কলিজা : কলিজায় আয়রনের পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ রয়েছে।

গাজর : এক কাপ গাজরে যে পরিমাণ ভিটামিন এ থাকে, তা একজন মানুষের গড় চাহিদার ৩৩৪ শতাংশ পর্যন্ত পূরণ করতে পারে।

কুমড়া : কুমড়াতে পাওয়া যায় ভিটামিন এ। প্রতিদিন ১০০ গ্রাম কুমড়া খাবারে থাকলে চাহিদার ১৭০ শতাংশ পূরণ করতে পারবে।

মিষ্টি আলু : শুধু একটি মিষ্টি আলুই মানুষের দৈনন্দিন ‘ভিটামিন এ’-এর গড় চাহিদার ৪৩৮ শতাংশ পূরণ করতে সক্ষম। এছাড়া এটি ত্বকের কোষের জন্য প্রয়োজনীয় ‘ভিটামিন এ’ সরবরাহ করতে এবং ইনফেকশন বা সংক্রমণ ঠেকাতে সক্ষম।

টমেটো : টমেটোতে ক্যালরি কম থাকলেও এর মিনারেল কনটেন্টে প্রচুর ভিটামিন এ রয়েছে। একটি মাঝারি আকারের টমেটো আপনার দৈনন্দিন চাহিদার ২০ শতাংশ পূরণ করতে সক্ষম।

লাল মরিচ : লাল মরিচে ভিটামিন এ-তো থাকেই, পাশাপাশি এতে থাকে কারোটেনয়েডস ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। খাদ্য তালিকায় রাখলে এটি আপনার দৈনন্দিন ‘ভিটামিন এ’ চাহিদার ৪২ শতাংশ পূরণ করবে।

সবুজ শাকসবজি : সবুজ শাকসবজিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ থাকে। এছাড়া এতে ম্যাঙ্গানিজ, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ভিটামিন সি এবং কে থাকে।

মাছ : মাছ ও মাছের তেল ভিটামিন এ-এর চমৎকার উৎস।

দুগ্ধজাতীয় খাবার : এক কাপ দুধ দৈনন্দিন ১০-১৪ শতাংশ পর্যন্ত ভিটামিন এ সরবরাহ করতে পারে। আর এক্ষেত্রে পনির ১-৬ শতাংশ পর্যন্ত সরবরাহ করে। তথ্য: বোল্ডস্কাই