ইসলামী ব্যাংক প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই এসএমই খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে বিনিয়োগ সম্প্রসারণ করেছে। আমাদের লক্ষ্য ছিল এক ঝাঁক প্রতিশ্রুতিশীল উদ্যোক্তা তৈরি করা, যারা দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে অনবদ্য অবদান রাখবে। আমাদের সে প্রচেষ্টা সফল হয়েছে। দেশের শীর্ষস্থানীয় অনেক শিল্প গ্রুপ একসময় এসএমই ছিল। ইসলামী ব্যাংক থেকে অল্প কিছু পুঁজি নিয়ে এসব প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে।

গ্রামীণ দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য ইসলামী ব্যাংক ১৯৯৫ সালে পল্লী উন্নয়ন প্রকল্প (আরডিএস) চালু করে। এটি ছিল বিশ্বের বৃহত্তম ইসলামিক মাইক্রোফাইন্যান্স কর্মসূচি। দেশের ২৬ হাজার গ্রামে এ কর্মসূচি বিস্তৃত। ১৪ লক্ষাধিক প্রান্তিক পরিবার এ প্রকল্পের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হয়েছে। 

বর্তমানে ছয় হাজারের বেশি শিল্প-কারখানা এবং দুই হাজারের বেশি কৃষিভিত্তিক শিল্পপ্রতিষ্ঠান ইসলামী ব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত হচ্ছে। 

দেশের মোট এসএমই বিনিয়োগের ১১ শতাংশ এককভাবে ধারণ করেছে ইসলামী ব্যাংক। এর মাধ্যমে প্রায় তিন লাখ ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা তৈরি হয়েছে।

দেশের তাঁতশিল্প, শীতবস্ত্র, গামছা শিল্প, শুঁটকি, লবণ, পাদুকা শিল্প, নার্সারিসহ ৪৭টি এসএমই খাতে শতাধিক ক্লাস্টার প্রতিষ্ঠা পেয়েছে ইসলামী ব্যাংকের হাত ধরে। এসএমই খাতে অবদানের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক তাই বিভিন্ন সময়ে এ ব্যাংককে ‘শ্রেষ্ঠ ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাবান্ধব ব্যাংক’ হিসেবে পুরস্কৃত করেছে।