আর কোনো কার্যকর স্বাস্থ্যবীমা না থাকায় ৭০ শতাংশ খরচ হয় মানুষের পকেট থেকে।
নতুন সরকারের ১৮০ দিনের পরিকল্পনায় আমাদের চাওয়া হলো এনআইডির মতো প্রতিটি মানুষের একটি সর্বজনীন স্বাস্থ্য কার্ড ও নম্বর, যার সঙ্গে যুক্ত থাকবে ব্যক্তির হেলথ সামারি; অর্থাৎ পূর্বাপর চিকিৎসার রেকর্ড এবং চিকিৎসা-সংশ্লিষ্ট মূল্য প্রদানের ব্যবস্থা।
বেসরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থার দেখভাল, উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণের জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে একজন আলাদা সচিব, ডিজি ও সচিবালয় থাকা প্রয়োজন। এর মধ্য দিয়ে সব বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের অ্যাক্রিডিটেশন এবং মান নিযন্ত্রণ নিশ্চিত করতে হবে।
প্যাথলজিক্যাল ল্যাবের অ্যাক্রিডিটেশনে নিয়োজিত প্রতিষ্ঠান বিএবিকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিয়ে আসা দরকার। প্রতিটি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ল্যাবের অ্যাক্রিডিটেশন বাধ্যতামূলক করতে হবে, যা প্রতি দুই বছর পর পর অডিটের মাধ্যমে নবায়ন হবে।
বর্তমানে বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রায় ১৮টি লাইসেন্স বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তর থেকে সংগ্রহ করতে হয়। সবগুলো লাইসেন্সকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন সমন্বিত ডেস্কে নিয়ে আসতে হবে এবং প্রতিটি লাইসেন্সের মেয়াদকাল দুই বছর করা প্রয়োজন।
পরিশেষে পিপিপির মাধ্যমে সরকারি ও বেসরকারি খাতের পূর্ণাঙ্গ সক্ষমতাকে কাজে লাগানোই হবে প্রথম ১৮০ দিনে নতুন সরকারের সর্বোত্তম পন্থা। অনেক চিকিৎসাসেবা যেমন ডায়ালাইসিস, ক্যান্সার, মস্তিষ্কের জটিল অপারেশন, টেস্টটিউব বেবি ইত্যাদি সরকারি তত্ত্বাবধানে পূর্ণাঙ্গভাবে সম্ভব নয়। এসব টারশিয়ারি সেবা বেসরকারি ব্যবস্থাপনা থেকে সমান খরচে নেয়া সম্ভব। এছাড়া অনেক সরকারি প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনা বর্তমানে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে। এগুলোকে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হাসপাতালে রূপান্তর করা যায়।










