সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড (এসআইবিএল) শরিয়াহভিত্তিক একটি আধুুনিক ব্যাংক। এর ক্রেডিট কার্ডও সম্পূর্ণ শরিয়াহ কমপ্লায়েন্ট। গ্রাহক চাইলে ক্রেডিট কার্ডের সঙ্গে সাপ্লিমেন্টারি কার্ড নিতে পারেন, যা বিনামূল্যে দেয়া হয়। ইউরোপে মাস্টার কার্ড (ইএমভি) চিপভিত্তিক হওয়ার কারণে এসআইবিএলের ক্রেডিট কার্ড অত্যন্ত সুরক্ষিত ও ই-কমার্স লেনদেনও টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন দ্বারা সুরক্ষিত।
এসআইবিএলের ক্রেডিট কার্ড শরিয়াহসম্মত ও সুদমুক্ত হওয়ায় এর বেশ জনপ্রিয়তা রয়েছে। সমাজে সর্বস্তরের গ্রাহক আমাদের ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করছেন। আমরা স্বল্প আয়ের চাকরিজীবীদের ক্রেডিট কার্ড ইস্যু করছি।
তুলনামূলকভাবে আমাদের ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ডে প্রফিট রেট, ফি ও অন্যান্য চার্জ অনেক কম। শরিয়াহসম্মত হওয়ায় আমাদের কার্ডে কোনো হিডেন চার্জ নেই। গ্রাহক বাংলাদেশের প্রতিটি এটিএম থেকে কম খরচে ক্রেডিট কার্ড থেকে টাকা তুলতে পারেন। সর্বপ্রকার পিওএস (পয়েন্ট অব সেল) মেশিনে আমাদের কার্ড ব্যবহার করা যায়। এসআইবিএলের কার্ডে বিভিন্ন নির্বাচিত মার্চেন্ট আউটলেটে প্রায় সময়ই বিভিন্ন ধরনের ইএমআই সুবিধায় শূন্য শতাংশ আই-পে সুবিধা দেয়া হয়, যা গ্রাহককে সহজেই আকৃষ্ট করছে। এছাড়া এসআইবিএলের ক্রেডিট কার্ডের পেমেন্ট সিস্টেম অত্যন্ত নমনীয়, অর্থাৎ গ্রাহক পেমেন্ট প্রদানে ৪৯ দিন পর্যন্ত মুনাফা ফ্রি সময় পান। এ সময়ের মধ্যে পরিশোধ করা হলে কোনো ধরনের মুনাফা চার্জ ধার্য করা হয় না। গ্রাহকের জন্য রয়েছে কার্ড দিয়ে ব্যালান্স ট্রান্সফারের সুবিধা। সেই সঙ্গে তারা বিভিন্ন নির্বাচিত আউলেটে ডিসকাউন্টসহ ইএমআই সুবিধাও পাচ্ছেন। ব্যাংকের প্লাটিনাম কার্ডধারীদের জন্য বিনামূল্যে প্রায়োরিটি পাস কার্ড দেয়া হয়, যা দিয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বলাকা ভিআইপি লাউঞ্জে ও বিশ্বব্যাপী নির্বাচিত লাউঞ্জে বিনামূল্যে প্রবেশাধিকার সুবিধা পাওয়া যায়। গ্রাহক এসআইবিএলের ক্রেডিট কার্ড দিয়ে দেশে ও বিদেশে এটিএম থেকে নগদ উত্তোলনের সুযোগ পান।
এসআইবিএল সবসময় ক্রেডিট কার্ড গ্রাহকবান্ধব। গ্রাহকের বিভিন্ন সুবিধার কথা চিন্তা করে আমরা সর্বদা ভালো কিছু করার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছি। আরো বেশি মার্চেন্ট আউটলেটে ডিসকাউন্ট, ইএমআই ও শূন্য আই-পে সুবিধা দেয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে আমাদের ব্যাংকের। আমরা স্কুল-কলেজের শিক্ষক, সরকারি কর্মকর্তা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আমাদের কার্ডসেবা প্রদানের পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছি।
মানুষ এখন নগদ টাকা বহন করতে চায় না। তাই ক্রেডিট কার্ডের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। বাজার সম্প্রসারণে কোনো প্রতিবন্ধকতা আছে বলে আমরা মনে করি না। বিশেষ করে ইসলামী শরিয়াহসম্মত ও সুদমুক্ত কার্ড হওয়ায় আমাদের কার্ডের বাজার সম্প্রসারণে কোনো প্রতিবন্ধকতা নেই। আশা করছি, আগামীতে এ চাহিদা আরো বাড়বে। সে টার্গেট নিয়েই আমরা কাজ করছি।
ক্রেডিট কার্ড দেয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়মনীতি রয়েছে। আমরা এসব নিয়ম মেনে গ্রাহককে ক্রেডিট কার্ড দিই। তবে এসব শর্তাবলিতে কঠিন কোনো বিষয় নেই। আমরা আসলে কার্ড সম্পর্কে মানুষের সচেতনতা সৃষ্টির দিকেই জোর বেশি দিচ্ছি। গ্রাহকের আস্থা অর্জনই আমাদের লক্ষ্য। বর্তমান প্রযুক্তির যুগে মানুষকে সঠিক সেবা দেয়া গেলে অবশ্যই গ্রাহকদের কাছে ক্রেডিট কার্ডের ভীতি কেটে যাবে। সেই সঙ্গে যুগের সঙ্গে তাল মেলাতে বাড়বে গ্রাহকের সংখ্যা।
বর্তমান সময়ে ক্রেডিট কার্ড হলো বিপদের বন্ধু। কারণ আমাদের কার্ড দিয়ে গ্রাহক প্রয়োজনের মুহূর্তে যখন-তখন যেকোনো সময়ে এটিএম থেকে টাকা তুলতে পারছেন। বিভিন্ন পিওএস মেশিনে ব্যবহার করতে পারছেন, দেশে ও দেশের বাইরে ই-কমার্স লেনদেন করতে পারছেন। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ডিসকাউন্ট, ইএমআই ও শূন্য শতাংশ আই-পে সুবিধা পাচ্ছেন, ব্যালান্স ট্রান্সফারের মাধ্যমে কার্ড থেকে টাকা ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে নিয়ে নগদ ব্যবহার করতে পারছেন। কাজেই এসআইবিএলের ক্রেডিট কার্ড আসলেই মানুষের বিপদের বন্ধু, সবসময়ের সঙ্গী।
রমজান মাস ও আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আমরা বিভিন্ন শপিংমল, ইলেকট্রনিক ও ফার্নিচার শোরুম, হোটেল ও রেস্তোরাঁর সঙ্গে চুক্তি করছি। যাতে রমজান ও ঈদে গ্রাহক তাদের কেনাকাটায় আরো বেশি ডিসকাউন্ট, ইএমআই ও শূন্য শতাংশ আই-পে সুবিধা পেতে পারেন। এসআইবিএলের গ্রাহক তাদের ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যে কেনাকাটা ও প্রয়োজন মেটাতে পারছেন।





