যে মতের, যে চিন্তার, যে ভাবনার, যে আদর্শের হোক না কেন; সংবাদপত্র, সাংবাদিকতা এবং ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ইত্যাদিসহ সব বিষয়ে আমাদের ঐক্য থাকতে হবে, সমঝোতা থাকতে হবে এবং একে অন্যের পাশে দাঁড়াতে হবে। সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্য থাকাটা জরুরি। যেকোনো বিষয়ে, যেকোনো সময়, যেকোনো বিরোধই ক্ষতিকারক।
বিগত ৫৫ বছর বলেন বা ১৫ বছর বলেন, এ সময়ের মধ্যে এটা একটা বড় অগ্রগতি, বড় ভাবনা, বড় চিন্তা যে সংবাদকর্মীরা এক জায়গায় সমবেত হতে পেরেছি। এই যে সমবেত হওয়া, ঐক্য থাকা, ঐক্যবদ্ধ থাকা, একত্র হওয়া, একে অন্যের পাশে থাকা, একে অন্যের পাশে দাঁড়ানো এবং সংহতি-সহানুভূতি জানানো—এটা খুবই জরুরি। এটা আমাদের ভাবার কোনো কারণ নেই, আগামী সরকার, নির্বাচিত সরকার এলেই আমাদের সবকিছু আমরা পেয়ে যাব। অতীতেও হয়নি, এখনো হবে না।
আমার ব্যক্তিগত জীবনের ৫৫ বছর, শফিক (শফিক রেহমান) ভাইয়ের জীবনের আরো অনেক বেশি বছর কোনো সরকার, কোনো সময় যায়নি যে আমাদের ওপরে কোনো না কোনোভাবে হয় ডিক্লারেশন বন্ধ...১৯৭৫ সালে তো সব পত্রিকা বন্ধ হয়ে গেল। একটা প্রথম বড় রকমের স্বৈরতান্ত্রিক পদক্ষেপ ছিল বাংলাদেশের কোনো এক সরকারের বা বিশেষ করে স্বাধীনতার পরের সরকারের পক্ষ থেকে। এটা মোটেও গ্রহণযোগ্য ছিল না। তার পরবর্তী সামরিক শাসন, গণতান্ত্রিক শাসন সব আমলেই আমাদের প্রায় একই রকম অভিজ্ঞতা ছোট, বড়, মাঝারি রকমের।
অনেক দেরিতে হলেও এ তর্কগুলো, বিতর্কগুলো অনেক বিলম্ব হলেও এখন হচ্ছে এবং কিছু পরিবর্তনের লক্ষ্য আমরা দেখছি। আমরা কিছু উদ্যোগও নিচ্ছি এবং তার মধ্যে আজকের সমাবেশও তার একটা প্রধান লক্ষ্য। ঐক্য, সমঝোতা ও সংহতি এ সময়ে আগামী দিনের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা।





