সরকারি-বেসরকারি উভয় শ্রেণীর ব্যাংক পরিচালনা ও তদারকির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংককে একই নীতিতে চলতে হবে। দেশের সরকারি ব্যাংকগুলোর অর্ধেক ঋণ খেলাপি হয়ে গেছে।
কয়েকটির আর্থিক পরিস্থিতি একেবারেই নাজুক। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এসব সরকারি ব্যাংকের দিকে নজর না দিয়ে কেবল বেসরকারি ব্যাংক একীভূতকরণ নিয়ে দৌড়ঝাঁপ করছে।
একীভূত করার উদ্যোগ নেয়া ব্যাংকের মধ্যে অপেক্ষাকৃত অনেক ভালো ব্যাংকও ছিল। কিন্তু কী উদ্দেশ্যে সেগুলোকেও একীভূত করা হলো সেটি বুঝতে পারছি না। আমরা সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংককে এ ধরনের দ্বৈত নীতি পরিহারের আহ্বান জানাই।

আমানতের অর্থ ফেরত না পাওয়া মানুষ আর কখনো ওই ব্যাংকগুলোয় টাকা রাখতে যাবে না। কেবল সরকারি কোষাগার থেকে মূলধন জোগান দিয়ে কোনো ব্যাংক চালানো সম্ভব নয়। সাধারণ মানুষ টাকা না রাখলে কোনো ব্যাংক চলবে না।
বেসরকারি ব্যাংক বেসরকারি খাতের লোকেরা চালাবে—এটিই বাস্তবতা। কিন্তু আমরা দেখছি, অযাচিতভাবে বেসরকারি ব্যাংকেও সরকারি লোক ঢুকিয়ে দেয়া হচ্ছে। স্বতন্ত্র পরিচালক কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে বাছাই করে দেয়ার নীতি চালু হয়েছে। ওই সব স্বতন্ত্র পরিচালক যদি এতই ভালো মানুষ হয়, তাহলে তাদের সোনালী, জনতা, অগ্রণীর মতো সরকারি ব্যাংকে নিয়োগ দেয়া হোক। তাতে ওই ব্যাংকগুলোর কল্যাণ হবে। তবে কোনো বেসরকারি ব্যাংকে অনিয়ম-দুর্নীতি হলে সেটি বন্ধে অবশ্যই পদক্ষেপ নিতে হবে।










