এবারের ঈদে স্বপ্ন অনলাইনে ডিজিটাল পেমেন্টে একাধিক আকর্ষণীয় অফার চলছে। সিটি ব্যাংকের কার্ড ব্যবহার করে করা দুটি লেনদেনে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা ক্যাশব্যাক, যেকোনো ব্যাংকের ভিসা/মাস্টারকার্ড পেমেন্টে ১২০-২৪০ টাকা ডিসকাউন্ট থাকছে, এ অফার ২৫ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়েছে। পাশাপাশি মাস্টারকার্ড ক্যাম্পেইনে শীর্ষ পাঁচ ক্রেতার জন্য বিশেষ উপহার রয়েছে। শিগগিরই বিকাশে ক্যাশব্যাক অফারও যুক্ত হবে।
নির্বাচনের পর পরই রমজান ও ঈদুল ফিতর উদযাপন হচ্ছে। রোজা ও ঈদের কেনাকাটায় এর কোনো প্রভাব পড়তে পারে কি?
নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে দেশের অর্থনীতিতে একটি মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ করা গেছে। ফলে গ্রাহকরা এখন আরো বেশি পরিকল্পিত ও প্রয়োজনভিত্তিক কেনাকাটায় আগ্রহী হয়ে উঠছেন।
ডিজিটাল ও কার্ডভিত্তিক কেনাকাটায় গ্রাহকের অর্থ এবং পণ্যের নিরাপত্তা ও নিশ্চয়তায় আপনাদের পদক্ষেপ কী?
আমরা সিকিউর পেমেন্ট গেটওয়ে, ব্যাংক–অনুমোদিত এমএফএস এবং শক্তিশালী রিফান্ড ও রিটার্ন নীতিমালার মাধ্যমে গ্রাহকের অর্থ এবং পণ্যের পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করছি।
গ্রাহকের কেনাকাটায় বিদ্যমান মূল্যস্ফীতির প্রভাব অনুভূত হচ্ছে কী?
মূল্যস্ফীতির প্রভাব থাকলেও গ্রাহকরা এখন বেশি ছাড়, ক্যাশব্যাক ও এক্সট্রা ভ্যালু অ্যাডিশনের দিকে ঝুঁকছেন, ফলে ডিজিটাল কেনাকাটা তুলনামূলকভাবে সুবিধাজনক হয়ে উঠছে।
ক্যাশলেস কেনাকাটায় (কার্ড বা এমএফএস) আপনাদের মতো আউটলেটগুলো নানাবিধ সুবিধা দিলেও এখনো নগদ অর্থে কেনাকাটার প্রাধান্য অনেক বেশি। এর কারণ কী বলে মনে করেন?
দীর্ঘদিনের অভ্যাস, ডিজিটাল লিটারেসির ঘাটতি এবং কিছু ক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত অনীহার কারণে এখনো জনসাধারণের মধ্যে নগদ অর্থে কেনাকাটার প্রাধান্য তুলনামূলকভাবে বেশি। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এ প্রবণতায় দ্রুত পরিবর্তনও দেখা যাচ্ছে।
ইএমআইয়ের মাধ্যমে গ্রাহকরা কী ধরনের সুবিধা পাচ্ছেন?
ইএমআই সুবিধা মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য বড় কেনাকাটাকে সহজ করে তুলছে। গ্রাহকদের এককালীন আর্থিক চাপও এর মধ্য দিয়ে কমে যাচ্ছে, বিশেষ করে ঈদের মতো বড় উৎসবে।
ডিজিটাল পেমেন্টের মাধ্যমে কেনাকাটাকে জনপ্রিয় করতে ভবিষ্যতে আপনাদের বিশেষ কোনো পরিকল্পনা আছে কি?
আমরা আরো বেশি ব্যাংক ও এমএফএস পার্টনারশিপ, এক্সক্লুসিভ ডিজিটাল অফার এবং ক্যাশলেস ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ডিজিটাল পেমেন্টকে জনপ্রিয় করার পরিকল্পনা করছি।





