এ অগ্রযাত্রাকে আরো গতিশীল করতে নতুন সরকারের সহায়ক নীতিমালা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কার্ড ও এমএফএস-এর মাধ্যমে করা লেনদেনে ৫ শতাংশ ক্যাশ ইনসেনটিভ—যার মধ্যে ৩ শতাংশ গ্রাহক ও ২ শতাংশ মার্চেন্ট পাবেন—প্রবর্তন করলে ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবহারে বড় ধরনের উৎসাহ সৃষ্টি হবে।
একই সঙ্গে স্মার্ট কার্ড ও পজ মেশিনের ওপর শুল্ক ১৫ শতাংশের নিচে নামিয়ে আনলে সারা দেশে ডিজিটাল পেমেন্ট অবকাঠামো দ্রুত বিস্তৃত হবে।
পাশাপাশি শক্তিশালী ডিজিটাল অবকাঠামো গড়ে তোলা, গ্রামপর্যায়ে নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সেবা নিশ্চিত করা এবং সাইবার নিরাপত্তা ও ভোক্তা সুরক্ষা জোরদার করাও অত্যন্ত জরুরি।

সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে ওপেন-লুপ পেমেন্ট কার্ড চালু করা হলে স্বচ্ছতা, দক্ষতা এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তি আরো শক্তিশালী হবে। একই সঙ্গে ডিজিটাল পেমেন্ট ইকোসিস্টেমে সব অংশীদারের জন্য একটি সমতাভিত্তিক ও প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ নিশ্চিত করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।










