এক যুগ আগের গল্প। ২০১২ সাল। যখন শহরের বাণিজ্যিক ও আবাসিক ভবনে পেশাদার ক্লিনিং সার্ভিসের ধারণা খুব একটা প্রতিষ্ঠিত হয়নি, শুকতারা আক্তার ইয়াসমিন তখনই শুরু করেন ‘বেস্ট ক্লিনিং সার্ভিস’।
তবে শুরুটা সহজ ছিল না। সীমিত পুঁজি, কম জনবল আর অজস্র অনিশ্চয়তা নিয়ে এগোতে হয়েছে তাকে। কখনো এমন সময়ও এসেছে, যখন মাস শেষে কর্মীদের বেতন পরিশোধ করতেও হিমশিম খেতে হতো তাকে। শুকতারা আক্তার বলেন, ‘যখন আমার কর্মীদের বেতন দিতে পারছিলাম না, তখন প্রাইম ব্যাংকই আমার পাশে দাঁড়িয়েছে। তাদের সহযোগিতা ছাড়া হয়তো আমি আজ এখানে আসতে পারতাম না।’
শুরুতে শুধু অফিস বা ছোট পরিসরের কাজ পেলেও ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে চাহিদা। বর্তমানে ‘বেস্ট ক্লিনিং সার্ভিস’ সেবা দিচ্ছে দেশের বিভিন্ন পাঁচ তারকা হোটেল, করপোরেট অফিস, হাসপাতাল, শপিং মল, গার্মেন্টস ও রেসিডেন্সিয়াল ভবনে। শুধু শহরেই নয়, শহরতলির বড় বড় প্রকল্পেও এদের ক্লিনিং কার্যক্রম চলছে নিয়মিত।
শুকতারা বলেন, ‘আমি চাই, শুধু নিজের প্রতিষ্ঠান বড় হোক, তা নয়। চাই মানুষ কাজ পাক, নিজেকে গড়ার সুযোগ পাক।’
এ দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই তার পরবর্তী লক্ষ্য—এ সেবা উদ্যোগকে দেশের সব জেলা শহরে ছড়িয়ে দেয়া। বর্তমানে এ লক্ষ্য পূরণে কাজ চলছে ধাপে ধাপে।





