এছাড়া বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সরকারি সংস্থার মধ্যে সমন্বয়ের অভাবও এজন্য দায়ী। এর কারণে ব্যবসাসংক্রান্ত বিভিন্ন অনুমোদন ও নিয়মিত কার্যক্রমে বিলম্ব ঘটে। একই সঙ্গে নকল পণ্যের বিস্তার, দুর্বল আইন প্রয়োগ এবং বাজার তদারকির সীমাবদ্ধতা বৈধ ব্যবসার জন্য ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। বন্দরের অদক্ষতা ও উচ্চ ড্যামারেজ ব্যয় সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যয়বহুল করে তুলছে। কাস্টমস মূল্যায়নে একতরফা ‘লোড ফ্যাক্টর’ প্রয়োগ, ন্যূনতম মূল্য নির্ধারণ এবং আমদানি নীতির কঠোরতা অনেক শিল্পের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা কমাচ্ছে। এছাড়া স্ট্যান্ডার্ড তৈরিতে ধীরগতি, অনির্দেশ্য নীতিগত পরিবর্তন এবং কর কাঠামোর কিছু সীমাবদ্ধতাও বিনিয়োগ পরিবেশকে প্রভাবিত করছে।

এসব সমস্যা দূর করতে হলে নীতিনির্ধারণে স্বচ্ছতা, অংশীজনের সঙ্গে পরামর্শ ও প্রশাসনিক সমন্বয় জোরদার করা প্রয়োজন। পাশাপাশি কাস্টমস, কর প্রশাসন ও বন্দর ব্যবস্থাপনায় আধুনিকায়ন এবং কার্যকর আইন প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। তাহলে একটি স্থিতিশীল ও প্রতিযোগিতামূলক ব্যবসায় পরিবেশ গড়ে উঠবে, যা দেশী ও বিদেশী বিনিয়োগ আকর্ষণে সহায়ক হবে।