কভিড-১৯-এর সময় থেকেই দেশের আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো একটা চড়াই-উতরাইয়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। মহামারী চলে গেলেও ব্যবসা খাতে এর যে প্রভাব তা আমাদের আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর বিদ্যমান। মূলত কভিড-১৯-এর আগে যেসব গ্রাহক ঋণ নিয়েছিলেন তারা সেগুলো ব্যবহার করতে পারেননি। ফলে যে ক্ষতি হয়েছে তার রেশ এখনো রয়েছে। আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে যথাসাধ্য চেষ্টা করে যাচ্ছে। আমরাও এর ব্যতিক্রম নই। আগের থেকে অবস্থা যথেষ্ট ভালো হয়েছে। ২০২২-এর থেকে ২০২৩-এ আমরা ভালো করছি, সামনের দিনগুলোও ভালো যাবে বলে আমরা আশাবাদী। চলতি বছর উত্তরা ফাইন্যান্সে একটি পুনর্গঠন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ২০২২ সালের শেষে আমি এখানে যোগ দিই। ১০ মাসে উত্তরা ফাইন্যান্সে সুশাসন ফিরিয়ে আনতে কাজ করছি। এখানে করপোরেট গভর্ন্যান্স তৈরিতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। এসব মিলিয়ে চলতি বছরকে ব্যবসার বছর হিসেবে দেখা হচ্ছে না। সামনের দিনগুলোর চ্যালেঞ্জ নেয়ার জন্য আমাদের উন্নতির জায়গাগুলো নিয়ে কাজ করেছি। নতুন ব্যবসাও করেছি এবং রিকভারিতে বেশি ফোকাস করেছি। ২০২৪ সাল থেকে আমরা পুরোপুরি ব্যবসায় মনোযোগ ফিরিয়ে আনতে পারব বলে আশা করছি। সে লক্ষ্যে প্রসেস, গাইডলাইন গুছিয়ে নিয়েছি। আমাদের ম্যানেজমেন্ট টিম পুনর্গঠন হয়েছে। কিছু নতুন ব্যবসা হয়েছে, অনেক গ্রাহকের কাছ থেকে টাকা আদায় করতে পেরেছি, ঝুঁকিতে থাকা ঋণ রেগুলারাইজ করতে পেরেছি। সেদিক থেকে আমি বলব গত বছরের তুলনায় চলতি বছর আমাদের ভালো গেছে।