গন্তব্য হিসেবে তেমন একটা জনপ্রিয় না হলেও কীভাবে সেখানে প্রথম দিকে পৌঁছে গেলেন বাংলাদেশীরা, এখন যারা সেখানে আছেন তাদের দৈনন্দিন জীবনই বা কেমন? সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কীভাবে সময় কাটায় তারা? নিজেদের মধ্যে কোনো কমিউনিটি বজায় রেখে চলেন কিনা। বতসোয়ানা প্রবাসী বাংলাদেশীদের সন্তানরা কতটা পান বাংলা ভাষা শিক্ষার সুযোগ আর সংসড়ৃতিচর্চায় তাদের অংশগ্রহণই বা কেমন? যারা রয়েছেন তারা কোন ধরনের কাজের সঙ্গে বেশি যুক্ত রয়েছেন? শুরুর দিকে কিছু ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ারও নিয়োগ দেয়া হতো এই দেশে। এখন সেই সুযোগ কমে এসেছে অনেকটাই। তারপরও যদি কেউ এখন প্রবাসের গন্তব্য হিসেবে বতসোয়ানাকে বেছে নিতে চান তার জন্য কেমন সুযোগ রয়েছে- সেসব নিয়েই বণিক বার্তার সঙ্গে বিস্তারিত কথা বলেছেন খায়রুজ্জামান আহমেদ। শুনেছেন শর্মিলা সিনড্রেলা

 

গন্তব্য হিসেবে বতসোয়ানা খুব একটা জনপ্রিয় না, এ দেশটাতে এখন বাংলাদেশীদের সংখ্যাটা কেমন?

এখানে সব মিলিয়ে বসবাস করা বাংলাদেশীর সংখ্যা ৬০০ জনের মতো হবে।

বাংলাদেশীরা কখন থেকে বতসোয়ানাকে গন্তব্য হিসেবে বেছে নেয়া শুরু করে?

১৯৮৫-৮৬-এর দিকে বতসোয়ানায় বাংলাদেশীরা প্রথম আসা শুরু করে। সে সময় সাধারণত বতসোয়ানার আশপাশের দেশ জিম্বাবুয়ে, নামিবিয়া, অ্যাঙ্গোলার সরকার থেকে সে দেশের বেশকিছু পেশায় প্রবাসীদের নিয়োগ দিত। ট্যুরিস্ট হিসেবেও আসত কেউ কেউ। ১৯৮০ সালের প্রথম দিকে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার দু-একজন আসে। তারা এসে ঘুরে ঘুরে দেখেছে, এখানে কেমন অপশন আছে। ওখানে কিছুদিন ঘুরে বা জব করে তারা বতসোয়ানার দিকে গিয়েছে শুধু দেখার জন্য। তখন এটা আরো কম উন্নত ছিল। কিন্তু শান্তিপ্রিয় দেশ ছিল তখন থেকেই। দেখে যাদের ভালো লাগে এমন দু-চারজন এখানে থেকে যায়। কারণ তখন এ দেশ পোর্ট এন্ট্রি ছিল, যে কেউ আসতে পারত। ভিজিট করার জন্য টিকিট কেটেই চলে আসতে পারত। তারা তখন তাদের স্বজনদের নিয়ে আসত, কেউ যদি আসতে চাইত ভিজিট করতে তখন আনত। ভালো লেগে গেলে এখানে থেকে যেত। এভাবেই প্রথমদিকে আসা শুরু হয়েছে। তারপর ১৯৯০ সালের দিকে বতসোয়ানা সরকারের পক্ষ থেকে কিছু ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার প্রফেশনে নিয়ে এসেছে। এ সংখ্যাটা পাঁচ-সাত হবে। তারাও কাজ করেছে কিছুদিন। মূলত এ দেশ তো অনেক শান্তিপ্রিয়। এরপর তারাও তাদের আত্মীয়স্বজনকে নিয়ে এসেছে। এভাবেই সংখ্যাটা বাড়তে থাকে।

ওই দেশের কোন কোন শহরে বাংলাদেশীরা বেশি বাস করে?

বেশি আছে দেশটির রাজধানী গাবোরোন শহরে। সবচেয়ে বেশি এখানেই আছেন। আর আছে ফ্রান্সিস টাউনে। এটাও আরেকটি বড় শহর। এর পাশাপাশি পালাপে, সেরোয়ে, মাউন এসব দক্ষিণ অংশে। এছাড়া বিক্রে, ববনম ও গ্যাবোরোনের আশেপাশের শহর মোলিপোলোলে, মুচুটি ইত্যাদি শহরেও বাংলাদেশীদের বসবাস বেশি।

স্থানীয়দের সঙ্গে বাংলাদেশীদের সম্পর্কটা কেমন?

তাদের মধ্যে সম্পর্ক খুবই ভালো। প্রথম দিকে ১৯৯০ বা ২০০০ সালের দিকেও সম্পর্কটা অনেক বেশি ভালো ছিল। আস্তে আস্তে তো অনেক কিছু বদলে যাচ্ছে। বৈশ্বিকভাবেও অনেক কিছু বদলে যাচ্ছে। এখানকার যারা স্থানীয় লোকজন রয়েছেন তাদের মনমানসিকতাও একটু একটু করে বদলে যাচ্ছে। আগে এরা খুব বেশি সহজ-সরল ছিল। এখন একটু টেকনিক্যাল, একটু ক্রিটিক্যাল হয়ে যাচ্ছে বলে আমার পর্যবেক্ষণ। তবে মোটের ওপর সম্পর্ক ভালো। এরা খুব বন্ধুসুলভ। পার্শ্ববর্তী দক্ষিণ আফ্রিকার জনগণও অনেক বেশি দুর্নীতিপ্রবণ, সেখানে চুরি-ডাকাতি অনেক বেশি। যেটা বতসোয়ানায় অনেক কম।

বতসোয়ানায় বাংলাদেশী যারা আছেন তারা কোন ধরনের কর্মক্ষেত্রে আছেন?

এখানকার বেশির ভাগই ব্যবসায়ী। কিছু হার্ডওয়্যার, কেউ সুপারশপ ব্যবসা করেন। আর অল্পকিছু সংখ্যক রয়েছেন যারা এখানকার এয়ারটাইম বিজনেসের সঙ্গে জড়িত আছেন। কিছুসংখ্যক রয়েছেন যারা সবজি চাষ করেন। এই খাতটা অনেক উন্নতি করেছে এবং এর ভবিষ্যত্টাও ভালো। এটাতে সরকারও অনেক সাপোর্ট করে। কারণ সরকার চায় সবজি উৎপাদনটা বৃদ্ধি পাক। আগে সব আমদানি করতে হতো পাশের দেশ দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে। কিছু বাংলাদেশী সবজি চাষে যুক্ত হওয়ার কারণে, অন্যান্য দেশের লোকজন আর স্থানীয়রাও এখন এ খাতে যুক্ত হচ্ছে, তাতে এ সেক্টরটা ধীরে ধীরে দাঁড়িয়ে যাচ্ছে। ফলে এখন আর দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে আমদানি করতে হয় না। আগে তো সবজিও তেমন পাওয়া যেত না, খুব অল্প কিছু। এখন সবই সহজলভ্য। সেটা একটা ভালো লক্ষণ।

বাংলাদেশী যারা আছেন তাদের আয়টা কেমন?

বেশির ভাগ বাংলাদেশীই অনেক ভালো অবস্থানে চলে গিয়েছেন এবং তারা অনেক ভালো আয় করেন। আনুমানিক যদি আমি বলি তিন লাখ টাকারও বেশি আয় করেন প্রতি মাসে। অনেকে আছেন এর চেয়ে বেশিই ইনকাম করেন।

স্থানীয় রাজনীতিতে বাংলাদেশীদের অংশগ্রহণ আছে?

সরাসরি কারো অংশগ্রহণ নেই। তবে আমরা একটা অ্যাসোসিয়েশন করেছি, যেটার নাম বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন বতসোয়ানা। ওই অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে এখনকার সাধারণ জনগণ ও রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে। আমাদের যেসব অনুষ্ঠান হয় এসব অনুষ্ঠানে এ দেশের মন্ত্রীরাও অংশগ্রহণ করে। লোকাল কমিউনিটি খেলাধুলায়ও অংশ নেয়, বাংলাদেশীদের মধ্যে বিভিন্ন টুর্নামেন্ট হয়। সেখানে যেসব অনুষ্ঠান হয় সেখানেও এখানকার মন্ত্রীরা অংশগ্রহণ করে।

ওখানে বাংলা ভাষা চর্চার কোনো ব্যবস্থা আছে?

এখানে বাংলা ভাষার কোনো স্কুল নেই। তবে আমাদের যে অ্যাসোসিয়েশন আছে তার মাধ্যমে ২০১৯ সালে কভিডের আগে আমরা একটা উদ্যোগ নিয়েছিলাম। কিন্তু কভিডের কারণে সে উদ্যোগ সফল হয়নি। তবে আমাদের ইচ্ছে আছে একটা বাংলা স্কুল করার, সেটা প্রসেসিং আছে। আপাতত বাংলা শিক্ষার কোনো সুযোগ নেই। অনেকেই ব্যক্তিগতভাবে ঘরের মধ্যে নিজেদের সন্তানদের শেখায়। এর বেশি কিছু না।

বাংলাদেশী যেসব অভিবাসী আছে তাদের বিষয়ে বতসোয়ানা সরকারের নীতি কেমন?

এখানকার সরকার সৎ নিষ্ঠাবান ব্যবসায়ীদের পছন্দ করে। অসৎ কাজ করা বা মানব পাচার একদম পছন্দ করে না। মানব পাচারের সঙ্গে জড়িত থাকলেই তাদের চিহ্নিত করে বিতাড়িত করে দেয়। সৎ যারা তাদের বাড়তি কোনো সুযোগ দেয় না কিন্তু ব্যবসা করতে দেয়। সরকারের পক্ষ থেকে কোনো রকম বিরক্ত করা হয় না। এখানে ব্যবসায়িক একটা পরিবেশ রয়েছে।

আপনি ওইখানে কী করছেন? কোন ধরনের কাজের সঙ্গে যুক্ত আছেন?

আমি একটা কন্সট্রাকশন কোম্পানির সঙ্গে জড়িত আছি। এটা ব্রিকাস কনক্রিট ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি। আমরা ব্রিকার্স, স্লাব ও কংক্রিটের রেডিমেড বিভিন্ন জিনিস উৎপাদন করে লোকাল মার্কেটে সেগুলো বিক্রি করি।

বতসোয়ানায় আপনি সফরটি সম্পর্কে কিছু জানান। ওইখানে কত সাল থেকে আছেন?

আমি ২০০৩ সাল থেকে এখানে আসি। ১৯৯২ সালে আমার দুলাভাই এসেছিলেন এখানে। উনি ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন। এখানে বেশ কিছুদিন থেকে উনি অস্ট্রেলিয়া চলে যান। উনি যাওয়ার আগে ১৯৯৬ সালে আমার বড় ভাইকে নিয়ে আসেন, তিনি কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার। তারপর আমার বড় ভাই আমাকে এখানে নিয়ে আসেন।

বতসোয়ানায় বাংলাদেশী অভিবাসীদের দৈনন্দিন জীবন নিয়ে কিছু বলুন।

এখানে যেসব বাংলাদেশী অভিবাসী রয়েছেন তাদের মধ্যে যারা চাকরিজীবী তাদের সোমবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত ব্যস্ততা থাকে। আর যারা ব্যবসা করেন তাদের শনিবার ও রোববার ব্যবসা বাণিজ্য নিয়েই ব্যস্ততার মধ্যেই কাটান। যারা চাকরিজীবী তারা এবং কিছু কিছু ব্যবসায়ী উইকেন্ডে কোথাও ঘুরতে যান। তাছাড়া এ সময়ে তারা বিভিন্ন রকম পার্টি বা ফ্যামিলি গেট টুগেদারে অংশ নেন। এভাবেই মূলত এখানকার বাসিন্দারা জীবনযাপন করেন। এর মধ্যে গ্যাবোরোন শহরে ৩৫০-এর মতো বাসিন্দা রয়েছেন। এখানে মাঝে মাঝে বড় গ্যাদারিং হয়, সেখানে সবাই একসঙ্গে হয় আর মাঝে মাঝে পার্ট পার্ট গ্যাদারিং হয়। এভাবেই তারা নিজেরা সম্পর্ক বজায় রাখেন। আমরা কিছু মানুষ আছি, যারা একত্রে প্রায়ই নানা রকম খেলাধুলা করি। সন্ধ্যার পরে ব্যাডমিন্টন খেলি। একজন আছেন তার অনেক বড় বাড়ি, সেখানেই তিনি ব্যাডমিন্টনের আয়োজন করেছেন। এটা অনেকটা আমাদের দৈনন্দিন রুটিনের মতো হয়ে গেছে। কাজের শেষে ৫টা-৬টার পর অনেকেই জিমে যান, ব্যায়াম করেন। কাজ সেরে বাসায় এসেও অনেকে জীবনযাপন করেস। এখানে প্রাইভেট স্কুল রয়েছে, যেগুলো ইংলিশ মিডিয়াম। এখানে সরকারি স্কুলে খুব কম পড়ে, প্রাইভেট স্কুলে পড়াশোনা করে। সন্তানরাও সকালে স্কুলে যায়। সকাল ৭টা থেকে তাদের স্কুল। ভাষাগত শিক্ষার জন্য বিভিন্ন স্কুলে এদের সাবজেক্ট থাকে। তবে সে সাবজেক্ট মনে হয় না কেউ নিয়েছে। বেসিক্যালি ওই ফ্রেঞ্চ সাবজেক্টটাই নেয়। তবে একটা বিষয়, এখানে বসবাসরত শিশুদের সংস্কৃতির সঙ্গে ওইভাবে সরাসরি সংযুক্ত হওয়ার বিষয়টি নাই। এটা আসলে একটা সমস্যাই। আমরা অ্যাসোসিয়েশন করেছিলাম এখানে। যেটা এখনো রয়েছে। বিভিন্ন সময় কিছু কাজ করার চেষ্টা করেছি, কিন্তু ঠিকভাবে হয়নি দেখে তা আর এগোয়নি। তবে আমরা মনে করি, সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পৃক্ততা আমাদের ছেলেমেয়েদের নেই। স্কুলে তো বিভিন্ন রকম খেলাধুলার আয়োজন থাকে। তাছাড়া যে স্কুলগুলোয় বাংলাদেশী শিশুরা পড়াশোনা করে সেখানে যে শুধু বাংলাদেশী ছেলেমেয়েরা পড়ে তাই না, অন্যরাও পড়ে। এখানে তাদের একটা কালচারাল এক্সচেঞ্জ হয় বলে আমি মনে করি।

বতসোয়ানায় থাকা বাংলাদেশীরা দেশে রেমিট্যান্স পাঠানোর কাজ করছেন। তাছাড়া ওখান থেকেই দেশের অন্যান্য উন্নয়ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণের পরিমাণ কেমন সেই সব বাংলাদেশীদের?

আমার মনে হয়, এখানে যেসব বাংলাদেশী রয়েছেন তারা শুধু রেমিট্যান্সই পাঠান। আর ব্যক্তিগতভাবে কেউ কেউ নিজের এলাকায় মাদ্রাসা বা মসজিদের উন্নয়নের কাজে জড়িত রয়েছেন। এ ধরনের কিছু ডেভেলপমেন্টে তারা অংশ নিয়েছেন।

বতসোয়ানায় বাংলাদেশীদের জন্য কী ধরনের সুযোগ রয়েছে?

আমি আগেই বলেছি, ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ারদের বতসোয়ানা সরকার থেকে নিয়োগ দেয়া হতো। বিভিন্ন সময়ে তারা এখানে ছিল। ৩০ বছর আগে থেকে এখানে ছিল। ফার্মাসিস্ট ও রেডিওলজিস্ট এসব পেশায় এখানে সে সময়ে কিছু নিয়োগ দেয়া হয়েছিল। কিন্তু এখন ধীরে ধীরে এখানে তাদের নিজস্ব প্রোডাকশন হওয়ায় বা সেলফ এমপ্লয়েড বাড়ানোর কারণে তারা সেই রিক্রুটমেন্ট কমিয়ে দিয়েছে। তারা আগে ভারত বা অন্যান্য দেশ থেকেও নিয়েছিল। ভারতীয় ও কিউবান ডাক্তারও অনেকে এসেছিলেন এখানে। ধীরে ধীরে সেগুলো তারা কমিয়ে এনেছে। নিজস্ব ডাক্তার প্রোডাকশন যেহেতু তাদের হয়েছে। একইভাবে উন্নতি হয়েছে ইঞ্জিনিয়ার লেভেলেও। তাই সরকারি লেভেলে সেভাবে এখন আর নিয়োগের সুযোগ নেই, ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি তেমন সুযোগ নেই। তবে এখানে ফার্মিংয়ের সুযোগ রয়েছে, এবং বলতে পারি বেশ ভালো সুযোগ রয়েছে। এ খাতে যদি কেউ ভালো কিছু করতে চায়, কেউ যদি ভালো কৃষক হন তাহলে তার জন্য সুযোগ রয়েছে। অনেকে রয়েছেন যারা বাঁধাকপি করছে, আলুও করছে কেউ কেউ, মরিচ করছে। তারা ভালো করছে। তাছাড়া অন্যান্য ইন্ডাস্ট্রির ক্ষেত্রে বতসোয়ানা তেমন উন্নত না। এ দেশটি মূলত আমদানিনির্ভর। মেডিকেল থেকে শুরু করে অন্যান্য কিছুও তারা বিভিন্ন দেশ থেকে ইমপোর্ট করে নিয়ে আসে। ওই রকম ইন্ডাস্ট্রি এখানে নেই। তাই সেখানে সুযোগও কম। একটা দেশে ২০ বা ২২ লাখ মানুষ যখন থাকে তখন সেখানে অনেকেই সেভাবে আসতে চায় না। তারা আশপাশের অনেক বড় দেশ যেখানে হয়তো ইন্ডাস্ট্রি বেশি সেখানে যাওয়ার চিন্তা করে। এর আগে স্কয়ারও এখানে এসেছিল, অবজার্ভ করতে যে অবস্থা ক্যামন, মার্কেটের কী অবস্থা? তারা সেভাবে সন্তুষ্ট হয়নি। সেজন্য তারা আর এগোয়নি। তার পরও যদি কেউ আসে তাহলে সরকারিভাবে নানা সুবিধা পাবেন নিশ্চয়ই। সেটাকে কাজে লাগিয়ে তারা যদি মনে করে এটাকে সেন্টার করে আশপাশের দেশে নিজের পণ্য সরবরাহ করতে পারবে।