একটা সময় ছিল যখন পরিবারের মাসের দরকারি মসলা একবারে কারখানায় নিয়ে গুঁড়া করে আনা হতো। বলাই বাহুল্য এতে যেমন সময়-অর্থ ব্যয় হতো সেই সঙ্গে চটজলদি ব্যবহারেও অনেক অসুবিধা ছিল। আর এ গুঁড়া হতো কোনো একটি মসলারই, মিশ্রণ তৈরি করাটা ছিল হাতের কাজ। দেশে এ অবস্থার পরিবর্তন আসে স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেডের ফ্ল্যাগশিপ ব্র্যান্ড রাঁধুনী গুঁড়া মসলা বাজারে আসার মাধ্যমে।

শুরুতে হলুদ, মরিচ, জিরার মতো বেসিক মসলার গুঁড়া দিয়ে শুরু হলেও এখন রাঁধুনী বাজারে এনেছে বিভিন্ন মসলা মিশ্রণ। এ রেডি মিক্স মসলা ব্যবহার করে সহজেই রান্না হচ্ছে বিরিয়ানি, খিচুড়ি, ফ্রাইড রাইসের মতো খাবার। আরো আছে মাংসের নানা পদের তৈরি মসলা মিশ্রণ। কালা ভুনা, মেজবানি গরু রান্নার মসলাও সরবরাহ করছে রাঁধুনী। আছে রোস্টের মসলা, ডিমের কারি তৈরির মসলা। এমন আরো নিত্যনতুন আইটেম যুক্ত হচ্ছে রাঁধুনীর তালিকায়।

জীবনযাত্রার ব্যস্ততা প্রতিদিনই বাড়ছে। সঙ্গে বাড়ছে প্যাকেটজাত মসলার চাহিদা। রান্না করতে সময় কমিয়ে আনতে হচ্ছে জীবনের প্রয়োজনেই। শিল পাটায় বাটা মসলা কিংবা কল থেকে ভাঙানো এখন আর নিত্যদিনে সম্ভব হচ্ছে না। তাই প্যাকটজাত গুঁড়া মসলার চাহিদা বাড়ছেই। প্রতিনিয়ত বড় হচ্ছে এ মসলার বাজার।

উৎপাদকদের কথায়, জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আসার কারণে ঘরে ঘরে প্যাকেটজাত মসলায় নির্ভরতা বাড়ছে। নারীরা একসময় ঘরে শুধু রান্না ও সন্তান লালনপালনের কাজ করতেন। কিন্তু বর্তমানে কর্মক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণ অনেক বেড়েছে। তাই রান্নাঘরে যেমন দরকার হচ্ছে আধুনিক প্রযুক্তির, তেমনি রান্নার উপকরণেও দরকার আধুনিকতা। মসলায় সেই সমাধান দিয়েছে প্যাকেজাত গুঁড়া মসলা।

তবে এ প্যাকেট এখন আরো সুবিধাজনক রূপে হয়ে গেছে জার। রাঁধুনী এনেছে সুবিধাজনক জার। সরাসরি ঢালা, কাঁটায় কাঁটায় মাপমতো নেয়া বা রিফিলের স্বাচ্ছন্দ্য, যার যেভাবে দরকার সেভাবে ব্যবহারের সুবিধা নিয়ে গুঁড়া মসলা রাঁধুনী এসেছে ২০০ গ্রামের আলট্রাভায়োলেট-রে প্রুফ জারে। এভাবেই নিত্যদিনের স্মার্ট রান্নাঘরের উপাদান হয়ে উঠছে রাঁধুনী গুঁড়া মসলা।