বর্তমান অস্বাভাবিক বাজার ব্যবস্থায় ছোট উদ্যোক্তাদের টিকে থাকা খুবই চ্যালেঞ্জের। কেননা সবকিছুর দাম বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ বেড়েছে। কিন্তু সেভাবে ব্যবসায়ীরা পণ্যের দাম বাড়াতে পারছেন না। এসএমই উদ্যোক্তারা পণ্য উৎপাদন করে সে পণ্য বিক্রির পর আবারো উৎপাদনে যান। বাজার ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণে না থাকলে সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হন। আবার এসএমই খাতে এখনো ব্যাংকঋণ সহজ হয়নি। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের ঋণ পেতে অনেক ঝামেলা পোহাতে হয়। ব্যাংকগুলো বড় ব্যবসায়ীদের দিকে ঝোঁকে, ছোটদের পাশে থাকে না। এসএমই খাত যত দ্রুত বিকশিত হবে, ততই উদ্যোক্তার সংখ্যা বাড়বে। আর এ খাত শক্তিশালী হলে দেশের অর্থনৈতিক ভিত মজবুত হবে। যশোরে এসএমই খাতে বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। এখানকার উৎপাদিত গাড়ির যন্ত্রাংশ সারা দেশে যাচ্ছে, যা আগে ভারত থেকে আমদানি করতে হতো। আমাদের জেলার ফুল, সবজি, মাছ বিভিন্ন জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে। বিসিকে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা খাদ্যপণ্য উৎপাদন করছেন। তাদের আরো বিকশিত করতে হলে দায়িত্বশীলদের এগিয়ে আসতে হবে। এ খাতের উদ্যোক্তাদের উৎপাদিত পণ্য রফতানির সুযোগ সহজীকরণ করতে হবে।
বর্তমান অস্বাভাবিক বাজার ব্যবস্থায় ছোট উদ্যোক্তাদের টিকে থাকা খুবই চ্যালেঞ্জের। কেননা সবকিছুর দাম বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ বেড়েছে। কিন্তু সেভাবে ব্যবসায়ীরা পণ্যের দাম বাড়াতে পারছেন না। এসএমই উদ্যোক্তারা পণ্য উৎপাদন করে সে পণ্য বিক্রির পর আবারো উৎপাদনে যান। বাজার ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণে না থাকলে সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হন। আবার এসএমই খাতে এখনো ব্যাংকঋণ সহজ হয়নি। ক্ষুদ্র





