সরকার সম্প্রতি স্পট মার্কেট থেকে চার কার্গো এলএনজি কেনার অনুমোদন দিয়েছিল। কিন্তু এর মধ্যে মাত্র দুটি সংগ্রহ করা সম্ভব হয়েছে। তাও স্বাভাবিকের প্রায় দ্বিগুণ দামে।
জ্বালানি বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলেছেন, সংঘাতটি দীর্ঘ সময় ধরে চললে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১৫০ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট এলএনজির প্রাপ্যতা অত্যন্ত সীমিত হয়ে পড়তে পারে।
বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকারের উচিত দ্রুত কয়লা সংগ্রহের উদ্যোগ নেয়া, যাতে দেশের সব কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র সচল রাখা যায়। একই সঙ্গে বিভিন্ন উৎস থেকে এলএনজি ও তেল সংগ্রহ নিশ্চিত করাও জরুরি। পাশাপাশি আমদানি করা কয়লা, এলএনজি ও এইচএফওর ওপর আরোপিত সব কর প্রত্যাহার করা অথবা অন্তত সব ধরনের আমদানীকৃত জ্বালানির ক্ষেত্রে কর কাঠামো সমন্বয় করার বিষয়টিও বিবেচনা করা উচিত, যাতে বিপিডিবির লোকসান কমানো সম্ভব হয়।
এছাড়া গ্যাসভিত্তিক কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিচালনায় অগ্রাধিকার দেয়া উচিত। কারণ এসব কেন্দ্র অত্যন্ত দক্ষ এবং অন্যান্য কেন্দ্রের সমান গ্যাস ব্যবহার করে বেশি পরিমাণে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সক্ষম। প্রয়োজনে কভিড-১৯ মহামারীকালে নেয়া ব্যবস্থার মতো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে দূরবর্তী পদ্ধতিতে (রিমোট অপারেশন) কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ দেয়ার বিষয়টিও সরকার বিবেচনা করতে পারে।










