স্বাধীনতা, উদ্ভাবন, উদ্যোগ ও সহনশীলতার যে চিরন্তন মূল্যবোধ বিশ্বজুড়ে মানুষ ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে অনুপ্রাণিত করে, এ মাইলফলক তারই এক শক্তিশালী প্রমাণ।

​বিগত বছরগুলোয় বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও সংস্কৃতির মেলবন্ধনে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের অংশীদারত্ব আরো গভীর ও টেকসই হয়েছে। বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ আইকনিক মার্কিন ব্র্যান্ড হিসেবে কোকা-কোলা অভিন্ন মূল্যবোধ ও বৈশ্বিক সংযোগের প্রতীক। একাধিক দেশে কার্যরত শীর্ষস্থানীয় তুর্কি বোতলজাতকরণ প্রতিষ্ঠান কোকা-কোলা ইচেজেকের (সিসিআই) অংশ হিসেবে আমরা বৈশ্বিক মান বজায় রেখে বাংলাদেশী ভোক্তাদের কাছে কোকা-কোলার পানীয় পৌঁছে দিতে পেরে গর্বিত।

​বাংলাদেশ একটি গতিশীল ও অপার সম্ভাবনার বাজার। কোকা-কোলা বাংলাদেশ ধারাবাহিক বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান তৈরি ও দায়িত্বশীল ব্যবসার মাধ্যমে টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। আমরা বিশ্বাস করি যে উদ্ভাবন ও অভিন্ন লক্ষ্যের সমন্বয়ে সরকারি ও বেসরকারি খাতের নিবিড় যৌথ উদ্যোগই অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই অর্থনৈতিক অগ্রগতির মূল চালিকাশক্তি।

‘আমেরিকা ২৫০’ উদযাপনের এই ক্ষণে আমরা যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের অটুট বন্ধুত্বকেও উদযাপন করছি। আমরা আস্থাশীল যে আগামী দিনে আমাদের এ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও প্রযুক্তির আদান-প্রদানে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেবে।

​যুক্তরাষ্ট্রের জনগণকে আবারো আমার উষ্ণ অভিনন্দন। এ স্মরণীয় বর্ষপূর্তি আমাদের পারস্পরিক সহযোগিতা, উদ্ভাবন ও যৌথ সমৃদ্ধির এক উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার প্রেরণা হয়ে উঠুক।

শাদাব আহমেদ খান: ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি), কোকা-কোলা বাংলাদেশ বেভারেজেস লিমিটেড