেন্টার, পার্টনার ও ডিলারদের কাছ থেকে প্রায় ৩৫টি ব্যাংকের ক্রেডিট ও ডেবিট কার্ডসহ নগদ এবং মাসিক ৩-১৮ মাসের কিস্তিতে পণ্য কেনার সুযোগ রয়েছে। এছাড়া আমাদের কাছ থেকে ১২ মাস পর্যন্ত কিস্তিতে পণ্য কেনার সুবিধা দিয়ে থাকি।
ডিজিটাল পেমেন্টের মাধ্যমে কেনাকাটাকে জনপ্রিয় করতে ভবিষ্যতে আপনাদের বিশেষ কোনো পরিকল্পনা আছে কি?
ডিজিটাল লেনদেনের প্রতি মানুষের আগ্রহ প্রতিনিয়ত বাড়ছে। নগদ অর্থ বহনের ঝুঁকি ও ঝামেলা এড়াতে অনেকেই এখন ক্যাশলেস পেমেন্টে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন। ভবিষ্যতে আমরা আরো সহজ, দ্রুত ও নিরাপদ ডিজিটাল পেমেন্ট অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে কাজ করছি। পাশাপাশি নতুন নতুন অফার ও প্রমোশনাল কার্যক্রমের মাধ্যমে গ্রাহকদের ডিজিটাল কেনাকাটায় আরো বেশি সম্পৃক্ত করার পরিকল্পনা করছি।










