দীর্ঘদিন ধরে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা মূলত ডিগ্রিকেন্দ্রিক, যার ফলে অনেক গ্র্যাজুয়েট কর্মবাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ দক্ষতা অর্জন করতে পারে না।
নীতিগতভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিল্প খাতের মধ্যে শক্তিশালী সংযোগ তৈরি করা জরুরি, যাতে পাঠ্যক্রমে প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডেটা অ্যানালিটিকস, উদ্যোক্তা শিক্ষা ও বাস্তবভিত্তিক প্রশিক্ষণ অন্তর্ভুক্ত হয়।
একই সঙ্গে ইন্টার্নশিপ, অ্যাপ্রেন্টিসশিপ, মাইক্রোক্রেডেনশিয়াল ও গবেষণা-উদ্ভাবনকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে উৎসাহিত করা দরকার।

শিক্ষা ব্যবস্থায় গুণগত মান নিশ্চিত করতে স্বচ্ছ ও সহায়ক নীতিমালা, যেখানে পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় উভয়ই গবেষণা, দক্ষতা উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষায় সমানভাবে অবদান রাখতে পারে। এ ধরনের নীতিগত সংস্কারই বাংলাদেশের তরুণদের বৈশ্বিক কর্মবাজারে প্রতিযোগিতামূলক করে তুলবে।










