আন্তর্জাতিক এমএসএমই দিবসের তাৎপর্যকে ধারণ করে আমাদের তরুণ এসএমই উদ্যোক্তারা এগিয়ে যাবে, নিজেদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করবে। তরুণদের হাতেই আমাদের আগামীর অর্থনীতির চাকা। নারী উদ্যোক্তাদের আরো বেশি বিকশিত হতে হবে, প্রযুক্তিতে দক্ষ হতে হবে, নিজেদের সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে। নিত্যনতুন প্রযুক্তির সঙ্গে সবসময় সংশ্লিষ্ট থাকতে হবে। এভাবে চললে সামনের দিনগুলোয় আমাদের নারী উদ্যোক্তারা আরো বেশি এগিয়ে যাবে। সৃজনশীলতার মাধ্যমে নিজেদের চিন্তাভাবনা ও স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে পারবে। উদ্যোক্তাদের ব্যবসায়িক পরিধি বাড়ানোর চিন্তা করতে হবে। শুধু দেশে নয়, বিদেশেও তাদের ব্যবসায়িক পরিধি বাড়াতে হবে। কীভাবে রফতানি কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করা যায় সে চিন্তা করতে হবে। অর্থনৈতিক সমস্যা বড় সমস্যা হবে না। ভালো ব্যবসায়িক পরিকল্পনা থাকলে ব্যবসাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া কঠিন কিছু না। অর্থনৈতিক সমস্যার বেড়াজাল কেটে উদ্যোক্তাদের জন্য নিশ্চয়ই নতুন সময় আসবে। এজন্য বাংলাদেশ সরকার সব ধরনের সহযোগিতা করে আসছে এবং আগামীতেও করে যাবে বলে প্রত্যাশা রাখি। নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যে দিয়েও উদ্যোক্তারা ঋণ নিয়ে সেটা দিয়ে ব্যবসা করে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। অব্যাহতভাবে এসব সহযোগিতা পেলে এসএমই খাতের উৎপাদন ও সাপ্লাই চেইন ব্যবস্থাপনায় সক্ষমতা অর্জন করে ২০২৬ পরবর্তী অর্থনৈতিক লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখবে।