ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে ইরান আজ একটি একটি ব্যালিস্টিক মিসাইল নিক্ষেপ করেছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি ডিফেন্স ফোর্স (আইডিএফ)। ওই মিসাইলের সঙ্গে ‘ফ্র্যাগমেন্টিং ক্লাস্টার ওয়্যারহেড’। এটি এক ধরনের বিস্ফোরক যা আকাশে উচ্চতা থেকে ছোট ছোট বোমায় বিভক্ত হয়ে বিস্তৃত এলাকায় আঘাত হানে।

আইডিএফ বলছে, ক্ষেপণাস্ত্রটি যখন প্রায় ৭ কিলোমিটার উচ্চতা থেকে নেমে আসে, তখন এর ওয়্যারহেড ফেটে গিয়ে প্রায় ২০টি ছোট মুনিশন (উপ-বোমা) চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। যা প্রায় ৮ কিলোমিটার ব্যাসার্ধ জুড়ে এলোমেলোভাবে মাটিতে পড়ে। এসব ছোট বোমার নিজস্ব প্রপালশন নেই, ফলে নিয়ন্ত্রণহীনভাবে পড়ার কারণে এগুলো অপ্রত্যাশিত জায়গায় বিস্ফোরণ ঘটাতে পারে।

এ ধরনের একটি মুনিশন আজোর শহরে একটি বাড়িতে আঘাত হানে, যার ফলে ঘরে ক্ষয়ক্ষতি হয়। সেনাবাহিনীর একজন কর্মকর্তা জানান, এসব মুনিশনের প্রতিটির বিস্ফোরণ ক্ষমতা তুলনামূলকভাবে ছোট হলেও, তারা একসঙ্গে অনেক বড় এলাকার জন্য হুমকি তৈরি করে।

আইডিএফ জনগণকে কোনো ধরনের ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ স্পর্শ না করার এবং তা দেখতে পেলে দ্রুত কর্তৃপক্ষকে জানানোর আহ্বান জানিয়েছে, কারণ এগুলো এখনো বিস্ফোরণ ঘটাতে সক্ষম ও মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ।

ইসরায়েল বলছে, আজ সকালেই ইরান মোট ২০টির মতো ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের দিকে ছুঁড়েছে, যার মধ্যে চারটি সরাসরি আঘাত হানে। এর মধ্যে বড় ওয়্যারহেড বহনকারী ক্ষেপণাস্ত্রগুলো বিরশেভার সোরোকা হাসপাতাল, রামাত গান ও হোলনের বেশ কিছু ভবনে আঘাত হানে, যার ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।