জাপানভিত্তিক মোটরসাইকেল নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ইয়ামাহা মোটর কোম্পানি লিমিটেড। ১৯৫৫ সালের জুলাইয়ে ইয়ামাহা করপোরেশন থেকে বের হয়ে পৃথক কার্যক্রম শুরু করে প্রতিষ্ঠানটি। যদিও প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারের মালিকানার সবচেয়ে বেশি অংশ রয়েছে ইয়ামাহা করপোরেশনের হাতে। প্রতিষ্ঠানটির সদর দপ্তর জাপানের শিজোকায় অবস্থিত। প্রতিষ্ঠানটির প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিলেন জেনিচি কাওয়াকামি। তার নেতৃত্বেই প্রথম ওয়াইএ-ওয়ান মডেলের মোটরসাইকেল বাজারে আনে প্রতিষ্ঠানটি। ইয়ামাহার বর্তমান প্রেসিডেন্ট ইয়োশিহিরো হিদাকা। তিনি ২০১৮ সালের জানুয়ারি থেকে এ পদে রয়েছেন। ইয়ামাহার বাজার মূলধন ৮ হাজার ৫৭৯ কোটি ইয়েন। প্রতিষ্ঠানটির কনসলিডেটেড সাবসিডিয়ারি রয়েছে ১১৩টি, নন-কনসলিডেটেড সাবসিডিয়ারি রয়েছে তিনটি এবং অ্যাফিলিয়েট প্রতিষ্ঠান রয়েছে ২৭টি।
মোটরসাইকেল ছাড়াও প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদিত পণ্যের মধ্যে রয়েছে স্কুটার, বোট, মোটরাইজড বা সাইকেল, সেইলবোট, পার্সোনাল ওয়াটার ক্রাফট, ফিশিং বোর্ড, গলফ কার্ট, ফোর-হুইল এটিভি, অফ-রোড ভেহিকল, গো-কার্ট ইঞ্জিন, মাল্টিপারপাস ইঞ্জিন, ইলেকট্রিক্যাল জেনারেটর, ওয়াটার পাম্প, স্নোমোবাইল, অটোমোবাইল ইঞ্জিন, সারফেস মাউন্টার, হুইলচেয়ার, হেলমেটসহ বিভিন্ন ধরনের মেরিন ও মোটর পণ্য।
বাংলাদেশে একমাত্র প্রতিষ্ঠান হিসেবে ইয়ামাহা মোটরসাইকেল পরিবেশন করে আসছে এসিআই মোটরস। সম্প্রতি ইয়ামাহা ব্র্যান্ডের মোটরসাইকেল সংযোজনের একটি কারখানা করেছে এসিআই মোটরস। কারখানাটি করতে এসিআইকে কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে ইয়ামাহা। একই কারখানায় ইয়ামাহা ব্র্যান্ডের মোটরসাইকেল উৎপাদনের পরিকল্পনাও রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির।
এসিআইয়ের হিসাব অনুযায়ী, ২০১৮ সালে বাংলাদেশের বাজারে ইয়ামাহা ব্র্যান্ডের মোটরসাইকেল বিক্রি হয়েছে ১৯ হাজারের কিছু বেশি। ২০১৯ সালে তারা ২৫ হাজারের মতো মোটরসাইকেল বিক্রি করার লক্ষ্য ঠিক করেছে। এসিআই এতদিন সংযোজিত অবস্থায় মোটরসাইকেল আমদানি করে বিক্রি করছিল। ফলে বাজারে দাম পড়ছিল অনেক বেশি। উল্লেখ্য, পূর্ণ সংযোজিত অবস্থায় মোটরসাইকেল আমদানি করলে মোট করভার দাঁড়ায় ১৫২ শতাংশ। সংযোজন করলে সেটা ৯২ শতাংশে নেমে আসবে।





