দুই দেশের বাণিজ্য পরিস্থিতি নিয়ে আপনার মূল্যায়ন জানতে চাই।
বর্তমান পরিস্থিতির উন্নয়নে প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। আমরা উন্নয়নের কাজ করছি। আশা করছি, শিগগিরই পরিস্থিতি আরো অনেক ভালো হয়ে যাবে।
দুই দেশের ব্যবসায়ীদের যাতায়াতে এখন কোনো প্রতিবন্ধকতা রয়েছে কি?
না, যাতায়াতে কোনো বাধা নেই। ব্যবসায়ীদের যাতায়াতেও কোনো সমস্যা নেই। আমাদের ভিসা-সংক্রান্ত সমস্যা ছিল। আমরা বিভিন্ন সময়ে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে এ বিষয়ে কথা বলেছি। তবে ব্যবসায়ীদের যাতায়াতে এখন কোনো সমস্যা নেই।
নতুন সম্ভাবনাময় পণ্য কী কী আছে, যেগুলোর মাধ্যমে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্য বাড়ানো সম্ভব?
অনেক সম্ভাবনা আছে। কিছুদিন আগে ভারত থেকে বাণিজ্য প্রতিনিধিদের একটি উচ্চ পর্যায়ের দল বাংলাদেশে এসেছিল। তাদের সঙ্গে ফেডারেশন, মন্ত্রণালয় ও ভারতীয় হাইকমিশনের সমন্বয়ে আমরা বৈঠক করেছি। দুই দেশের জন্য কিছু উইন-উইন পজিশন তৈরি করতে আমরা কাজ করছি। আশা করি, আগামীতে এক্ষেত্রে আরো উন্নয়ন ঘটবে এবং বাণিজ্য আরো বেগবান হবে।
বর্তমানে দুই দেশের ব্যবসায়ীদেরই মোকাবেলা করতে হচ্ছে এমন চ্যালেঞ্জগুলো কী?
ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্যে আমাদের কিছু প্রতিবন্ধকতা মোকাবেলা করতে হয়। এর কিছু স্থলবন্দর-সংক্রান্ত। আবার কিছু সুবিধা থাকলেও সব জায়গায় তা নেই। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, বেনাপোলে যে সুবিধা আছে, আগরতলায় তা নেই, আবার অন্যান্য বন্দরেও নেই। এ ধরনের বিষয়গুলো নিয়ে আমরা আলোচনা করছি। দিল্লিতে গিয়ে বিষয়গুলো বিবেচনার জন্য বলেছি।
কিছুদিন আগে আমরা ত্রিপুরায় গিয়েছিলাম। সেখানেও এ বিষয়ে আলোচনা করেছি। দিল্লি থেকে আমাদের রাষ্ট্রদূত, ও এসেছিলেন, আবার ভারত সরকারের পক্ষ থেকেও সংশ্লিষ্ট কর্তকর্তারা ছিলেন। খুব সুন্দর ও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। তারা বলেছেন, যেসব প্রতিবন্ধকতা ছিল, আগামীতে সেগুলো বিবেচনা করবেন। প্রকৃতপক্ষে এগুলো ঢাকা ও দিল্লির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের বিষয়। সেখানেও অগ্রগতি হচ্ছে এবং হবে।
পরিস্থিতির ধারাবাহিক উন্নতির জন্য, বিশেষ করে ব্যবসায়ীদের সমস্যাগুলো সমাধানে আমরা কাজ করছি। এখন আগের তুলনায় প্রতিবন্ধকতার বিষয়গুলো অনেক কমে এসেছে।
দুই দেশের মধ্যে সেপা চুক্তির যে প্রচেষ্টা রয়েছে, সে বিষয়ে কিছু বলবেন?
দুই দেশের মধ্যে এখন পর্যন্ত কোনো চুক্তি হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর হয়ে গেলে সার্বিক পরিস্থিতিতে আরো দ্রুত ইতিবাচক পরিবর্তন আমরা দেখতে পাব বলে প্রত্যাশা করছি।
ভারত থেকে নতুন কোনো বিনিয়োগ প্রত্যাশা করছেন?
হ্যাঁ। ভারত থেকে যে প্রতিনিধি দলটি এসেছিল, তারা জানিয়েছে, ভারতের বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগ করতে চান। তারা এ বিষয়ে আলোচনা করে গেছেন এবং এখানে বিনিয়োগ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এ ব্যাপারে আমাদের সরকারও প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত সুবিধা দেয়ার চিন্তাভাবনা করছে।










