বাংলাদেশ
তথা
ভারত
উপমহাদেশের
রাজনীতিতে
বঙ্গবন্ধু
শেখ
মুজিবুর
রহমান
ও
মুক্তিযুদ্ধকালীন
মুজিবনগর
সরকারের
ভারপ্রাপ্ত
ও
উপরাষ্ট্রপতি
সৈয়দ
নজরুল
ইসলামের
নাম
অত্যন্ত
গুরুত্বসহকারে
এবং
সম্মানের
সঙ্গে
উচ্চারিত
হয়।
বঙ্গবন্ধু
তার
নিজকর্মগুণে
নিজেকে
বিশ্ব
নেতায়
পরিণত
করেছিলেন,
হয়ে
উঠেছেন
হাজার
বছরের
শ্রেষ্ঠ
বাঙালি।
ব্যক্তিগত
জীবনে
অপরিসীম
আত্মত্যাগের
কারণেই
তিনি
আজ
বাঙালির
সবচেয়ে
প্রিয়
ব্যক্তিত্ব।
সেই
মহান
মানুষটির
অন্যতম
প্রিয়
ও
বিশ্বস্ত
বন্ধু
ছিলেন
বাংলার
বুলবুল
সৈয়দ
নজরুল
ইসলাম।
তারা
একই
আদর্শ
লালন
করতেন।
পাকিস্তান
সরকারের
নির্যাতন,
নিষ্পেষণ
থেকে
পূর্ব
বাংলার
জনগণকে
মুক্ত
করে
একটি
স্বাধীন
জাতিরাষ্ট্র
প্রতিষ্ঠাই
ছিল
তাদের
মূল
লক্ষ্য।
অসামান্য
আত্মত্যাগের
বিনিময়ে
শেষ
পর্যন্ত
তারা
তা
সফলভাবে
সম্পন্ন
করতে
পেরেছিলেন।
সংগত
কারণেইস্বাধীন
বাংলাদেশের
ইতিহাসে
এই
দুজনের
নাম
স্বর্ণাক্ষরে
লেখা
আছে,
ভবিষ্যতেও
থাকবে।
সিলেটে পরিচয়
উনিশশ
সাতচল্লিশ
সাল।
চারদিকে
তখন
ভারতভাগ
নিয়ে
তুমুল
আলোচনা।
অন্যকিছু
নয়,
শুধু
ধর্মের
ভিত্তিতেই
একটি
দেশ
ভেঙে
আরেকটি
নতুন
দেশের
জন্মের
ক্ষণ
প্রায়
চূড়ান্ত।ভারতবর্ষের
অন্য
অঞ্চলের
মতো
বাংলার
নির্যাতিত
মানুষও
ব্রিটিশশাসন
থেকে
মুক্তির
প্রহর
গুনছে।
কবে
আসবে
সেই
দিন!।
এমনই
এক
সময়ে
বৃহত্তর
সিলেট
ভারত
না
পাকিস্তান
কোন
দেশের
অন্তর্ভুক্ত
হবে
এ
সিদ্ধান্ত
গ্রহণে
গণভোটের
আয়োজন
করা
হয়।
এ
সময়
পাকিস্তানের
পক্ষে
প্রচারণা
চালাতে
সৈয়দ
নজরুল
ইসলাম
একদল
ছাত্র
নিয়ে
সিলেট
যান।
একই
সময়ে
কলকাতা
ইসলামিয়া
কলেজের
তখনকার
তুখোড়
ছাত্রনেতা
শেখ
মুজিবুর
রহমানও
পাকিস্তানের
পক্ষে
জনমত
গড়ে
তুলতে
সিলেট
আসেন।
সেখানেই
ঘটে
এই
দুই
উদীয়মান
নেতার
পরিচয়।
তারপর
পরিচয়
থেকে
বন্ধুত্ব।
বন্ধুত্ব
থেকে
আজীবনের
রাজনৈতিক
সহকর্মী।
এরপর
লড়াই
সংগ্রামে
কিংবা
ব্যক্তিজীবনে
দুজনে
হেঁটেছেন
পাশাপাশি
বন্ধুর
মতো।
পরিচয়
থেকে
মৃত্যু
পর্যন্ত
প্রায়
তিন
দশকের
পথচলায়
কোনো
আদর্শিক
বিচ্যুতি
নয়,
কোনো
স্বার্থগত
দ্বন্দ্ব
নয়,
কেবল
মৃত্যুই
তাদের
আলাদা
করেছে।
সৈয়দ
নজরুল
ইসলাম
তার
প্রিয়
বন্ধু
ও
নেতার
প্রতি
জীবনের
শেষ
সময়
পর্যন্ত
আনুগত্য
প্রদর্শন
করেছেন।
এমনকি
১৫
আগস্ট
ট্র্যাজেডির
পরও
তিনি
নিজ
আদর্শে
অবিচল
ছিলেন,
অকাতরে
নিজ
প্রাণ
বিলিয়ে
দিয়েছেন,
তবু
শত্রুদের
সঙ্গে
হাত
মেলাননি।
বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে আওয়ামী লীগে
যোগদান
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করে ১৯৫৫ সালে সৈয়দ নজরুল ইসলাম সবেমাত্র ‘ময়মনসিংহ বার’-এ কাজ শুরু করেছেন। এ সময় আওয়ামী লীগে যোগ দিতে শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষ থেকে আহ্বান আসে। তিনি তাতে সাড়া দেন। এর মধ্যদিয়ে প্রবেশ করেন সক্রিয় রাজনীতিতে। শুরু হয় তাদের যূথবদ্ধ পথচলা। দলীয় কাজে দুজন মিলে চষে বেড়িয়েছেন দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। শেখ মুজিবুর রহমানের বিশেষ আগ্রহেই রাজনৈতিক সফরে তার সঙ্গে যেতেন সৈয়দ নজরুল। ১৯৫৭ সালেময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন তিনি। এরপর দলীয় রাজনীতিতে আর পেছনে পড়ে থাকতে হয়নি তাকে। সাংগঠনিক দক্ষতার গুণে ১৯৬৪ সালে ইডেন চত্বরে অনুষ্ঠিত পূর্বপাকিস্তান আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে দলের সিনিয়র সহসভাপতি নিযুক্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে হয়ে ওঠেন জাতীয় নেতা।
আন্দোলন সংগ্রামে ছিলেন পাশাপাশি
১৯৬৬
সালের
৫ফেব্রুয়ারি
পশ্চিম
পাকিস্তানের
লাহোরে
‘ছয়
দফা’ ঘোষণা
দেন
শেখ
মুজিব।
সারা
পাকিস্তানে
‘ছয়
দফা’ নিয়ে
আলোচনা-সমালোচনা
শুরু
হয়।
এমন
সময়
বাঙালির
মুক্তির
সনদ‘ছয়
দফা’ নিয়ে
দলের
মধ্যে
একটা
চূড়ান্ত
সিদ্ধান্তে
পৌঁছতে
শেখ
মুজিব
আওয়ামী
লীগের
সভা
আহ্বান
করেন।
১৯৬৬
সালের
১৮-১৯
মার্চ
ঢাকার
হোটেল
ইডেন
প্রাঙ্গণে
এ
সভা
অনুষ্ঠিত
হয়।
এটি
ছিল
পূর্ব
পাকিস্তান
আওয়ামী
লীগের
কাউন্সিল
সভা।
দলের
সভাপতি
মাওলানা
আবদুর
রশীদ
তর্কবাগীশ
উপস্থিত
না
হওয়ায়
সভায়
সৈয়দ
নজরুল
ইসলাম
সভাপতিত্ব
করেন।
এ
কাউন্সিল
সভায়ই
‘ছয়
দফা’ অনুমোদন
করা
হয়।
সভায়
সারা
বাংলায়
শেখ
মুজিবের
পক্ষে
জনমত
গড়ে
তুলতে
নেতা-কর্মীদের
নির্দেশ
দিয়ে
তিনি
নিজেও
রাজপথে
নামেন‘ছয়
দফা’ নিয়ে।
দেশব্যাপী
‘ছয়
দফা’র
পক্ষে
প্রচারণা
চালিয়ে
জনমত
গড়ে
তুলতে
কাজ
করেন
সৈয়দ
নজরুল।
সে
সময়
শেখ
মুজিবুর
রহমান,
তাজউদ্দীন
আহমদসহ
অন্যান্য
জাতীয়
নেতাকে
বারবার
গ্রেফতার
করে
তাদের
ওপর
জুলুম-নির্যাতন
চালানো
হয়।
সেই
সংকটময়
মুহূর্তে
১৯৬৬
সালের
৯
মে
সৈয়দ
নজরুল
ইসলাম
পূর্ব
পাকিস্তান
আওয়ামী
লীগের
ভারপ্রাপ্ত
সভাপতির
দায়িত্ব
গ্রহণ
করেন।
নিষ্ঠার
সঙ্গে
সে
দায়িত্ব
পালন
করেন
১৯৬৯
সাল
পর্যন্ত।
এ
সময়ে
বাঙালির
মুক্তির
আন্দোলনকে
এগিয়ে
নিতে
কার্যকর
ভূমিকা
রাখেন
তিনি।
১৯৬৮
সালে
শেখ
মুজিবুর
রহমানকে
প্রধান
আসামি
করে
‘আগরতলা
ষড়যন্ত্র
মামলা’ নামের
একটি
তথাকথিত
রাষ্ট্রদ্রোহী
মামলা
দায়ের
করা
হয়।
সেই
মামলায়
সৈয়দ
নজরুল
ইসলাম
শেখ
মুজিবুর
রহমানের
অন্যতম
আইনজীবীর
দায়িত্ব
পালন
করেন।
১৯৭১
সালের
আন্দোলন-সংগ্রামেও
সৈয়দ
নজরুল
ইসলাম
ছিলেন
অগ্রগামী।
১৯
মার্চ
১৯৭১
ইয়াহিয়া
প্রাদেশিক
পরিষদের
সংখ্যাগরিষ্ঠ
দল
আওয়ামী
লীগের
সঙ্গে
বৈঠক
করেন।
শেখ
মুজিবুর
রহমানের
নেতৃত্বে
সে
প্রতিনিধি
দলের
সদস্য
ছিলেন
সৈয়দ
নজরুল
ইসলাম।
বঙ্গবন্ধু
শেখ
মুজিবুর
রহমান
গ্রেফতারের
আগেই
দলীয়
হাইকমান্ড
গঠন
করে
গিয়েছিলেন।
সৈয়দ
নজরুল
ছিলেন
দলীয়
হাইকমান্ডের
প্রধানতম
নেতা।
২৫
মার্চ
দুপুরবেলা
শেখ
মুজিবুর
রহমান
পূর্ব
পাকিস্তান
ডিএফআই
চিফ
মারফত
গোপন
খবরে
অবগত
হন
যে
রাতে
ঢাকায়
ক্র্যাকডাউন
হতে
যাচ্ছে।
বঙ্গবন্ধু
দ্রুত
হাইকমান্ড
এবং
অন্য
নেতাদের
গোপন
আশ্রয়ে
যাওয়ার
নির্দেশ
দেন।
নিজে
রয়ে
যান
ধানমন্ডির
৩২
নম্বর
রোডের
বাড়িতে।
২৫
মার্চ
রাতে
শেখ
মুজিবুর
রহমান
গ্রেফতার
হলে
সৈয়দ
নজরুল
ইসলাম
আবারো
আওয়ামী
লীগের
ভারপ্রাপ্ত
সভাপতির
দায়িত্ব
গ্রহণ
করেন।
বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা
২৫
মার্চ
রাতে
আওয়ামী
লীগ
নেতারা
যে
যার
মতো
করে
আত্মগোপনে
চলে
যান।
কেউ
কারো
সঙ্গে
যোগাযোগ
করার
সুযোগ
পাননি।সেদিন
রাতে
সৈয়দ
নজরুল
ইসলামও
আত্মগোপন
করেন।
এরপর
ঢাকা
থেকে
বের
হয়েজীবনের
ঝুঁকি
নিয়েময়মনসিংহের
হালুয়াঘাট
দিয়ে
সীমান্ত
পার
হয়ে
১১
এপ্রিল
ভারতে
পৌঁছান।
৭১-এর
১৭
এপ্রিল
মুজিবনগর
সরকার
শপথ
গ্রহণ
করে।পাকিস্তানের
কারাগারে
বন্দি
থাকায়
সেদিন
বঙ্গবন্ধু
শেখ
মুজিব
শপথ
গ্রহণ
অনুষ্ঠানে
উপস্থিত
থাকতে
না
পারলেও
তাকেই
করা
হয়
মুজিবনগর
সরকারের
রাষ্ট্রপতি।
আর
সৈয়দ
নজরুল
ইসলামকে
করা
হয়
উপরাষ্ট্রপতি।
একইসঙ্গে
তাকে
ভারপ্রাপ্ত
রাষ্ট্রপতির
দায়িত্বও
পালন
করতে
হয়।
সশরীর
অনুপস্থিত
থেকেও
বঙ্গবন্ধুর
ছিল
সর্বত্র
সরব
উপস্থিতি।
কেননা
তার
নামেই
চলেছে
সরকার,
পরিচালিত
হয়েছে
মুক্তিযুদ্ধ।
‘জয়
বাংলা,
জয়
বঙ্গবন্ধু’, ‘আমার
নেতা,
তোমার
নেতা
শেখ
মুজিব,
শেখ
মুজিব’ স্লোগানে
সরব
ছিল
বাংলার
রণাঙ্গন।
৬
জুলাই
১৯৭১
সালে
বাংলাদেশ
পরিষদ
সদস্যদের
সমাবেশে
অস্থায়ী
রাষ্ট্রপতি
সৈয়দ
নজরুল
ইসলাম
তার
ভাষণে
বলেন,
‘মাননীয়
সদস্যবৃন্দ,
আপনারা
জনগণের
নির্বাচিত
প্রতিনিধি,
বাংলার
সাড়ে
সাত
কোটি
মানুষ
বিশ্বাস
করে
তাদের
দায়িত্ব
আপনাদের
অর্পণ
করেছিল।
আপনারা
সবাই
বাংলার
স্বাধীনতা
যুদ্ধের
সৈনিক
বই
আর
কিছুই
নন।
আমাদের
মহান
নেতা
শেখ
মুজিবুর
রহমানের
দীর্ঘদিনের
সহচর
হিসেবে
তার
জীবনব্যাপী
আদর্শ
আর
সংগ্রামের
আমরা
ধারক
ও
বাহক।
আদর্শের
জন্য,
নীতির
জন্য,
নেতার
কাছে
আর
বাংলার
মানুষের
কাছে
দেয়া
প্রতিজ্ঞা
রক্ষার
জন্য
এই
ধরনের
অটুট
মনোবল
আর
কোনো
দেশের
জনপ্রতিনিধিরা
দেখাতে
পেরেছেন
কিনা
তার
নজির
আমার
জানা
নেই।
আপনাদের
বীরত্ব,
আদর্শ,
নিষ্ঠা,
মনোবল
ও
ত্যাগের
জন্য
আমি
অভিনন্দন
জানাই।
আপনারা
গৃহহারা
সর্বহারা
হয়ে
বাংলার
স্বাধীনতা
সংগ্রামে
আত্মোত্সর্গ
করেছেন—তাই
আপনাদের
প্রতি
আমার
অকুণ্ঠ
আন্তরিক
সালাম
আর
অভিনন্দন।’
স্বাধীন দেশের
সরকারে
দেশে
ফিরে
বঙ্গভবনে
অনুষ্ঠিত
প্রথম
সংবাদ
সম্মেলনে
অস্থায়ী
রাষ্ট্রপতি
সৈয়দ
নজরুল
ইসলাম
বঙ্গবন্ধু
শেখ
মুজিবকে
মুক্তি
দেয়ার
জন্য
ভুট্টোর
প্রতি
আহ্বান
জানান।
তিনি
বলেন,
একটি
স্বাধীন
রাষ্ট্রের
প্রেসিডেন্টকে
এক
মিনিটও
আটক
রাখার
অধিকার
ভুট্টোর
নেই।
ভুট্টো
যদি
জনগণের
ভালো
চান
তাহলে
তার
বাংলাদেশের
স্বাধীনতাকে
স্বীকার
করে
নেয়ার
মতো
বাস্তব
মনোভাব
ও
সাহসিকতা
থাকা
প্রয়োজন।
তিনি
বঙ্গবন্ধুর
মুক্তির
জন্য
চাপ
সৃষ্টি
করতে
বিশ্ব
সংস্থাগুলোর
প্রতি
আহ্বান
জানান।
অবশেষে
পাকিস্তানি
কারাগার
থেকে
মুক্ত
হয়ে
১৯৭২
সালে
দেশে
ফিরে
সরকার
পুনর্গঠন
করে
বঙ্গবন্ধু
সৈয়দ
নজরুল
ইসলামকে
শিল্প
মন্ত্রণালয়ের
দায়িত্ব
দিয়েছিলেন।
এ
সময়ে
বঙ্গবন্ধুর
নির্দেশে
তিনি
সংবিধান
প্রণয়ন
কমিটির
সদস্য
হিসেবেও
দায়িত্ব
পালন
করেছেন।
এবং
জাতীয়
সংসদে
আওয়ামী
লীগের
উপনেতা
নির্বাচিত
হয়ে
সংসদের
ভেতরেও
সক্রিয়
ছিলেন
সাংবিধানিক
দায়িত্ব
পালনে।
আমৃত্যু রাজনৈতিক সহকর্মী
রাজনীতিতে
সৈয়দ
নজরুল
ইসলামযেমন
বাংলার
মানুষের
ভালোবাসা
পেয়েছেন,
তেমনি
পেয়েছেন
বঙ্গবন্ধুর
ভালোবাসাও।
বঙ্গবন্ধু
তাকে
‘বন্ধ’ু
বলে
পরিচয়
দিতেন।
তাকে
সম্মান
করতেন।
তিনি
ছিলেন
জাতির
পিতার
বিশ্বস্তসহচর,
সহযোদ্ধা।
বঙ্গবন্ধু
যেমনটা
তাকে
বিশ্বাস
করতেন,
সেই
বিশ্বাসের
মর্যাদা
তিনি
জীবন
দিয়ে
অক্ষুণ্ন
রেখেছেন।
ফয়সাল আহমেদ: লেখক ও গবেষক; সম্পাদক, এবং বই





