সার্বিকভাবে ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক খাত ভালো যাচ্ছে। তবে একটু চাপে আছে। এনপিএল অনেক হাই। বর্তমানে তারল্য সংকট যাচ্ছে। আপনারা জানেন যে ফরেন এক্সচেঞ্জে একটু আনরেস্ট আছে। গত তিন মাসে পুরো সেক্টরেই এনপিএল হাই হয়ে গেছে। এটার সবচেয়ে বড় ইমপ্যাক্টটা কিন্তু এসেছে কভিড থেকে। মূল্যস্ফীতির কারণে স্বাভাবিকভাবেই আমাদের ভোক্তার আয়  কমে গেছে। এমন পরিস্থিতিতে তারা কিন্তু আরো বেশি ক্রেডিট কার্ডনির্ভর হয়ে গেছে। জীবনমান যদি আপনি ঠিক রাখতে চান, তাহলে আপনাকে আরো বাড়তি ইনকাম করতে হবে। ক্রেডিট কার্ড দিয়ে তারা এ বাড়তি খরচ মেটানোর চেষ্টা করে। এ কারণে আমাদের ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের সংখ্যা বেড়েছে। তবে এখনো আমাদের দেশে ক্রেডিট কার্ড যে পরিমাণ থাকার কথা, তার তুলনায় অনেক কম। এখানে অপরচুনিটি অনেক বেশি আছে। আগামী পাঁচ বছর কোথায় ফোকাস দেব তা যদি বলি, সত্যি কথা বলতে কি অ্যাজ এ ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশন আমরা কিন্তু একটা মাল্টিপ্রডাক্ট ফাইন্যান্স ইনস্টিটিউশন। আমাদের সব ধরনের প্রডাক্টই আছে। রিটেইল, এসএমই, করপোরেট সব জায়গায় আমাদের ভালো উপস্থিতি আছে। সে হিসেবে আপনি যদি বলেন আমাদের ফোকাসটা কোথায়, আমি বলব আমাদের ফোকাসটা অ্যাকচুয়ালি এসএমইতে। পাশাপাশি কনজিউমার ফাইন্যান্সিংয়েও আমরা আছি। সো উই আর ট্রায়িং টু রিচ আওয়ার পিপল। আমরা যদি ফাইন্যান্সিয়াল ইনক্লুসিভনেসের কথা চিন্তা করি তাহলে কিন্তু আমাদের ডিজিটালাইজেশনে যেতে হবে। এর মধ্য দিয়ে আমরা সাসটেইনেবল অর্গানাইজেশন হিসেবে নিজেদের গড়তে পারব।