ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দিয়েছিল ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’। দেশজুড়ে প্রায় দেড় শতাধিক সমন্বয়কের মাধ্যমে এ প্লাটফর্ম আন্দোলন পরিচালনা করছিল। কিন্তু ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর ঢাকার বাইরে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে সমন্বয়কদের মধ্যে মতবিরোধ দেখা যায়। এ মতবিরোধের জেরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৪ জন এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচজন সমন্বয়ক ও সহ-সমন্বয়কসহ সারা দেশে ২৫ জন সমন্বয়ক পদত্যাগ করেন। এ সময় পদত্যাগকারী সমন্বয়করা কমিটির বাকি সমন্বয়কদের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতা, ক্ষমতার অপব্যবহার, ব্যক্তি স্বার্থে সংগঠনের নাম ব্যবহার, সাধারণ শিক্ষার্থীদের মারধরসহ নানান অভিযোগ তোলেন। এর আগে কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ১ জুলাই আত্মপ্রকাশ করে ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’।