বাংলাদেশে ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন বা আইভিএফ সেবা দেয় হাতে গোনা কয়েকটি  হাসপাতাল। সেগুলোর মধ্যে এখন সুপরিচিত প্রতিষ্ঠানের নাম রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতাল। বহু নিঃসন্তান দম্পতিকে সন্তানের হাসি-কান্না উপভোগের সুযোগ করে দিয়েছে এ প্রতিষ্ঠান। তাই সেটি জায়গা করে নিয়েছে সেরার তালিকায়ও। দেশের ভেতরে সবচেয়ে সেরা মানের আইভিএফ প্রোগ্রাম পরিচালনা করছে প্রতিষ্ঠানটি। এভারকেয়ার ফার্টিলিটি সেন্টারের কো-অর্ডিনেটর ও সিনিয়র কনসালট্যান্ট (অবস/গাইনি, ইনফার্টিলিটি ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড অ্যাসিস্টেড রিপ্রোডাকশন) হিসেবে ডা. মৃণাল কুমার সরকার দায়িত্ব পালন করছেন

গুণগত মান বজায় রেখে চিকিৎসাসেবা দিতে বদ্ধপরিকর ল্যাবএইড স্পেশালাইজড হাসপাতাল। প্রতিনিয়ত সেখানে যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন সেবা ও প্রযুক্তি। বেসরকারিভাবে অত্যন্ত সাফল্যের সঙ্গে এবং দেশসেরা সর্বাধুনিক পদ্ধতিতে আইভিএফ সেবা দিয়ে আসছে ল্যাবএইড আইভিএফ সেন্টার। এ সেন্টারে গাইনি ও অবস বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট হিসেবে আছেন অধ্যাপক ডা. মরিয়ম ফারুকী স্বাতী।  বন্ধ্যাত্ব, আইভিএফ চিকিৎসা নারী ও পুরুষের বন্ধ্যাত্বজনিত সমস্যা, হরমোনজনিত সমস্যা, অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভপাত, কমসংখ্যক ডিম্বাণু ও শুক্রাণুর সমস্যা, ডিম্বাশয় ও জরায়ুর টিউমার, প্রজননতন্ত্রের জটিল সার্জারিসহ বিভিন্ন সমস্যার সর্বাধুনিক প্রযুক্তিগত সেবা প্রদান করে আসছে এটি

এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসাবিজ্ঞানের প্রায় সব স্পেশালিটির সেবা প্রদান করে আসছে। বন্ধ্যাত্ব নিরসনে বেশ সুনামের সঙ্গে চিকিৎসা দিচ্ছে এনাম আইভিএফ অ্যান্ড ইনফার্টিলিটি সেন্টার। চিকিৎসকের আন্তরিক সেবা আর ম্যানেজমেন্টের দক্ষতার কারণে এ অঞ্চলের আপামর জনগোষ্ঠীকে আর টারসিয়ারি চিকিৎসাসেবার জন্য রাজধানীতে দৌড়াতে হয় না। পাশাপাশি হাসপাতালটির ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ উন্নত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সর্বশেষ যে চিকিৎসা ব্যবস্থার সংযোগ করেছে তা হলো ‘এনাম ইনফার্টিলিটি সেন্টার’। এ সেন্টারে কনসালট্যান্ট হিসেবে আছেন ডা. মাকসুদা আশরাফ ও ডা. তানজিন আবেদীন

ইনফার্টিলিটি কেয়ার অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার লিমিটেডের (আইসিআরসি) যাত্রা শুরু ২০০২ সালে, একটি ভাড়া বাসায়। প্রাথমিক অবস্থায় অত্যন্ত চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে প্রতিষ্ঠানটিকে। এর মধ্যে আবার বেশকিছু সফলতার গল্পও তৈরি হয়েছে প্রতিষ্ঠানটির। সেন্টারটির চিফ কনসালট্যান্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন অধ্যাপক ডা. রাশিদা বেগম। ইনফার্টিলিটি চিকিৎসায় অবদানের জন্য ২০১৬ সালে অবস্টেট্রিকস অ্যান্ড গাইনিকোলজিক্যাল সোসাইটি (ওজিএসবি) তাকে আজীবন সম্মাননা দেয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানে গবেষণার স্বীকৃতিস্বরূপ রয়েল কলেজ অব অবস্টেট্রিসিয়ান অ্যান্ড গাইনিকোলজিস্ট ২০২১ সালে ডা. রাশিদা বেগমকে সম্মানসূচক ফেলোশিপ প্রদান করে