শায়লা বেগম, পেশায় একজন চিকিৎসক। সম্প্রতি তিনি ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতাল অ্যান্ড সুপার স্পেশালিটি সেন্টার থেকে ব্রেস্ট ক্যান্সারজনিত চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করেছেন। ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতাল অ্যান্ড সুপার স্পেশালিটি সেন্টারে নিজের চিকিৎসা সম্পর্কিত অভিজ্ঞতা নিয়ে ভিডিও বার্তা দিয়েছেন চিকিৎসক শায়লা বেগম। তার অনুমতি সাপেক্ষে মতামতটি এখানে প্রকাশ করা হলো। ডা. শায়লা বেগম বলেন, ‘হঠাৎ করেই আমি আমার ডান পাশের স্তনে চাকা অনুভব করি। এর চারদিন পর চিকিৎসকের কাছে যাই। সেখানেই আমার ধরা পড়ে ব্রেস্ট ক্যান্সার। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী আমার আটটি কেমোথেরাপি নেয়ার কথা। আমি আমার সব কেমোথেরাপি ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতাল থেকে নিয়েছি। প্রথমে আমি দ্বিতীয় তলায় ছয়টি কেমোথেরাপি দিয়েছি। এরপর বাকি দুটো কেমোথেরাপির জন্য আমাকে পাঁচতলায় ট্রান্সফার করা হয়।’ শায়লা বেগম আরো বলেন, ‘এখানে বেড বেশি হওয়ায় একটা সুবিধা আছে, আসলে বেড পাওয়া যায়, দাঁড়িয়ে থাকতে হয় না। এর আগে যখন মাত্র ২০টি বেড ছিল তখন এসে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে। এখানের কর্তব্যরত চিকিৎসকরা সবাই আন্তরিকভাবে চিকিৎসাসেবা দেন। নার্স, পিসিএ সবাই খুব আন্তরিকতা নিয়েই সেবা দেন। আগামীতে ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতাল আরো ভালো সেবা দেবে, আরো আধুনিক হবে সেই প্রত্যাশা রাখি। সবাই আমার সুস্থতার জন্য দোয়া করবেন।’
শায়লা বেগম, পেশায় একজন চিকিৎসক। সম্প্রতি তিনি ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতাল অ্যান্ড সুপার স্পেশালিটি সেন্টার থেকে ব্রেস্ট ক্যান্সারজনিত চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করেছেন। ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতাল





