সামিট গ্রুপ সফলভাবে চারটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। এর মধ্যে রয়েছে অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক ট্যারিফে তিনটি কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্র। এসব প্রকল্পে প্রায় ১০০ কোটি ডলারের সরঞ্জাম সংগ্রহ ও সেবা চুক্তি হয়েছে। পাশাপাশি এক্সিলারেট এনার্জির সঙ্গে অংশীদারত্বে দেশের দ্বিতীয় এলএনজি টার্মিনালও বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করার অভিন্ন প্রতিশ্রুতিকে স্বীকৃতি দিয়ে, সামিট গ্রুপ এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রযুক্তির বৈশ্বিক নেতৃত্বদানকারী জেনারেল ইলেকট্রিক, যা এখন জিই ভার্নোভা (GE Vernova), ২০০৯-২০১০ সালে একটি কৌশলগত অংশীদারত্ব প্রতিষ্ঠা করে। বিশ্বমানের প্রযুক্তি, দক্ষতা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে এ অংশীদারত্ব বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে।
সামিট মেঘনাঘাট-১ প্রকল্পের মাধ্যমে দেশে প্রথমবারের মতো এমন একটি উচ্চ জ্বালানি-নমনীয় কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু হয়, যা তিন ধরনের জ্বালানিতে পরিচালনা করা যায়। এরপর সামিট বিবিয়ানা দেশের অন্যতম দক্ষ ‘এফ ক্লাস’ কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্র হিসেবে উৎপাদনে আসে এবং এটি এখনো বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের মেরিট অর্ডার তালিকায় রয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় সামিট মেঘনাঘাট-২ প্রকল্পের মাধ্যমে দেশে প্রথম ‘এইচ ক্লাস’ কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়, যা দক্ষতা, নির্ভরযোগ্যতা ও কর্মক্ষমতায় নতুন মানদণ্ড তৈরি করেছে।
কক্সবাজারের মহেশখালীর উপকূলে সামিট এলএনজি টার্মিনাল কোম্পানি (এসএলএনজি) টেক্সাসভিত্তিক এক্সিলারেট এনার্জির সঙ্গে যৌথভাবে একটি ভাসমান এলএনজি আমদানি টার্মিনাল গড়ে তুলেছে। ফলে দেশের গ্যাস সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে এবং জ্বালানি নিরাপত্তা আরো শক্তিশালী হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকী উদযাপন করছে। এ ঐতিহাসিক উপলক্ষে সামিট গ্রুপ যুক্তরাষ্ট্রের জনগণকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছে। এ আয়োজন শুধু দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বকেই উদযাপন করছে না, বরং শক্তিশালী বাণিজ্যিক অংশীদারত্ব, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা ও টেকসই উন্নয়নের অভিন্ন লক্ষ্য থেকে অর্জিত সাফল্যও তুলে ধরছে।
সামিট গ্রুপ যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারত্ব আরো শক্তিশালী করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
মো. রিয়াজ উদ্দিন: এমডি ও সিইও, সামিট মেঘনাঘাট ১ ও ২ পাওয়ার কোম্পানিজ লি.










