যুক্তরাষ্ট্রে শ্রমিক দিবসের প্রাক্কালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ‘ডে ইন দ্য লাইফ’ ইনফ্লুয়েন্সারদের ভূমিকা বিশেষ নজর কাড়ে। অফিসকর্মীদের দৈনন্দিন কর্মঘণ্টার সাধারণ মুহূর্ত অর্থাৎ ব্যস্ততা, দুপুরের সাদামাটা খাবার বা বিকালের বিরতি নিয়ে তৈরি স্বল্পদৈর্ঘ্যের ভিডিও এখন টিকটক, ইনস্টাগ্রাম ও ইউটিউবে ঘুরে বেড়াচ্ছে। সাধারণ কর্মচারীদের পাশাপাশি ব্ল্যাকস্টোনের সিইও জন গ্রের মতো শীর্ষ করপোরেট কর্তারাও নিজেদের দৈনন্দিন রুটিন শেয়ার করছেন। ভিডিও কনটেন্ট তৈরিকে পেশা হিসেবে নেয়ার প্রবণতা দ্রুত বাড়ছে।
ইন্টারনেট অ্যাডভারটাইজিং ব্যুরোর তথ্যানুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে ২০২০ সালে ভিডিও তৈরি করে আয় করা মানুষের সংখ্যা যেখানে ছিল দুই লাখ, সাম্প্রতিক সময়ে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখে। চাকরির পাশাপাশি এটা বাড়তি আয়ের নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। যুক্তরাষ্ট্রে ক্রিয়েটর ইকোনমির বাজার দাঁড়িয়েছে প্রায় ২ হাজার ১০০ কোটি ডলারে, যা বার্ষিক ১৬ শতাংশ হারে বাড়ছে। এ অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে পুঁজি করে বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ডগুলোও নিজেদের বিপণন কৌশল বদলে ফেলছে। ফলে স্টারবাকসের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো ৫-২০ হাজার অনুসারী থাকা ক্ষুদ্র ইনফ্লুয়েন্সারদের পাশাপাশি নিজেদের সাধারণ কর্মীদের ব্র্যান্ডিংয়ের কাজে লাগাচ্ছে। কম খরচে সর্বাধিক গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিতে এ কৌশল বিশ্বজুড়ে আধুনিক প্রচার ও করপোরেট অর্থনীতির সমীকরণ পুনঃসংজ্ঞায়িত করছে।
[রয়টার্সের ব্রেকিংভিউজ থেকে সংক্ষেপিত]
জেনিফার সাবা
রয়টার্সের কলামিস্ট










