যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে প্রথমেই আমি দেশটির নাগরিকদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানাচ্ছি। ৪ জুলাই দিনটি যুক্তরাষ্ট্রে উদযাপন শুরু হয় মানবাধিকার ও মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠার চেতনা থেকে। তারা যে সেই আদর্শগত অবস্থান এত বছর ধরে রেখেছে, সেজন্যই কিন্তু বিশ্ব যুক্তরাষ্ট্রকে লিডার হিসেবে মানে। তাদের এ আদর্শকে সাধুবাদ জানাই এবং আমরা চাই, এটা যেন অটুট থাকে।
আমাদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক যথেষ্ট ভালো। এ পর্যন্ত আমাদের সম্পর্কের বয়স প্রায় ৫৪ বছর। আমরা চাই এ সম্পর্ক আরো গভীর ও দৃঢ় হোক। দুই দেশের মধ্যে ব্যবসায়িক অংশীদারত্ব আরো বিস্তৃত হওয়া উচিত বলে মনে করি। দুই দেশ যেন নিজেদের পারস্পরিক স্বার্থ ও মঙ্গল চিন্তা করে কাজ করে। বাংলাদেশ যেমন যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য রফতানি করছে, তেমনি যুক্তরাষ্ট্র থেকেও যেন বাংলাদেশে আমদানি বাড়ে এটাই প্রত্যাশা করি।
কৃষি, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে আমরা যুক্তরাষ্ট্র থেকে অনেক সহযোগিতা পেয়েছি। আমাদের ছাত্ররা যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনার জন্য যায়। যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমরা অনেক প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন নিয়ে এসেছি। আমরা চাই এ ধারাবাহিকতা বজায় থাকুক, যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরো প্রযুক্তি বাংলাদেশে আসুক। এসব আদান-প্রদানের মাধ্যমে আমাদের সম্পর্ক আরো দৃঢ় হোক, এমনটাই প্রত্যাশা।
আমি চাই দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্কে যেন কোনোভাবেই কোনো বাধা সৃষ্টি না হয়। শুধু বাণিজ্যিক সম্পর্কই নয়, যে সহযোগিতার সম্পর্ক ও আন্তরিকতা আমাদের মধ্যে রয়েছে, আমরা যেন তাও বজায় রাখতে পারি।
যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিশেষ করে ইউএসএআইডির মাধ্যমে যেসব প্রযুক্তি আসে, সেগুলো আমাদের স্বাস্থ্য খাতে খুবই প্রয়োজন। আমরা এখনো একটি উন্নয়নশীল দেশ। এ সহযোগিতাগুলো অব্যাহত না থাকলে আমাদের সমস্যাই হবে।
সৈয়দ এরশাদ আহমেদ: সভাপতি আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (অ্যামচেম)










