৪ জুলাই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দেশটির জনগণ ও সরকারকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা।
১৮৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত মেটলাইফ আজ বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ বীমা ও আর্থিক নিরাপত্তা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান। ১৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বৈশ্বিক আস্থা ও দায়িত্বশীলতার প্রতীক হয়ে ওঠা প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৪০টিরও বেশি দেশে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
বাংলাদেশে মেটলাইফের যাত্রা শুরু ১৯৫২ সালে। তখন থেকেই দেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে প্রতিষ্ঠানটি স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশে সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগের (এফডিআই) মাধ্যমে বিশেষ ভূমিকা রেখেছে।
আজ মেটলাইফ বাংলাদেশে প্রায় ১০ লাখ গ্রাহক এবং ৯০০-এর বেশি প্রতিষ্ঠানকে বীমাসেবা দিচ্ছে। এ প্রতিষ্ঠানে ৪০০ জনের বেশি কর্মী এবং প্রায় ১৩ হাজার এজেন্ট কাজ করছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। কর্মসংস্থান সৃষ্টি, অন্যতম বৃহৎ বিনিয়োগকারী এবং কর প্রদানে শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে মেটলাইফ একটি আস্থার নাম।
মেটলাইফ বিশ্বাস করে বীমা খাতকে সম্ভাবনাময় করতে হলে মানুষের আস্থা অর্জন করতে হবে। গত পাঁচ বছরে প্রতিষ্ঠানটি ১১ হাজার ৪০০ কোটি টাকারও বেশি বীমা দাবি নিষ্পত্তি করেছে। বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের তথ্যানুযায়ী, ২০২৪ সালে দেশের সব জীবন বীমা কোম্পানির মধ্যে সর্বোচ্চ বীমা দাবি পরিশোধ করেছে মেটলাইফ, যার পরিমাণ প্রায় ২ হাজার ৮৯৫ কোটি টাকা।
আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে বীমাকে আরো সহজ, স্বচ্ছ ও গ্রাহকবান্ধব করতে কাজ করে যাচ্ছে মেটলাইফ। ‘One by MetLife’ অ্যাপের মাধ্যমে এরই মধ্যে বাংলাদেশে ১৩ লাখের বেশি গ্রাহক বীমা ও স্বাস্থ্যসেবা নিচ্ছেন। এখন বীমার প্রিমিয়াম পরিশোধ থেকে শুরু করে বীমা দাবির আবেদন সবই করা যাচ্ছে অনলাইনে। মাত্র তিন-পাঁচ কর্মদিবসে বীমার টাকাও পৌঁছে যাচ্ছে গ্রাহকের হাতে।
শুধু আর্থিক সেবা নয়, সামাজিক উন্নয়নেও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে মেটলাইফ ফাউন্ডেশন। কেয়ার গিভার তৈরি, কর্মদক্ষতা উন্নয়ন, পাঠাভ্যাস বৃদ্ধি, উদ্যোক্তা তৈরি ও বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণের মতো কার্যক্রমে অব্যাহত রয়েছে বিনিয়োগ।
একটি আন্তর্জাতিক বীমা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ববোধ থেকে মেটলাইফ ভবিষ্যতেও দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তিকে আরো দৃঢ় করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
আলা আহমদ: মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা
মেটলাইফ বাংলাদেশ










