দেশের রফতানি খাতে যত বেশি বৈচিত্র্য আসবে দেশের অর্থনৈতিক অবকাঠামো তত বেশি শক্তিশালী হবে বলে মন্তব্য বিশেষজ্ঞদের। রফতানিতে ৫০ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অর্জন ও রফতানিতে প্রাতিষ্ঠানিক অবদানের জাতীয় স্বীকৃতি নিয়ে সম্প্রতি বণিক বার্তার সঙ্গে আলাপচারিতায় ছিলেন স্কয়ার গ্রুপের প্রতিষ্ঠান স্কয়ার ফ্যাশনসের কর্ণধার সানচিয়া চৌধুরী

স্বীকৃতি প্রদান শুরুর পর থেকে একাধিকবার রফতানি ট্রফি পেয়েছে স্কয়ার ফ্যাশন। জাতীয় এ স্বীকৃতি অর্জনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা কীভাবে সম্ভব হচ্ছে?

আমরা আসলে কয়েকটি মৌলিক বিষয়ের ওপর সবসময় মনোযোগী থাকতে চেষ্টা করি। সেগুলো হচ্ছে কাজের পরিবেশ, যেখানে প্রতিষ্ঠানের সব কর্মী হাসিমুখে নিরাপদ পরিবেশে কাজ করতে পারেন। কাজের পরিবেশের সঠিক মান নিশ্চিত করতে আমাদের জন্য সবচেয় বড় ভূমিকা রেখেছে একে অন্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ। আমাদের মধ্যে যারা মূলত মেশিনের চাকা ঘোরাচ্ছেন, যাদের জন্য এ প্রতিষ্ঠান দাঁড়িয়ে আছে, তারা ভিন্ন সামাজিক কাঠামো থেকে এলেও আমরা কখনো তাদের ভিন্ন চোখে দেখি না। এখানে আমরা সবাই সবাইকে শ্রদ্ধা ও সম্মান করি। এরই পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের এ অসাধারণ কর্মপরিবেশ, যা আমাদের বার্ষিক জনশক্তি টার্নওভার হার কমিয়ে রাখতে সহায়তা করছে।

উৎপাদিত পণ্যের মান, পণ্যের মানের দিক থেকে আমরা কখনই কোনো প্রকার আপস করি না, যা ক্রেতাপ্রতিষ্ঠানের আস্থা অর্জন করতে সহায়তা করছে এবং সর্বোপরি সঠিক সময়ে পণ্য সরবরাহ। মূলত এ বিষয়গুলো আস্থা অর্জন এবং ব্যবসা প্রসারে মূল ভূমিকা পালন করছে, যার যৌক্তিক ধারাবাহিকতা হিসেবে এ রফতানি ট্রফি অর্জন।

জাতীয় স্বীকৃতি রফতানিকারকদের উৎসাহ প্রদানে কতটুকু ভূমিকা রাখতে পারছে?

একটি দেশের রফতানি বৃদ্ধিতে অনেকগুলো বিষয়ে প্রত্যক্ষ ভূমিকা রাখে। জাতীয় স্বীকৃতি এর একটি অংশমাত্র। যারা স্বীকৃতি পাচ্ছে না তারাও কিন্তু অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

একটি প্রডাকশন সিস্টেমের মৌলিক চাহিদাগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে জ্বালানি, এটি ছাড়া আমরা কোনো প্রকার উৎপাদনের কথা চিন্তাও করতে পারি না। বর্তমানে আমাদের জ্বালানির দাম অতীতের চেয়ে অনেক বেশি। প্রতি ঘনমিটারে আগের চেয়ে ২২ দশমিক ৭৮ শতাংশ বেড়ে গিয়েছে। আমি মনে করি নিয়ন্ত্রিত জ্বালানি মূল্য অনেক রফতানিকারকের উৎপাদনক্ষমতা বাড়িয়ে দিতে পারে। জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে আরো অনেক কিছু জড়িত। বর্তমানে আমরা আমাদের কাঁচামালের মূল্যে ঊর্ধ্বমুখী ট্রেন্ড দেখতে পাচ্ছি, যা আমাদের ফাইনাল প্রডাক্টপ্রতি ব্যয় বাড়িয়ে দিচ্ছে, অন্যদিকে বায়াররা কিন্তু তাদের পণ্যের দাম বাড়াচ্ছে না, উল্টো তারা প্রতিনিয়ত দাম কমাচ্ছে। তাই প্রডাক্ট ব্যয় ও প্রডাক্ট দামের মধ্যে ব্যালান্স করতে পারাটাই আমাদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তাই বলা যায় যে জাতীয় স্বীকৃতির সঙ্গে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ, পরিপূর্ণ জ্বালানি সরবরাহ এবং উন্নত-টেকসই যোগাযোগ ব্যবস্থা।

দেশের রফতানি খাতের প্রধান পণ্য পোশাক। মোট রফতানিতে ৮০ শতাংশের বেশি অবদান পোশাক পণ্যের। রফতানিনির্ভর টেকসই অর্থনীতি গড়তে একটি পণ্যের ওপর এ নির্ভরশীলতা নিয়ে আপনার মতামত কী?

বহুদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে পোশাক শিল্পের প্রথমিক এবং একক অবদান রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ অতীতে ব্রিটেন, ফ্রান্স, ইতালি, তারপর চীন ও ভারতের কথা বলাই যায়। এ উন্নয়নের ওপর ভর করে একটি পর্যায়ে সেসব দেশ অন্যান্য শিল্পে বিনিয়োগ শুরু করেছে এবং সফলতা পেয়েছে। দেখা গেছে এ পরিক্রমায় পোশাক শিল্প গৌণ খাত হয়ে গিয়েছে অথবা একটা সময় এ খাত থেকে সরে গিয়েছে।

বর্তমানে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের মর্যাদা পেয়েছে। আমরা এগিয়ে যাচ্ছি যে তা আমরা নিঃসন্দেহে বলতে পারি। এর পেছনে যে আমাদের পোশাক শিল্প অতুলনীয় অবদান রেখেছে তা আসলে আলাদা করে বলার প্রয়োজন দেখছি না। আমার নিজস্ব অভিমত যে অবশ্যই একটি রাষ্ট্রকে শুধু একটি শিল্পের ওপর নির্ভর করে চলা উচিত না, যেমনটা আমারা কখনই আমাদের প্রডাকশন শুধু একটি বায়ারের ওপর নির্ভরশীল হয়ে চলি না। রফতানি খাতে যত বেশি বৈচিত্র্য আসবে দেশের অর্থনৈতিক অবকাঠামো তত বেশি শক্তিশালী হবে বলে আমি মনে করি। বাংলাদেশেরও কিন্তু সেই সুযোগ তৈরি হয়েছে এবং এরই মধ্যে অন্যান্য বহু শিল্প রফতানিতে অবদান রাখতে শুরু করেছে। উদাহরণ হিসেবে ওষুধ, টেলিকমিউনিকেশন, ফুড-বেভারেজ শিল্পের কথা অবশ্যই বলতে হয়।

তবে আমাদের দেশের অবকাঠামো এবং শিল্প ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা জরুরি, কেননা ভবিষ্যৎ শিল্প হবে টেকনির্ভর, যেখানে গতানুগতিক শিক্ষা ব্যবস্থা অনেকটাই দুর্বল বলে প্রতীয়মান হয়।

বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রফতানিকারক দেশ বাংলাদেশ। দেশে এ শিল্পের ভবিষ্যৎ কতটা টেকসই?

আমরা বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রফতানিকারক দেশ এবং আমরা এই খাতে অনেক দূর এগিয়ে গিয়েছি। কিন্তু উন্নয়নের কোনো শেষ নেই। এটি একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। আমাদের এখনো অনেক পথ চলার বাকি। আমরা দক্ষতার মাত্রা, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন, পণ্য বহুমুখীকরণ এবং স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা বা অটোমেশনের দিক দিয়ে অনেকটা পিছিয়ে। আমরা এখনো পুরো সেক্টরটা চালাচ্ছি মানুষনির্ভর, কিন্তু বর্তমানে আমরা দক্ষ জনবল চাহিদা অনুযায়ী পাচ্ছি না। এর মূল কারণ হচ্ছে অন্যান্য শিল্পের বিকাশ। তাই আমাদের এখনই উচিত অটোমেশনের দিকে মনোযোগ দেয়া এবং সেই সঙ্গে আমাদের বিদ্যমান জনবলকে বহুমুখী দক্ষতাসম্পন্ন হিসেবে গড়ে নিজস্ব দক্ষতা ও সক্ষমতা বাড়ানো। তবেই আমরা ভবিষ্যতে জনবল সংকটে পড়লেও আমরা এ শিল্পকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারব।

এছাড়া উন্নত দেশগুলো বিভিন্ন ইনোভেশন আমাদের কাছে আসছে। আমাদের এখন সেইগুলোর সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেয়ার মানসিকতা তৈরি করা এবং আমাদের জনশক্তিকে সে অনুযায়ী প্রশিক্ষণ দেয়া উচিত।

আরেকটি কথা না বললেই নয়। যেহেতু আমাদের পণ্য উৎপাদন ব্যয় দিনকে দিন বেড়েই চলছে, কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধির কারণে, আমাদের এখন চিন্তা করতে হবে কীভাবে নন-ভ্যালু আডিং ব্যয়গুলো কমানো যায়। আর সেই পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের পুরো প্রডাকশন চেইনের অপচয়ের ফ্যাক্টরগুলো নিয়ে কাজ করা উচিত।

যদি আমরা এসব বিষয় মাথায় রেখে সামনে এগিয়ে যাই এবং ধারাবাহিক উন্নতিকে আমরা যদি নিয়মিত চর্চার মধ্যে নিয়ে আসতে পারি তাহলে এ শিল্প নিয়ে আমরা আরো অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারব।

বাংলাদেশে পোশাক উৎপাদনের বৈচিত্র্য নিয়ে আপনার মূল্যায়ন কেমন? মৌলিক পণ্য থেকে সরে এসে বাংলাদেশের কি এখন শুধু হাইএন্ড পণ্য উৎপাদনের বিষয়ে মনোযোগী হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন?

আমাদের পোশাক শিল্পের শুরুর দিকে আমরা শুধু টি-শার্ট ও শার্টনির্ভর ছিলাম। এর মূল কারণ ছিল আমাদের কর্মীদের দক্ষতার সীমাবদ্ধতা। কিন্তু সময়ের সঙ্গে আমরা আমাদের প্রডাক্টের মধ্যে ভিন্নতা আনতে সক্ষম হয়েছি। বিজিএমইএর তথ্য অনুযায়ী বিগত বছর প্রডাক্ট মূল্যের ভিত্তিতে সবচেয়ে বেশি রফতানি হচ্ছে ট্রাউজার, তারপর টি-শার্ট, শার্ট ও জ্যাকেট। পণ্য বহুমুখীকরনের যে সীমাবদ্ধতা ছিল অতীতে তা আমরা অনেকটাই কাটিয়ে উঠছি। বর্তমানে আমাদের পণ্যের স্টাইল এবং নকশার বৈচিত্র্য অতীত থেকে অনেক বেশি। অতীতে আমরা একটা স্টাইল গড়ে ৭-১০ দিন প্রডাকশন করতে পারতাম। বর্তমানে তা কমে দাঁড়িয়েছে দু-তিনদিনে। এটাও আমরা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি। এটার জন্য আমাদের সাপ্লাই চেইনে যা যা পরিবর্তন করা প্রয়োজন, সেটা করতেও সক্ষম হয়েছি।

হাইএন্ড প্রডাক্ট কনসেপ্টটা আসলে নির্ভর করে সম্পূর্ণ ডিমান্ডের ওপর এবং এসব প্রডাক্ট আমাদের সমাজের একটি নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠী ক্রয় করতে সক্ষম। সেই সঙ্গে এ প্রডাক্টগুলোর কাঁচামাল, গুণগত মান বজায় রাখার ব্যয় তুলনামূলক বেশি, কিন্তু উৎপাদনশীলতা অন্যান্য প্রডাক্টের থেকে কম। তাই আমি মনে করি আমাদের হাইএন্ড প্রডাক্ট এবং লোয়ারএন্ড প্রডাক্টের মাঝে একটা সমন্বয় তৈরি করা, যা সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করবে চাহিদার ওপর। একই সঙ্গে আমাদের হাইএন্ড প্রডাক্ট তৈরি করতে পারার জন্য যে ধরনের অবকাঠামো প্রয়োজন যেমন—সক্ষমতা, দক্ষতা, অটোমেশন, অত্যাধুনিক যন্ত্র এবং পরিবর্তন ক্ষমতা, এ বিষয়গুলো উন্নয়নে কাজ করা উচিত।

পোশাক উৎপাদনের ইতিহাস থেকে জানা যায়, বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন দেশে পোশাক উৎপাদন কেন্দ্র ছিল। আর্থসামাজিক উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় শিল্পটিকে বাংলাদেশ আর কতদিন ধরে রাখতে পারবে বলে আপনি মনে করেন?

অতীতে ইউরোপের অনেক দেশের মুখ্য শিল্প ছিল পোশাক শিল্প এবং সময়ের পরিক্রমায় এ শিল্প হারিয়ে গিয়েছে। এর প্রধান কারণগুলোর মধ্যে আছে আর্থসামাজিক উন্নয়ন, কর্মীদের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি এবং অন্যান্য শিল্পের বিকাশ। আমাদের দেশের বর্তমান পরিস্থিতিও কিন্তু সেদিকেই অগ্রসর হচ্ছে। আপনি যদি আমাদের কর্মীদের প্রশ্ন করেন তাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী? সিংহভাগই উত্তর দেবে, তারা তাদের পরবর্তী প্রজন্মকে অন্য খাতে দেখতে চায়। এর কারণ হচ্ছে তারা তাদের পরবর্তী প্রজন্মকে শিক্ষিত করছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা ও কর্মক্ষমতার সঙ্গে আমাদের সামাজিক অবকাঠামোর সামঞ্জস্য রাখতে সময়ের সঙ্গে আমাদের এ খাতে কর্মীর অভাব দেখা দেবে। তাই আমাদের একটি নিখুঁত ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রয়োজন।

যেসব উন্নত দেশে পোশাক শিল্প ছিল, তারা এখনো কিছু পোশাক উৎপাদন করে, কিন্তু একটু ভিন্ন উপায়ে। তাদের অধিকাংশ এখন হাইএন্ড প্রডাক্টগুলো করে সবচেয়ে কম জনবল ব্যবহার করে। এটা সম্ভব হয়েছে একমাত্র প্রযুক্তিগত অগ্রগতি, উদ্ভাবন এবং ইন্টারনেট অব থিংসের (আইওটি) সমন্বয়ে। পুরো পৃথিবী চলছে প্রতিযোগিতার মধ্যে, আর এ প্রতিযোগিতায় এগিয়ে যাওয়ার জন্য আমাদের প্রয়োজন দ্রুত সমস্যা চিহ্নিত এবং সমস্যা সমাধান সক্ষমতা। আর এক্ষেত্রেই সহায়তা করে আইওটি এবং অটোমেশন।

আমি মনে করি পরবর্তী যুগটি আমাদের শিল্প খাতের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। কেননা এ সময়ের মধ্যে আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে এ খাতের গুরুত্ব অনুধাবন করিয়ে উদ্ভাবনী দক্ষতা উন্নয়ন করে তাদের হাতে হস্তান্তর করাটাই আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে। আর এ যাত্রায় আমাদের উদারতা, নতুনকে গ্রহণ করে নেয়ার মানসিকতা, একাগ্রতা এবং দুটি ভিন্ন জেনারেশনের মধ্যে মেলবন্ধন তৈরি করার প্রচেষ্টা বড় ভূমিকা পালন করতে পারে।

বর্তমানে স্কয়ার নেই, এমন কোনো খাতে ব্যবসা সম্প্রসারণ বা সম্পূর্ণ নতুন কোনো উদ্যোগ গ্রহণের পরিকল্পনা আছে কি?

ব্যবসা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করা হয় সময়, ভবিষ্যতের চাহিদা এবং বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জগুলো বিশ্লেষণের মাধ্যমে। আর এ প্রতিযোগিতামূলক ব্যবসা ব্যবস্থার মধ্যে আমি মনে করি যে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পরই তা জানা উচিত। অগ্রগতির দিক দিয়ে স্কয়ার কখনো থামেনি, থামবেও না। দেশের পণ্য এবং কর্মসংস্থানের চাহিদা মেটানোর জন্য স্কয়ারকে যা করা দরকার এসবই আমাদের পরিকল্পনার মাঝে আছে এবং থাকবে।

পোশাক ও বস্ত্র খাতে বিনিয়োগে স্কয়ারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চাই।

আজকের স্কয়ারের সঙ্গে আপনি ১০ বছর আগের স্কয়ারকে যদি মেলাতে যান, উন্নয়ন আর পরিবর্ধন ছাড়া আপনার চোখে আর কিছু পড়বে না। আমাদের পরিধি সময়ের সঙ্গে বেড়েছে এবং একইভাবে ভবিষ্যতে বাড়বে। আমরা প্রতিনিয়ত কর্মসংস্থান তৈরির মাধ্যমে আর্থসামাজিক অবকাঠামো প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করব। পুরো বিশ্ব আজ গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের শিকার। এরই পরিপ্রেক্ষিতে আমরা টেকসই জ্বালানি এবং পরিবেশবান্ধব বা গ্রিন সাপ্লাই চেইনের দিকে অগ্রসর হচ্ছি। সেই সঙ্গে আমাদের কাস্টমারদের টেকসই নীতিগুলো পরিপূর্ণভাবে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। আশা করি ভবিষ্যতে আমরা আমাদের একটি পরিপূর্ণ টেকসই কোম্পানি হিসেবে বিশ্ববাজারে তুলে ধরতে পারব।