এ বিশেষ দিনটি উদ্ভাবন, উদ্যোগ ও উন্মুক্ততার মতো কিছু চিরন্তন মূল্যবোধকে প্রতিফলিত করে, যে নীতিগুলো বিশ্বজুড়ে অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি অর্জনে প্রতিনিয়ত চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে। এ মূল্যবোধগুলো একটি ক্রমবর্ধমান ডিজিটাল ও প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতির দিকে বাংলাদেশের নিজস্ব অগ্রযাত্রার সঙ্গেও গভীরভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

বাংলাদেশে একটি নিরাপদ, নির্বিঘ্ন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল পেমেন্ট ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে মাস্টারকার্ড প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বিভিন্ন খাতের অংশীদারদের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার মাধ্যমে আমরা এমন সব সমাধান সহজতর করছি, যা আরো দ্রুত, নিরাপদ এবং সহজে সবার কাছে পৌঁছানো সম্ভব। মাস্টারকার্ডের বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা এবং শক্তিশালী স্থানীয় অংশীদারত্বের সমন্বয়ে আমরা এমন একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশ তৈরি করছি, যা ব্যবসার ক্ষমতায়ন, উদ্ভাবনকে উৎসাহিত এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করছে।

ধারাবাহিক উদ্ভাবন, শক্তিশালী অবকাঠামো এবং বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে আমরা এমন একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল অর্থনীতিতে অবদান রাখতে চাই, যা দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য, বিভিন্ন সম্প্রদায় এবং সামগ্রিকভাবে সমাজকে উপকৃত করবে। ডিজিটাল পেমেন্টের পরিধি ও কন্ট্যাক্টলেস পেমেন্ট বাড়ানো থেকে শুরু করে নিরাপদ ই-কমার্স এবং রিয়েলটাইম পেমেন্ট প্রযুক্তির অগ্রগতি, সবকিছুর মাধ্যমে আমরা একটি প্রকৃত ডিজিটাল ভবিষ্যতের ভিত্তি তৈরিতে সহায়তা করছি। একই সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাচালিত (এআই) উদ্ভাবন, সাইবার সিকিউরিটি, টোকেনাইজেশন এবং জালিয়াতি প্রতিরোধে আমাদের বিনিয়োগ নিশ্চিত করে যে এ রূপান্তরের মূলে রয়েছে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আস্থা।

এ বিশেষ মুহূর্তে আমরা বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দীর্ঘদিনের সুসম্পর্ক এবং একটি সংযুক্ত ডিজিটাল ভবিষ্যৎ গঠনে একসঙ্গে কাজ করার অনন্য সুযোগগুলোকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি।

যারা এ ঐতিহাসিক দিনটি উদযাপন করছেন, তাদের সবাইকে আমরা আন্তরিক শুভকামনা জানাচ্ছি।

জাকিয়া সুলতানা: কান্ট্রি ম্যানেজার

মাস্টারকার্ড বাংলাদেশ